কিশোরগঞ্জ জেলায় ভুট্টার বাম্পার ফলনের সম্ভবনা রয়েছে। কৃষকের জন্য ধান গমের চেয়ে ভুট্টা আবাদে খরচ কম এবং লাভজনক হওয়ায় ভুট্টা চাষে মনোযোগ দিয়েছে। হাওড়ে বর্ষার পানি আসার আগে ভুট্টা ঘরে উঠে যায়। তাই হাওড়ের মাঠে মাঠে ভুট্টার আবাদ গতবারের চেয়ে অনেক বেশি হয়েছে। ভুট্টা চাষে জেলার কৃষকরা বেশি ঝুঁকে পড়ছে। ভুট্টা চাষে খরচ কম ফলন ও দাম বেশি পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে ভুট্টা চাষের আগ্রহ বেশি হচ্ছে। ভুট্টা থেকে মাছ ও মুরগির খাদ্য উৎপাদন এবং গাছ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় এটি লাভজনক হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে ভুট্টা চাষে আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কৃষকেরা ভুট্টার গাছে যত্ন নিচ্ছে ।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবুল কালাম আজাদ জানায় এ বছর জেলার ১৩ উপজেলায় ১২ হাজার ২১০ হেক্টর চাষ করা হয়েছে। জেলায় এ বছর কিশোরগঞ্জ সদর ৬০০ হেক্টর হোসেনপুর ৬০০ হেক্টর পাকুন্দিয়া ৬৬৫ হেক্টর কটিয়াদি ৪০৫ হেক্টর করিমগঞ্জ ৩৫৫ হেক্টর তাড়াইল ৬৩ হেক্টর ইটনা ৭২৫ হেক্টর মিঠামইন ২৮৮৮ হেক্টর নিকলী ৩১১০ হেক্টর অষ্টগ্রাম ৯৮০ হেক্টর বাজিতপুর ২০১০হেক্টর কুলিয়ারচর ১৩৬ হেক্টর ভৈরব ৯৩ হেক্টর জমিতে ভুট্টার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের দেয়া হয়েছে বিনা মূল্যে সার ও বীজ। এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও পোকা মাকড়ের আক্রমণ কম হওয়ায় ভুট্টার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।