- প্রস্তাব জমা দিয়েছে চার কোম্পানি
- বিভিন্ন মহলের তীব্র আপত্তি
- জ্বালানি খাতের অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে নীতিমালাটি চূড়ান্ত হবে: মন্ত্রণালয়
বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, মজুত, পরিবহন, বিতরণ ও বিক্রির সুযোগ দিতে চার দিনের মধ্যে খসড়া নীতিমালা তৈরির নির্দেশ দিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) এ খসড়া তৈরি করতে বলা হয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন আসতে পারে।
তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা এ নির্দেশনার সমালোচনা করছেন। তাদের মতে, এত বড় ধরনের সংস্কারের আগে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বড় পরিসরে আলোচনা, কারিগরি সমীক্ষা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা ও বাজার নিয়ন্ত্রণে এর সম্ভাব্য প্রভাব সতর্কভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
এদিকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, মজুত, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার উদ্যোগ অবিলম্বে স্থগিতের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, সরকারি একচেটিয়া ব্যবস্থার সংস্কারের পরিবর্তে জ্বালানি খাত বেসরকারি কয়েকটি গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়া হলে নতুন করে একচেটিয়া বাজার তৈরি হতে পারে এবং এর বোঝা শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপর পড়বে।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দলের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার এসব কথা বলেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণন বেসরকারি খাতে দেওয়ার জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ নতুন নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বিষয়টি জনগণের সামনে প্রকাশ না করে নথির আড়ালে ও বন্ধ দরজার মধ্যে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এটি সংস্কার নয়, এটি হস্তান্তর। এটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি দুর্নীতি ও লুটপাটের লাইসেন্স।” তাঁর দাবি, বেসরকারি খাতে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলে রাষ্ট্রীয় একচেটিয়ার পরিবর্তে কয়েকটি বেসরকারি গোষ্ঠীর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার জারি করা এক চিঠিতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) ১০ আগস্টের মধ্যে ‘বেসরকারি খাতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, মজুত, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন নীতিমালা ২০২৬’-এর খসড়া জমা দিতে নির্দেশ দেয়। এ নির্দেশ এমন সময়ে এলো, যখন বিপিসিতে পূর্ণকালীন চেয়ারম্যান নেই। গত ২৬ জুলাই রেজানুর রহমানকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করার পর থেকে পদটি শূন্য রয়েছে।
শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় খসড়া তৈরির জন্য বিপিসি কার্যত মাত্র দুই কর্মদিবস সময় পাচ্ছে। এদিকে ৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত মাতারবাড়ী জ্বালানি হাব সফরের প্রস্তুতি নিয়েও ব্যস্ত রয়েছেন সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব আসিফ আহমেদের সই করা মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণের একটি কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে প্রস্তাবিত নীতিমালাটি করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির দায়িত্ব বেসরকারি খাতে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে তা বাস্তবায়নের পর্যায়ে যায়নি
জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি পর্যায়ে জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনের অনুমতি চেয়ে চারটি ব্যবসায়িক গ্রুপ সরকারের কাছে আবেদন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে টিকে গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ। এর মধ্যে বসুন্ধরা বাদে বাকি তিনটি কোম্পানি দেশে রিফাইনারি বসিয়ে ক্রুড অয়েল আমদানি করে তা পরিশোধনের মাধ্যমে বিক্রির অনুমতি চেয়েছে বলে একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। শুধু বসুন্ধরা গ্রুপ পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়ে আবেদন করেছে।
২৪ মে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (এবিজি) চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর স্বাক্ষরিত চিঠিতে দীর্ঘ মেয়াদে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার অংশীদার হওয়ার লক্ষ্যে বসুন্ধরা অয়েল অ্যান্ড গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডকে (বিওজিসিএল) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, বিক্রি ও বিপণনের অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
আবেদনে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটি প্রায় পাঁচ বছর ধরে নিজস্ব রিফাইনারিতে অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করে দেশে জ্বালানি উৎপাদন ও সরবরাহ করছে। পাশাপাশি উল্লেখ করা হয়, দেশের জ্বালানির চাহিদা প্রতিবছর ২ থেকে ৪ শতাংশ হারে বাড়ছে এবং ২০৩০ সালে তা ৯ থেকে ১০ মিলিয়ন টনে পৌঁছাতে পারে, যার বড় অংশই আমদানিনির্ভর হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকবে ডিজেলের।
চিঠিতে আরও বলা হয়, এই বিপুল পরিমাণ চাহিদা এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার অংশীদার হওয়ার অভিপ্রায়ে বসুন্ধরা গ্রুপ ঢাকার অদূরে কেরাণীগঞ্জে বার্ষিক ২২.১০ লাখ টন উৎপাদন পরিশোধন ক্ষমতাসম্পন্ন রিফাইনারি স্থাপন করেছে। সেখানে উৎপাদিত জ্বালানির মধ্যে ফার্নেস অয়েল ও বিটুমিন নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বাজারজাত করা হচ্ছে এবং ডিজেলসহ অন্যান্য জ্বালানি আপাতত বিপিসিকে সরবরাহ করা হচ্ছে।
বেসরকারি খাতের প্রবেশের বিপক্ষে সুপারিশ
এদিকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনের অনুমতি দেওয়ার আবেদন পর্যালোচনায় বিপিসির ১১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ নির্দেশনা এসেছে ওই কমিটির পর্যালোচনার পর। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত কর্মকর্তারা জানান, কমিটি গত ২১ জুলাই মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দেয়।
এতে এ খাত বেসরকারি অপারেটরদের জন্য উন্মুক্ত না করার সুপারিশ করা হয়। এর পাঁচ দিন পর বিপিসির চেয়ারম্যান রেজানুর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। কমিটির সুপারিশ এবং চেয়ারম্যানকে সরানোর মধ্যে কোনো সম্পর্ক ছিল কি না, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। তবে বিপিসি ও জ্বালানি বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, স্থায়ী নেতৃত্ব না থাকায় মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ নির্দেশনা করপোরেশনের ভেতরে অস্বস্তি তৈরি করেছে।
বিপিসির পরিচালক (পরিকল্পনা) মুহাম্মদ আসাদুল হক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তিনি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার কথা শুনেছেন, তবে এখনো চিঠিটি হাতে পাননি। তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে বিপিসিতে তিনজন পরিচালক রয়েছেন। নীতিমালার খসড়া তৈরির দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে, তা এখনো ঠিক হয়নি।”
জ¦ালানি বিশেষজ্ঞরা বলেন, পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে এর আগে নিয়ন্ত্রক, বাণিজ্যিক ও আর্থিক প্রভাব নিয়ে পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন প্রয়োজন। চার দিনের মধ্যে বাস্তবসম্মতভাবে এমন একটি নীতিমালার খসড়া তৈরি করা সম্ভব কি না, সে প্রশ্নও তোলেন তারা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক বিষয়ই সতর্কভাবে পর্যালোচনা করা দরকার।” সরকারি ও বেসরকারি উভয়পক্ষকে এ খাতে কার্যক্রমের সুযোগ দেওয়া হলে মূল্য নির্ধারণ, প্রতিযোগিতা, বাজারে প্রবেশাধিকার ও বিতরণব্যবস্থা নিয়ে স্পষ্ট কাঠামো থাকা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন জ্বালানি ভর্তুকিও বড় একটি চ্যালেঞ্জ, কারণ দেশে জ্বালানির দাম এখনো পুরোপুরি বাজারভিত্তিক নয়।
তারা বলেন, ভর্তুকি চালু থাকলে বেসরকারি অপারেটররাও তা পাবে কি না এবং পেলে কোন ব্যবস্থায় পাবে, সরকারকে সেটি নির্ধারণ করতে হবে।
এ ধরনের ব্যবস্থা ভারতে রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন । বিদ্যমান ব্যবস্থায় বেসরকারি কোম্পানিগুলো জ্বালানি আমদানিতে অংশ নিতে পারলেও সামঞ্জস্যপূর্ণ বিপণন ও বিতরণ নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে যথেষ্ট সময় লাগবে। আমদানি এক বিষয়, আর বিপণন আরেক। বর্তমান বিতরণব্যবস্থা বহু বছর ধরে গড়ে উঠেছে। বেসরকারি অপারেটরদের জন্য নতুন একটি ব্যবস্থা রাতারাতি তৈরি করা সম্ভব নয়।”
কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা এম শামসুল আলম বলেন, বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর আগে ভোক্তা সুরক্ষা ও জাতীয় স্বার্থ নিশ্চিত করতে শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক কাঠামো থাকা প্রয়োজন। কৌশলগত জ্বালানি অবকাঠামো কার্যকর রাষ্ট্রীয় তদারকির আওতায় থাকা উচিত।
ইস্টার্ন রিফাইনারির সাবেক মহাব্যবস্থাপক মঞ্জার-ই-খোরশেদ আলম চার দিনের সময়সীমাকে অবাস্তব বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন,সরকার অনেক সময় স্বল্প সময়সীমা নির্ধারণ করে, পরে তা বাড়ানো হয়। মাত্র চার দিনে এমন একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রায় অসম্ভব। বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামে চলমান অস্থিরতার মধ্যে এ খাত বেসরকারি অপারেটরদের জন্য উন্মুক্ত করা কতটা বিচক্ষণ হবে, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সভাপতি অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদও প্রস্তাবটির বিরোধিতা করেছেন। তার মতে, বেসরকারি কোম্পানির ওপর নির্ভরতা বাড়ানোর পরিবর্তে জ্বালানি আমদানি ও বিতরণের দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করা উচিত। তিনি সতর্ক করে বলেন, বেসরকারি আমদানিকারকদের ওপর বেশি নির্ভরতা তৈরি হলে জ্বালানি সরবরাহের নিয়ন্ত্রণ কয়েকটি বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, এ খাত উন্মুক্ত করার আগে স্বচ্ছ নীতিমালা, স্পষ্ট জবাবদিহি ব্যবস্থা এবং কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ন্যায্য প্রতিযোগিতা বজায় থাকে এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা সুরক্ষিত থাকে।
জ¦ালানি মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য :
এদিকে গতকাল শনিবার জ¦ালানি মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দেশে নিরবিছিন্ন ও নিরাপদ জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ‘বেসরকারি পর্যায়ে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানিপূর্বক সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন নীতিমালা, ২০২৬’-এর একটি খসড়া প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
প্রস্তাবিত নীতিমালা প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখা। এ ছাড়াও একটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে জরুরি বা সংকটকালীন পরিস্থিতিতে বিদ্যমান সরকারি ব্যবস্থার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সক্ষমতাকে জাতীয় স্বার্থে ব্যবহার করা, এই নীতিমালার লক্ষ্য।
জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ করে নীতিমালাটি চূড়ান্ত করা হবে। জনস্বার্থ, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হলেই এ ধরনের নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। কাজেই এই নীতিমালার মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সুযোগ নেই।
সম্প্রতি প্রস্তাবিত এই নীতিমালা নিয়ে কিছু গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুমান নির্ভর ও অসত্য তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে, যা অনভিপ্রেত। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল আচরণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।