নুরুল আজিম ইমতিয়াজ, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা: শিম শীতকালীন সবজি হলেও গ্রীস্মকালেও এর ফলন দেখা যায় বাঁশখালী উপজেলায় এবার শিমের ফলন ভালো হয়েছে। চারিদিকে শুধু শিম আর শিম। শিম চাষিদের মনে বইছে আনন্দের জোয়ার।ক্ষেত থেকে কয়েক দফা শিম তোলা হয়ে গেছে। এখনো ফুল আসছে। ফেব্রুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত প্রায় একই রকম ফলন হবে। শিমের বাজার মূল্য ভালো থাকায় গতবছরের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে আশা করছেন এ শিম চাষিরা।

বাঁশখালী উপজেলার পূর্ব জলদী, চাম্বল, বৈলছড়ি, সাধনপুর, পুকুরিয়া, পুইছড়ি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সবুজের মাঝে সাদা ও বেগুনি রঙের শিম ফুলের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। এ দৃশ্য যেকোনো পথচারীকে বিমোহিত করবে। শিম সবজি হিসেবে উচ্চ পুষ্টিগুণ সম্পন্ন বাজারে শিমের চাহিদা রয়েছে প্রচুর।

বাঁশখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র সরকার জানান বাঁশখালী উপজেলায় ১০০ হেক্টর জমিতে শিমের চাষ করা হয়েছে। তবে হেক্টর প্রতি ১০ মেট্রিক টন শিম উৎপাদন হবে বলে আশা করা যায়। এছাড়াও শিম চাষীদেরকে প্রয়োজনীয় সকল প্রকার সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

তিনি আরো জানেন, দেশে পঞ্চাশটিরও বেশি স্থানীয় শিমের জাত রয়েছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বাইনতারা, হাতিকান, চ্যাপ্টা শিম, ধলা শিম, পুটি শিম, ঘৃত কাঞ্চন, ইত্যাদি। বারি শিম ১, বারি শিম ২, বিইউ শিম ৩, ইপসা শিম ১, ইপসা শিম ২, একস্ট্রা আর্লি, আইরেট ইত্যাদি আধুনিক উচ্চ ফলনশীল জাত। এই বার বাঁশখালী উপজেলায় এই জাত চাষ করায় কৃষকরা সাফল্য পেয়েছে। কৃষকরা যাতে শিমের ন্যায্য মূল্য পায়, সে ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিস সতর্ক রয়েছে বলেও জানান তিনি।