গাজীপুরে পশু খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এমআরকে ম্যানুফ্যাকচারার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড-এর ৪র্থ বার্ষিক বিক্রয় ও বিপণন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার সকালে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের টেকনগপাড়া এলাকার একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মজিবুর রহমান খোকন।
সম্মেলনে বক্তারা খামারিবান্ধব সেবা সম্প্রসারণ, পশু খাদ্যের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে কোম্পানির বিগত বছরের কার্যক্রম, সাফল্য ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন করা হয়। অনুষ্ঠানে সারা দেশ থেকে আগত বিক্রয় প্রতিনিধি ও ডিলাররা অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমআরকে’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মজিবুর রহমান খোকন বলেন, “পণ্য বিক্রি করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য নয়, বরং খামারিদের কাছে সঠিক সেবা পৌঁছে দেওয়া আমাদের আন্তরিক লক্ষ্য। সেবার মান নিশ্চিত করতে আমি দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও গবেষণার আলোকে একটি বই লিখেছি। এই বইটি কেউ মনোযোগ দিয়ে পড়লে তিনি ব্যবসা ও খামার ব্যবস্থাপনায় সফল হতে পারবেন।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই এই বইটি খামারি পর্যায়ে পৌঁছাক, যাতে তারা পশু খাদ্যের সঠিক প্রয়োগ ও পরিচর্যার মাধ্যমে সফল খামারি হতে পারে এবং দেশের পুষ্টি চাহিদা পূরণে অবদান রাখতে পারে।”
সফলতার মূল চাবিকাঠি হিসেবে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন,
“আমার কোম্পানিকে আলাদা করে কিছু দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আপনার নিজের উন্নয়ন, আপনার পরিবারের কল্যাণের জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করুন—তাতেই কোম্পানি এগিয়ে যাবে। আপনি নিজে বাঁচলে, আপনার পরিবার বাঁচলে, এমআরকে আপনাতেই বাঁচবে।”
এমডি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু একটি প্রতিষ্ঠান হওয়া নয়, একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ডে পরিণত হওয়া। এজন্য সবাইকে নেতৃত্বের মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে। কাজের মাধ্যমে উদাহরণ তৈরি করতে হবে। একদিন এমআরকে হবে দেশের সবচেয়ে বড় ও বিশ্বাসযোগ্য পশু খাদ্য ব্র্যান্ড।”
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মো. রাহাত হাসান, সাফিন রহমান নিয়ন,
নির্বাহী পরিচালক (বিক্রয় ও বিপণন), মো. মামুন মিয়া প্রমুখ।
বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এমআরকে ম্যানুফ্যাকচারার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড পেশাদার ব্যবস্থাপনা, মানসম্মত উৎপাদন ও খামারিবান্ধব সেবার মাধ্যমে আগামী দিনে প্রাণিসম্পদ খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।