দ্য গার্ডিয়ান, বিবিসি: ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপজুড়ে এই সপ্তাহে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ৮০ জনের প্রণহানি ঘটেছে। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেক মানুষ। সুমাত্রার উত্তরাঞ্চল পুলিশের মুখপাত্র ফেরি ওয়ালিনতুকান জানান, সকালে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬২-তে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন আরো ৯৫ জন। কমপক্ষে ৬৫ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। পাশ্বর্র্বতী পশ্চিম সুমাত্রা প্রদেশেও অন্তত ২২ জনের প্রাণহানি হয়েছে। স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সেখানে এখনো ১২ জন নিখোঁজ আছেন।
গতকাল শুক্রবার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ১৮৩ জনে দাঁড়িয়েছে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং থাইল্যান্ডের বিস্তীর্ণ অংশ এক সপ্তাহ ধরে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টিপাতের কবলে পড়েছে। ফলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই অঞ্চল সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হচ্ছে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং থাইল্যান্ডজুড়ে লাখ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি কমতে শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে এই অঞ্চলের কর্তৃপক্ষ আটকে পড়া নাগরিকদের উদ্ধার, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ পুনরুদ্ধার এবং পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টার সমন্বয় সাধনের জন্য কাজ করছে। কিন্তু কেবল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াই নয় শ্রীলঙ্কায় এই সপ্তাহে ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে কমপক্ষে ৫৬ জন মারা গেছেন এবং ২১ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। শ্রীলঙ্কা শুক্রবার আরো তীব্র আবহাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, কারণ ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়া তার পূর্ব উপকূল বরাবর অগ্রসর হচ্ছে। থাইল্যান্ড সরকার জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের আটটি প্রদেশে বন্যায় এখন পর্যন্ত ৮৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৩৫ লাখ ছাড়িয়েছে।