দ্য গার্ডিয়ান : প্রতিবেদনে ব্রিটিশ গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, ছয়টি স্টক মার্কেটে তালিকাভুক্ত পশ্চিমা ‘সুপার মেজর’ কোম্পানিগুলোর সম্মিলিত বাজার মূল্য যুদ্ধ শুরুর প্রথম দুই সপ্তাহে ১৩০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বেড়েছে।

যুদ্ধের জেরে বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি সরবরাহে সংকট দেখা দেয়। এর জেরে শেয়ার বাজারে রেকর্ডমূল্য নির্ধারিত হয়েছে ইউরোপের বৃহত্তম তেল কোম্পানি শেল এবং মার্কিন তেল কোম্পানি এক্সনমোবিল ও শেভরনের।

সরবরাহের এ সংকট খাতকে বহুবিলিয়ন ডলারের লাভ এনে দিতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি স্থাপনাগুলো হামলা পাল্টা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

কনসালটেন্সি রাইস্ট্যাড এনার্জির মতে, মার্কিন তেল কোম্পানিগুলো ৬৩ দশমিক চার বিলিয়ন ডলারের বৃদ্ধি আশা করতে পারে। পৃথকভাবে, গোল্ডম্যান স্যাকসের বিশ্লেষকরা বিপি ও শেলের জন্য মিলিতভাবে পাঁচ বিলিয়ন পাউন্ডের লাভের পূর্বাভাস দিয়েছেন।

গত শুক্রবার লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে শেলের দাম ১৯০ বিলিয়ন পাউন্ডে উঠে, যা কোম্পানিটির জন্য সর্বোচ্চ। ইরান যুদ্ধ শুরুর আগের দিন অর্থাৎ, ২৭ ফেব্রুয়ারির পর থেকে গত শুক্রবার পর্যন্ত ব্রিটিশ কোম্পানিটির দাম বেড়েছে ১২ শতাংশ।

এদিকে, যুদ্ধ শুরুর পর এক্সন এবং শেভরনের দাম যথাক্রমে বেড়েছে পাঁচ ও সাত শতাংশ। এক্সনের বাজার মূল্য দাঁড়িয়েছে ৬৩০ বিলিয়ন ডলার। আর শেভরনের বাজার মূল দাঁড়িয়েছে ৩৯০ বিলিয়ন ডলার।

ব্রিটিশ তেল কোম্পানি বিপি, ফরাসি কোম্পানি টোটালএনার্জিস এবং ইতালিয় কোম্পানি ইএনআই’র শেয়ারের দামও বেড়েছে। গত দুই সপ্তাহে এ তিন কোম্পানির শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি রেকর্ড করেছে। তবে, এ পর্যন্ত তারা তাদের পূর্বের সর্বকালীন উচ্চ মূল্যের নিচে রয়ে গেছে।