রয়টার্স : ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও শক্তিশালী মোবাইল মিসাইল লঞ্চার মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর পেন্টাগন এ তথ্য জানিয়েছে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারির স্যাটেলাইট ছবির তুলনায় আল-উদেইদ ঘাঁটিতে সামরিক বিমান ও সরঞ্জামের উপস্থিতি বেড়েছে। ১ ফেব্রুয়ারির ছবিতে দেখা যায় একটি আরসি-১৩৫ নজরদারি বিমান, তিনটি সি-১৩০, ১৮টি কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাঙ্কার এবং সাতটি সি-১৭ পরিবহন বিমান, যা পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি। একই সময়ে জর্ডানের মুওয়াফাক ঘাঁটিতে ১৭টি এফ-১৫ই, আটটি এ-১০, চারটি সি-১৩০ ও চারটি হেলিকপ্টার শনাক্ত হয়েছে। সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান ঘাঁটি, ওমানের দুখান, এবং ভারত মহাসাগরের ডিয়েগো গার্সিয়াতেও অতিরিক্ত বিমান মোতায়েনের ইঙ্গিত মিলেছে।

মূলত মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান শক্তিশালী করতে এবং সম্ভাব্য যেকোনও ইরানি হামলা মোকাবিলায় ওয়াশিংটন এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। গত ২০২৫ সালের জুন মাসে দুই দেশের মধ্যে চলা সংঘাতের সময় ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে কাতারের মার্কিন ঘাঁটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল, যা বর্তমান এই নতুন সামরিক বিন্যাসের অন্যতম প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে ইরানের বিপ্লবী গার্ড সতর্ক করে বলেছে, ইরানে হামলা হলে অঞ্চলের যেকোনও মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানালেও কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সম্প্রতি শক্তিশালী মোবাইল মিসাইল লঞ্চার মোতায়েন এবং সামরিক তৎপরতা মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তি ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে।