যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে অবস্থিত জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টসের বহির্ভাগ থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম অপসারণ করা হয়েছে। ফেডারেল আদালত নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করার পর প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এ পদক্ষেপ নেয়।

শনিবার (১৩ জুন) কেনেডি সেন্টারের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আদালতের রায়ের পরই ট্রাম্পের নাম সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম শুরু করা হয়।

প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ম্যাট ফ্লোকা জানান, ট্রাম্পের নামসংবলিত ভবন ও প্রাঙ্গণের সব ধরনের সাইনবোর্ড অপসারণ করা হয়েছে। শনিবার স্থানীয় সময় দুপুর পর্যন্ত ভবনের বাইরের একটি সাইনবোর্ড সাদা ত্রিপল দিয়ে ঢেকে রাখা ছিল। তখনও নাম অপসারণের কাজ চলমান ছিল বলে জানান তিনি।

আদালতের নির্দেশনার পর দ্রুত সময়ের মধ্যেই নাম পরিবর্তনসংক্রান্ত সব চিহ্ন সরিয়ে ফেলার উদ্যোগ নেয় কেনেডি সেন্টার কর্তৃপক্ষ।

কেনেডি সেন্টারের পরিচালনা পর্ষদ শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের নাম অপসারণ ঠেকাতে আদালতে আবেদন করেছিল। তবে বিচারক তা খারিজ করে দেন। ফলে নাম অপসারণের পথ সুগম হয়।

এর আগে গত শুক্রবার (১২ জুন) রাতে শিল্পকলা কেন্দ্রটির বাইরে উৎসুক জনতা জড়ো হয়।

কর্মীরা যখন সাইনবোর্ড খুলে ফেলার জন্য মাচা স্থাপন করছিলেন, তখন উপস্থিত অনেকে উল্লাস প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে হাজারো মানুষ সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে দূর থেকে ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করেন। নির্বাহী পরিচালক ম্যাট ফ্লোকা এক বিবৃতিতে বলেন, বজ্রসহ বৃষ্টির কারণে শ্রমিকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কাজটি বিলম্বিত হয়েছিল। তিনি জানান, কাজটি শনিবার ভোরের দিকে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল।

গত মে মাসে এক রায়ে মার্কিন ডিসট্রিক্ট জাজ ক্রিস কুপার শুক্রবারের মধ্যে ওয়াশিংটনের এই ঐতিহাসিক ভবন থেকে ট্রাম্পের নাম সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন।

২৯ মে’র সেই রায়ে বিচারক কুপার বলেন, জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টসের নাম পরিবর্তনের ক্ষমতা কেবল মার্কিন কংগ্রেসের রয়েছে। রায়ের পর চলতি সপ্তাহের শুরুতেই কেনেডি সেন্টার তাদের ওয়েবসাইট থেকেও ট্রাম্পের নাম সরিয়ে দেয়।