তেহরান যদি আবারও পরমাণু কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কার্যক্রম শুরু করে, তাহলে ইরানের ওপর বড় ধরনের হামলা চালানো হতে পারে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সোমবার ফ্লোরিডার মার-আ-লাগোতে নিজের ব্যক্তিগত বাসভবনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সম্প্রতি তিনি তথ্য পেয়েছেন যে ইরান ফের অস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম তৈরি শুরু করেছে।

ট্রাম্প আরও জানান, জুন মাসের সংঘাতের সময় ইরানের যেসব এলাকায় মার্কিন বাহিনী অভিযান চালিয়ে ধ্বংস করেছিল, সেগুলো এখন আর ব্যবহার করা হচ্ছে না; বরং নতুন নতুন স্থানে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

“আমরা জানি ঠিক কোন কোন জায়গায় তারা যাচ্ছে এবং কী কী করছে। আমি আশা করছি তারা যা করছে, তা বন্ধ করবে; কারণ আমরা বি-২ (মার্কিন বাহিনীর ব্যবহৃত কৌশলগত ভারী বোমারু বিমান) বিমানে আর জ্বালানি খরচ করতে চাই না।”

তেহরান যদি এই সতর্কবার্তাকে আমলে না নেয়, তাহলে ফের বড় ধরনের হামলা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সামনে আর কোনো উপায় থাকবে না— উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, “(ইরানে হামলা চালিয়ে ফিরে আসতে) মাত্র ৩৭ ঘণ্টা সময় লাগবে। আমি আবারও বলছি, আমরা বি-২ বিমানে জ্বালানির অপচয় চাই না।”

প্রসঙ্গত, ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরির খুব কাছাকাছি আছে— অভিযোগ তুলে গত ১২ জুন ইরানে বিমান অভিযান পরিচালনা করে ইসরায়েল। এক সপ্তাহ পর সেই অভিযানে যোগ দেয় যুক্তরাষ্ট্রও।

সেই অভিযানে ইরানের পরমাণু প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়, পাশাপাশি সেনাপ্রধান মোহম্মদ বাঘেরিসহ নিহত হন উচ্চপদস্থ বেশ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা এবং অন্তত ১০ জন পরমাণু বিজ্ঞানী।

সূত্র : রয়টার্স