৪ এপ্রিল, আল জাজিরা : ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার গাজা সিটির তুফ্ফাতে গণহত্যা চালিয়েছে দখলদার ইসরাইল। আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হওয়া একটি স্কুলে চারটি মিসাইল ছুড়েছে দখলদাররা। এতে অন্তত ২৯ জন নিহত ও শতাধিক ফিলিস্তিনী আহত হয়েছেন। শুধুমাত্র একটি আশ্রয়কেন্দ্রে ২৯ জনসহ একদিনে ১০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনীকে হত্যা করেছে ইসরাইলী বাহিনী।

গাজার জরুরি উদ্ধারকারী সংস্থার এক মুখপাত্র সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ইসরাইলের এই গণহত্যা বন্ধে এখনই বিশ্বকে এগিয়ে আসতে হবে। যেন তারা আর কোনো নারী, শিশু এবং বৃদ্ধকে হত্যা করতে না পারে। তিনি বলেন, “এটি শুধুমাত্রই একটি গণহত্যা নয়। এটি ইসরাইলের উন্মত্ততা। তারা আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা নারী ও শিশুদের হত্যার জন্য পাগল। দার আল-আরকাম স্কুলে ইসরাইলী বাহিনী সরাসরি হামলা চালিয়েছে।” ভয়াবহ এ হামলায় আহত হওয়া শতাধিক মানুষকে আল আহলি-আরব হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। উদ্ধারকারী সংস্থার মুখপাত্র আরও বলেন, “এখানে যা হচ্ছে সেটি বিশ্ববাসীর জন্য জেগে ওঠার একটি ডাক। নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ এবং এই গণহত্যা এখনই বন্ধ হওয়া উচিত। শিশুরা এখানে ঠান্ডা মাথায় হত্যার শিকার হচ্ছে।”

আলজাজিরার সাংবাদিক হানি মোহাম্মদ জানিয়েছেন, আজ স্কুল+আশ্রয়কেন্দ্রে যা হয়েছে তা বর্ণনাতীত। হামলাস্থল থেকে যেসব ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গেছে সেগুলো নৃসংসতার প্রতীক। তিনি বলেছেন, হামলার পর পর কয়েকজন ঘটনাস্থলে নিহত হন। বাকিরা হাসপাতালে নেওয়ার পথে বা যাওয়ার পর প্রাণ হারান। যাদের অনেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে নিহত হয়েছেন।

এখানে যারা নিহত হয়েছেন তাদের অনেকে মাত্র কয়েকদিন আগে অন্য জায়গা থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে এখানে এসেছিলেন।