বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে বিল গেটসের কেন অদম্য কৌতূহল

মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী বিল গেটস সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলে ররির সঙ্গে কাটানো একটি পুরোনো স্মৃতির কথা উল্লেখ করে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন। ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, আমার ছেলে এবং আমি বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করতে খুব ভালোবাসতাম। আমরা সবসময় বিশাল যন্ত্রপাতি দেখা এবং কীভাবে বিদ্যুৎ তৈরি হয়, তা শিখে মজা পেতাম। পুরোনো সেই অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে গেটস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উটাহ অঙ্গরাজ্যে নির্মাণাধীন কেপ স্টেশন প্রকল্প তার সেই অনুভূতিকে আবারও জাগিয়ে তুলেছে। পোস্টের সঙ্গে তিনি কেপ স্টেশনের ভেতরের কয়েকটি ছবি শেয়ার করেন, যেখানে সুরক্ষা হেলমেট পরে তাকে প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখতে দেখা যায়।কেপ স্টেশন বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে বড় ভূ-তাপীয় বিদ্যুৎ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার কাজ চলছে। প্রকল্পটি পরিচালনা করছে এনার্জি কোম্পানি ঋবৎাড় ঊহবৎমু। এখানে আধুনিক খনন প্রযুক্তি বা হরিজন্টাল ড্রিলিং ব্যবহার করে প্রায় ১৫ হাজার ফুট গভীর থেকে তাপ আহরণ করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। গেটস নোটস।

ফুটবল টিম সেজে জাপানে পাড়ি!

জাপানের এক বিমানবন্দরে ধরা পড়েছে পাকিস্তানের একটি ভুয়া ফুটবল দল, যাদের আড়ালে লুকিয়ে ছিল একটি সুপরিকল্পিত মানবপাচারের চক্রান্ত। ২২ জন ‘ফুটবলার’ সেজে জাল নথিপত্রে জাপানে প্রবেশের চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তাদের ফেরত পাঠিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।জাপানি ইমিগ্রেশন পুলিশ দ্রুতই বুঝে ফেলে, এই দলটির পরিচয় ও কাগজপত্রে একাধিক অসংগতি রয়েছে। যাচাই-বাছাইয়ের পর জানা যায়, তারা সবাই একটি ভুয়া ক্লাবের সদস্য পরিচয়ে জাপানে প্রবেশের চেষ্টা করছিল।পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এফআইএ) জানায়, অভিযুক্তরা শিয়ালকোট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ‘গোল্ডেন ফুটবল ট্রায়াল’ নামের একটি মনগড়া ক্লাবের সদস্য পরিচয়ে জাপান গিয়েছিল। দলের মূল সংগঠক ছিলেন মালিক ওয়াকাস নামের এক ব্যক্তি, তিনি একটি ভুয়া ফুটবল ক্লাব তৈরি করে লোকজনকে কিছুদিন প্রশিক্ষণ দিয়ে ফুটবলারের মতো আচরণ শেখান।প্রত্যেকের কাছ থেকে নেওয়া হয় প্রায় ৪০ লাখ পাকিস্তানি রুপি (প্রায় ১৩ থেকে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার)। ডন

অস্ট্রেলীয় সাংবাদিকের যে প্রশ্নে চটে গেলেন ট্রাম্প

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক সম্মেলনের সময় অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের (এবিসি) সাংবাদিক জন লায়ন্সের সঙ্গে তীব্র বাকবিত-ায় জড়িয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ঘটনাটি আন্তর্জাতিক পরিসরে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঘটনার সূত্রপাত লায়ন্সের এক প্রশ্নকে ঘিরে। তিনি ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, দ্বিতীয় মেয়াদে জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি কতটা ধনী হয়েছেন। উত্তরে ট্রাম্প বলেন, আমি জানি না আমার সম্পদের অবস্থা কী, কারণ আমার ব্যবসা এখন আমার সন্তানেরা পরিচালনা করছে।তবে প্রশ্নের ধরন নিয়ে চটে গিয়ে ট্রাম্প সাংবাদিক জন লায়ন্সকে বলেন আপনি অস্ট্রেলিয়ার ক্ষতি করছেন। অস্ট্রেলিয়া আমার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। আমি শিগগিরই অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করব এবং লায়ন্সের ব্যাপারে তাকে অবহিত করব।লায়ন্স আরেকটি প্রশ্ন করতে চাইলে, ট্রাম্প আঙুল ঠোঁটে দিয়ে তাকে ‘চুপ’ করতে বলেন এবং অন্য এক সাংবাদিকের দিকে এগিয়ে যান। এই মুহূর্তটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং সমালোচনার ঝড় ওঠে।ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিক জন লায়ন্স বলেন, ন্যায্য প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করাকে বন্ধুত্বের ক্ষতি হিসেবে দেখা অযৌক্তিক। তিনি এবিসিকে জানান, তার প্রশ্নগুলো গবেষণাভিত্তিক ছিল এবং কোনোভাবেই অপমানজনক নয়। দ্য গার্ডিয়ান ও বিবিসি।