মায়ানমারে ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩৫৪ জন এবং আহত হয়েছে ৪ হাজার ৮৫০ জন আর নিখোঁজ রয়েছে ২২০ জন।
শনিবার ( ৫ এপ্রিল) দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
বিমসটেক সম্মেলন শেষে সামরিক সরকারের নেতা সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং রাজধানী নেপিদোতে ফিরে এসেছেন।
তিনি থাইল্যান্ড, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা এবং ভারতের নেতাদের সঙ্গে পৃথকভাবে সাক্ষাত করেছেন সেখানে।
মায়ানমারের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, মিন অং হ্লাইং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ডিসেম্বরে ‘অবাধ ও সুষ্ঠু’ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জান্তা সরকারের পরিকল্পনা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। মোদি মায়ানমারের গৃহযুদ্ধের সময় ভূমিকম্প-পরবর্তী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী করার আহ্বান জানিয়েছেন এবং বলেছেন, নির্বাচনগুলো বিশ্বাসযোগ্য হওয়া দরকার। গতকাল শুক্রবার ভারতের একজন পররাষ্ট্র বিষয়ক মুখপাত্রেএ কথা জানান।
২০২১ সালে নোবেল বিজয়ী অং সান সু চির নির্বাচিত বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করার পর থেকে, সামরিক বাহিনী মায়ানমার পরিচালনা করতে লড়াই করছে।
অর্থনীতি এবং স্বাস্থ্যসেবাসহ মৌলিক পরিষেবাগুলো ভেঙে পড়েছে এবং ২৮ মার্চের ভূমিকম্পের ফলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়েছে।
জাতিসংঘ বলছে, অভ্যুত্থানের পর সৃষ্ট গৃহযুদ্ধ ৩০ লাখের বেশি মানুষকে বাস্তুচ্যুত করেছে। ব্যাপক খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে এবং জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশেরও বেশি মানুষের মানবিক সহায়তার প্রয়োজন।
জাতিসংঘের সাহায্য প্রধান টম ফ্লেচার শুক্রবার রাতটি ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের কাছে মান্দালয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালেতে কাটিয়েছেন।
তিনি এক্স-এ পোস্ট করে জানিয়েছেন, ‘মানবিক ও সম্প্রদায়গত গোষ্ঠীগুলো সাহস, দক্ষতা এবং দৃঢ়তার সঙ্গে ভূমিকম্পের প্রতিক্রিয়ায় নেতৃত্ব দিয়েছে।’
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনারের কার্যালয় শুক্রবার জানিয়েছে, জান্তা ভূমিকম্প-কবলিত এলাকায় সাহায্য সরবরাহ সীমিত করছে, যেখানে সম্প্রদায়গুলো সেনা শাসনকে সমর্থন করেনি।
সূত্র : রয়টার্স