কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে ইছামতি নদীর বুক যেন এখন বিস্তীর্ন ফসলের মাঠ। নদীকে কৃষক বীজতলা হিসেবে ব্যবহার করছে। এছাড়াও ভুট্রা, মিষ্টি আলু, মরিচ, সরিষা, সবজি চাষ করেছে। ওই উপজেলার উপর দিয়ে ইছামতি ও যমুনা নদী প্রবাহিত হয়েছে। এই মৌসুমে নদীর পানি কমে যাওয়ায় ওই অঞ্চলের কৃষকেরা বাড়তি ফসল উৎপাদনে নদীর বুককে বেছে নিয়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট উপজেলার প্রায় ১১০ হেক্টর খাল, বিল ও নদীর বুক জুড়ে চলতি বছর কৃষক বোরো ধানসহ রবি ফসল চাষ করেছে। এতে করে ওই উপজেলায় খাদ্য উৎপাদন কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পাবে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সরেজমিনে উপজেলার সোনামুখী থেকে শুরু করে চালিতাডাঙ্গা পর্যন্ত ইছামতি নদীর বুকে কৃষককে ফসল উৎপাদনে চেষ্টা চালাতে দেখা গেছে। আবার কিছু কিছু এলাকায় নদীর তীরে ধানের বীজতলাও পরিচর্যা করছেন কৃষকেরা।

এ বিষয়ে কাজিপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শরিফুল ইসলাম বলেন, দিন দিন ফসলী জমি কমে যাচ্ছে। ফসলী জমিতে বাড়ি ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়াও ফসলী জমির উর্বর মাটি যাচ্ছে ইট ভাটায়। তাই জমির উর্বরতা শক্তি হ্রাস পাচ্ছে। বাধ্য হয়ে কৃষক নদ-নদীর বুকের উর্বর জমিতে ফসল ফলাচ্ছে। এতে করে কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি কৃষক আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হবে।