ক্স অতিরিক্ত চাহিদায় জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রক্রিয়াটা ভেঙে পড়েছে : জ্বালানি মন্ত্রী

ক্স যেখান থেকেই হোক, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

ক্স ভারত থেকে জ্বালানি আমদানি নিয়ে সুখবর দিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

সারা দেশে জ্বালানি সংকট দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে সংকট না থাকার কথা বলা হলেও বাস্তবে তেল পাচ্ছেন না মোটর সাইকেল চালকরা। আর পাম্পের কাছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল না পেয়ে অনেকের আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

যদিও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। হঠাৎ করে বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় সংকট তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে এসে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ডিমান্ড অ্যান্ড সাপ্লাইয়ের মধ্যে একটা গ্যাপ তৈরি হয়েছে। ডিমান্ড বেড়ে গেছে। আমরা একইভাবে সাপ্লাই করতাম সে সাপ্লাই চলছে। ডিমান্ড বেড়ে গেলে সেখানে তো একটু ক্রাইসিস হবে। ক্রাইসিস হচ্ছে, এটা তো সাধারণ জ্ঞান।

জানা গেছে, চলমান ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে দেশে জ্বালানি তেল সরবরাহে বেশ কিছুদিন ধরেই চলছে টানাপোড়েন অবস্থা। ঈদের ছুটি শেষে যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে; সেই সাথে ভোগান্তিও পৌঁছেছে চরমে। বর্তমানে রাজধানীর পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের জন্য রীতিমতো হাহাকার অবস্থা বিরাজ করছে।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশনে তেলের জন্য গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। তবে মিলছে না কাক্সিক্ষত সেই জ্বালানি। ডিপো থেকে তেল আসার কোনো সুনির্দিষ্ট সময় বলতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। একের পর এক পাম্পে ঘুরছে মানুষ, কিন্তু অধিকাংশ জায়গায় ঝুলছে ‘তেল নেই’ লেখা সাইনবোর্ড। সাধারণ মানুষের মধ্যে কাজ করছে দ্রুত তেল কিনে রাখার প্রবণতা। আগামী কয়েকদিন এই সংকট আরও বাড়বে-এমন ধারণা থেকেই অনেকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করতে চাইছেন, যা লাইনের দৈর্ঘ্যকে আরও লম্বা করে তুলছে।

ঈদের ছুটিতে ব্যাংক এবং ডিপো বন্ধ থাকায় পেমেন্ট জটিলতায় সাময়িক সংকট হয়। তবে পাম্প কর্তৃপক্ষ বলছে, ব্যাংকিং কার্যক্রম স্বাভাবিক হলেও মূল সমস্যা দেখা দিয়েছে চাহিদায়। এ দিকে পাম্প মালিকদের দাবি, মানুষ প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত তেল নিচ্ছে তাই স্টক দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।

বন্ধ পেট্রোল পাম্পের সামনেও তেল নিতে দীর্ঘ লাইন

ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও তেল মিলবে কি না সেই বিষয়ে নিশ্চিত নন কোন গ্রাহকই।রাজধানীর অধিকাংশ পাম্প বন্ধ হয়ে গেলেও নিয়মিতভাবে তেল দেওয়া কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল সেনা পরিচালিত ট্রাস্ট ফুয়েল স্টেশন। তবে, মঙ্গলবার চিত্র ভিন্ন।

তেল নিতে আসা গ্রাহকরা বলছেন, সকাল ৯টা পর্যন্ত তেল দেওয়ার কার্যক্রম চালিয়ে তেল নেই জানিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পাম্পটি। ফলে ভোর থেকে অপেক্ষারত মোটরসাইকেল চালকেরা পড়েন ভোগান্তিতে। রাজধানীর আসাদগেট তালুকদার পাম্প এবং এর আগে দুপুর ১টার দিকে বিজয় সরণির ট্রাস্ট ফুয়েল স্টেশন, উত্তর বাড্ডার মক্কা পাম্প ও মহাখালী ইউরেকা এন্টারপ্রাইজ তেল পাম্প ঘুরে অপেক্ষারতদের সঙ্গে কথা বললে তারা বলেন সরকার বলছে তেল আছে আর পাম্প মালিকরা তেল দিতে পারছেন না।

খিলগাঁও এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ সাব্বির খিলগাঁও-বনশ্রী এলাকায় পাম্পে তেল না পেয়ে আসাদগেট পাম্পে এসেছেন। সাব্বির বলেন, তেল নিতে আসছি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে। এসে এই পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম এক ঘণ্টা, কিন্তু লাইন এগোয় না। পরে আমার আরেক বন্ধু ওই পাশের পাম্পে গিয়েছিল। সেখানে সিরিয়াল কম ছিল। এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও যখন লাইন এগোয় না, তখন ওই পাশের পাম্প থেকে আমার বন্ধু আমাকে ডাকে। আমিও সেখানে গিয়ে দুই ঘণ্টা লাইনে থেকে তেল পেয়েছি।

তেলের দাম বাড়তি নেওয়া হচ্ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, তেলের দাম ১২০ টাকাই আছে। তবে আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে, সিরিয়াল অনেক বেশি। তিনি বলেন, খিলগাঁও-বনশ্রী থেকে তেল নিতে এসেছি। ওইদিকে কোনো পাম্পেই তেল নেই। তেল নিতে আসা-যাওয়া করতে গিয়েই আমার এক লিটার তেল শেষ।

ধানমন্ডি থেকে তেল নিতে আসাদগেট তালুকদার ফিলিং স্টেশনে এসেছেন বাইক রাইডার মো. হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা হবে তেল নিতে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছি। এখনো তেল নিতে পারিনি। পরিস্থিতি খুবই খারাপ। আমি রাইডার। যদি তেলের লাইনে বসে থাকতে না হতো, হয়তো এতক্ষণে ৫০০-৬০০ টাকা আয় করতে পারতাম। কিন্তু গাড়িতে তো তেল নেই।

মক্কা পেট্রোল পাম্পের লাইনে অপেক্ষারত মুস্তাফিজ বলেন, দেড় ঘণ্টা আগে লাইনে দাঁড়িয়েছি। সামনে কতগুলো গাড়ি আছে গুনে দেখি এখনও ১২৬ নম্বর সিরিয়ালে আছি। কখন তেল পাব, পাব কি নাতাও বলা যাচ্ছে না।

ট্রাস্ট তেল পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মোটরসাইকেলচালক মিরাজ হোসেন বলেন, সকাল ১০টার আগে থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। অবশেষে পাম্প পর্যন্ত আসতে পেরেছি।

সিরাজ নামের আরেক চালক বলেন, মানুষ ঢাকায় আসবে, পাম্পগুলোতে চাপ আরও বাড়বে। অফিস সময়ে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নেওয়া সম্ভব হবে না, তাই আজ এসেছি। কিন্তু তিন ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাইনি।

মহাখালী ইউরেকা এন্টারপ্রাইজ তেল পাম্পে দাঁড়িয়ে থাকা মোটরসাইকেলচালক রাজু আহমেদ বলেন, দিনটা তেলের লাইনে দাঁড়িয়েই শেষ হয়ে গেলো। সরকার বলছে তেলের সংকট নেই তাহলে পাম্পগুলোর এই অবস্থা কেন? অধিকাংশ পাম্পেই বলা হচ্ছে তেল নেই। অনেক পাম্প তেলের অভাবে বন্ধ।’

এদিকে জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে যে কোনো সময় সারাদেশের পেট্রোল পাম্প বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। রোববার রাতে ফেসবুকে এক বার্তায় এ কথা জানায় সংগঠনটি।

অতিরিক্ত চাহিদায় জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রক্রিয়াটা ভেঙে পড়েছে : মন্ত্রী

গ্রাহকদের অতিরিক্ত চাহিদার কারণে জ্বালানি তেল সরবরাহের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াটা ভেঙে পড়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত আপাতত নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা জানান।

মানুষ লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাচ্ছে না। আপনি কালকেও বলেছেন যে আসলে তেলের সংকট নাই, তাহলে মানুষ তেল পাচ্ছে না কেন- এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সমস্যাটা হচ্ছিল যে সকালবেলা আগে যেমন ট্যাংক-লরি ওরা ভরতো, সারাদিন বিক্রি করেও তেল উদ্বৃত্ত থাকতো। কিন্তু ওরা এ রকম লাইন দিয়ে বিক্রি করার পরে উদ্বৃত্ত থাকে না। আর আমাদের ডিপোগুলো থেকে তেল ট্রাক দিয়ে ভরতে টাইম লাগে, এজন্য সকালবেলা আর্লি মর্নিংয়ে তেল থাকে না, পরে তো থাকে।’

তিনি বলেন, কিন্তু ইউ হ্যাভ টু আন্ডারস্ট্যান্ড ওয়ান থিং। ডিমান্ড আর স্টক তো হঠাৎ করে এ রকম ডিমান্ড বেড়ে গেছে যে যারা নাকি সারাদিনে যে তেল বিক্রি করতো সেই তেল তিন ঘণ্টায় এসে শেষ করে ফেলছে। তো ন্যাচারালি তেল শেষ হয়ে যাবে তো।

‘একটা বিষয় বুঝতে হবে যে হঠাৎ করে মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ছে পেট্রোল পাম্পে, একটা প্রসেসের পেট্রোল পাম্প চলে। আমরা যেভাবে তেল দেই, সেই নিয়মটা এখন ভেঙে পড়েছে। এত ভিড়, প্রতিদিন পেট্রোল পাম্পের যে তেল দেওয়া হয় সেটাই থাকে। কিন্তু গ্রাহক তো বেড়ে গেছে। স্বাভাবিকভাবে তেলে তো লাইন থাকবে, পাবে না, স্বাভাবিক কিছু না। সরকার আবার রেশনিংয়ে যাবে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘এখন এটা বলা আমার পক্ষে সম্ভব না।’

‘আমরা মানুষকে বলেছি আপনারা প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল নিয়েন না। এতে আমরা সরবরাহ ঠিক রাখতে পারব না। তেল আছে আপনারা তেল পাবেন।

আমেরিকা বা আফ্রিকা যেখান থেকেই হোক, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, অর্থনীতির ওপর বৈশ্বিক যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের বিশাল চাপ থাকলেও আমরা বহুমুখী উৎস থেকে জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থা করছি। উত্তর আমেরিকা বা আফ্রিকা যেখান থেকেই হোক, জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। এরইমধ্যে এর অর্থায়নও নিশ্চিত করা হয়েছে। গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ যেন নিরবচ্ছিন্ন থাকে, সে বিষয়ে আমরা অত্যন্ত সচেষ্ট।’

মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে উত্তরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বৈষম্য দূরীকরণ এবং শিল্প বিকাশের লক্ষ্যে কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটের বিসিক শিল্পনগরীসহ বিভিন্ন শিল্প এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি।

ভারত থেকে জ্বালানি আমদানি নিয়ে সুখবর দিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। তা মোকাবিলায় প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে জ্বালানি আমদানি করার বিষয়ে বাংলাদেশ যে আগ্রহের কথা জানিয়েছিল, সে বিষয়ে গ্রিন সিগন্যাল মিলেছে। মঙ্গলবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

ঢাকার বাইরের কয়েকটি জেলার চিত্র :

সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরায় তেলের জন্য সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পর্যাপ্ত তেল মিলছে না। এরপরও মাত্র তিনশো থেকে পাঁচশো টাকার তেল নিতে পারছেন তারা। ভুক্তভোগীরা বলছেন, এভাবে পাম্প থেকে দুই-তিন লিটার তেল কিনতে সারা দিন বা সারা রাত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অন্যদিকে বাইরের দোকানগুলোতে আগে থেকে মজুত করা তেল বিক্রি করছে প্রায় দ্বিগুণ দামে। সেখানে পেট্রোল প্রতি লিটার ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং অকটেন ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি। এতে আয়-বাণিজ্য বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে বলেও জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। যদিও পাম্প মালিকরা বলছেন, ডিপো থেকে যতটুকু পাওয়া যাচ্ছে আমরা তাই বিক্রি করছি।

নওগাঁর ফিলিং স্টেশনগুলোতে সপ্তাহ ধরে তীব্র জ্বালানি সংকট চলছে। পাম্পগুলোতে তেলের জন্য হাহাকার থাকলেও স্থানীয় হাট-বাজারে বোতলে করে দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে পেট্রোল ও অকটেন।

খোজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে ‘তেল নেই’ লেখা নোটিশ ঝুলছে। কিন্তু ২০০ থেকে ৩০০ টাকা লিটার দরে তেল বিক্রি হচ্ছে বাইরের দোকানগুলোতে। সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ, একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট পাম্প থেকে তেল সরিয়ে খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রি করছে। সরকার নির্ধারিত পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং অকটেন ১২০ টাকা দরে বিক্রি হওয়ার কথা।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, প্রশাসনের নীরবতার কারণে অসাধু ব্যবসায়ীরা তেল মজুত করে প্রকাশ্যে চড়া দামে বিক্রি করার সুযোগ পাচ্ছে।

নেত্রকোণা: নেত্রকোনায়ও তেল সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। জেলা শহরের বেশিরভাগ পাম্প বন্ধ থাকায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও মিলছে না তেল। যদিও সংকট কাটানোর আশ্বাস দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এছাড়াও দেশের অন্যান্য জেলায় জ্বালানি তেল সংকটের খবর পাওয়া গেছে।