- যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত
- ট্রাম্পের সামনে দুটি পথ খোলা
- চুক্তিতে ১২০০ কোটি ডলার ফেরতের কথা
সংগ্রাম ডেস্ক : ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার এবং শীর্ষ পরমাণু আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, দেশটির জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে পূর্ণ নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে যাবে না তেহরান। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গতকাল রোববার সকালে অনুষ্ঠিত পার্লামেন্টের একটি ভার্চুয়াল অধিবেশনে গালিবাফ এই মন্তব্য করেন। সম্প্রতি ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর প্রেসিডিয়ামের পাশাপাশি শপথ গ্রহণ করেন তিনি। শপথ অনুষ্ঠান শেষে নিজের বক্তব্যে গালিবাফ মার্কিন প্রশাসনের প্রতি তীব্র অনাস্থা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, শত্রুপক্ষের মৌখিক আশ্বাস বা প্রতিশ্রুতির ওপর আমাদের বিন্দুমাত্র আস্থা নেই। তাই কোনো চুক্তিতে যাওয়ার আগে আমাদের একমাত্র শর্ত হলো দৃশ্যমান ও বাস্তবসম্মত ফলাফল অর্জন করা। তেহরান নিজের প্রতিশ্রুতি পূরণের আগেই এই বাস্তব ফলাফল দেখতে চায় বলে তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো ধরনের দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক সমঝোতায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে ইরানের জনগণের অধিকার রক্ষা এবং বাস্তব অগ্রগতি অর্জনই হবে তেহরানের প্রধান মাপকাঠি। এর বাইরে কোনো ধরনের মৌখিক বা ফাঁকা প্রতিশ্রুতি ইরান সরকার মেনে নেবে না।
আল-জাজিরা, গালফ নিউজ, রয়টার্স, প্রেস টিভি, এএফপি, পিটিআই, ফক্স নিউজ।
যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) আজ রোববার এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সির (ইরনা) বরাতে গালফ নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরানি বার্তা সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, শত্রুতামূলক অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্যে মার্কিন ড্রোনটি ইরানের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল। ড্রোনটিকে দ্রুত শনাক্ত করা হয়। আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে ড্রোনটিকে ভূপাতিত করা হয়।
এর আগে গত মঙ্গলবার আইআরজিসি বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করলে তার জবাব দেওয়ার ‘বৈধ ও সুনিশ্চিত’ অধিকার তারা সংরক্ষণ করে।
একই সঙ্গে তখন আইআরজিসি দাবি করেছিল, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের আকাশসীমায় প্রবেশ করা শত্রুপক্ষের একটি যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে গুলি চালানোর দাবিও করেছে আইআরজিসি। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ চালানোর পর আইআরজিসি এই দাবি করল।
ট্রাম্পের সামনে ইরান ইস্যুতে দুটি পথ খোলা আছে : আইআরজিসি
ইরানকে ঘিরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে ভালো কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) রাজনৈতিকবিষয়ক উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াদোল্লাহ জাভানি। তার ভাষায়, ট্রাম্পকে এখন খারাপ অথবা আরও খারাপ; এই দুই পথের একটিকে বেছে নিতে হবে।
গত শনিবার এক বক্তব্যে জাভানি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের ফলাফল এখন স্পষ্ট এবং যুক্তরাষ্ট্রকে হয় ইরানি জাতির অধিকার ও বাস্তবতা মেনে নিতে হবে, নয়তো আগ্রাসনের পথেই এগোতে হবে।
তিনি দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল কৌশলগত ভুল করেছে। তাদের লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থা উৎখাত করা। তবে সেই লক্ষ্য অর্জনে তারা ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
জাভানি আরও বলেন, বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি ইরানের পক্ষে পরিবর্তিত হয়েছে এবং দেশটি এখন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ওপর প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছে।
তিনি বলেন, অচলাবস্থা নিরসনে ইরান ইতোমধ্যে নিজেদের শর্ত ঘোষণা করেছে এবং এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের।
জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে আইআরজিসির এই কমান্ডার বলেন, সশস্ত্র বাহিনী এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে এ বিষয়ে ঐকমত্য রয়েছে যে, ইরানি জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে; তা আলোচনার মাধ্যমে হোক কিংবা অন্য কোনো উপায়ে।
একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রতিপক্ষ যদি আবারও ভুল হিসাব করে, তাহলে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আরও শক্তিশালী ও কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে।
অবরুদ্ধ ১২০০ কোটি ডলার ফেরতের কথা প্রস্তাবিত চুক্তিতে রয়েছে : ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভির দাবি
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম শনিবার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকে অবরুদ্ধ ১ হাজার ২০০ কোটি মার্কিন ডলারের সম্পদ মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রতিবেদনে সমঝোতা স্মারকের ‘অনানুষ্ঠানিক’ একটি খসড়ার বরাত দেওয়া হয়েছে। তবে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে রাষ্ট্রীয় টিভিতে প্রচারিত একই ধরনের একটি বিষয়কে হোয়াইট হাউস ‘বানোয়াট’ বলে উড়িয়ে দিয়েছিল।
দুপক্ষের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিজস্ব বিস্তারিত বিবৃতির ঠিক এক দিন পর এই তথ্য সামনে এলো। তবে ট্রাম্পের দেওয়া বিবৃতির মূল বিষয়গুলোও একইভাবে ইরানি সূত্র খ-ন করেছে।
গত শনিবার রাষ্ট্রীয় টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ৬০ দিনের মধ্যে ইরানকে তার ১ হাজার ২০০ কোটি ডলারের সম্পদে পূর্ণ প্রবেশাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যাতে এসব সম্পদ কোনো বাধা ছাড়াই ইরানের পছন্দের গন্তব্যের ব্যাংকগুলোতে স্থানান্তর এবং খরচ করা যায়।
শুক্রবার চুক্তির বিষয়ে ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছিলেন, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোনো অর্থের আদান-প্রদান হবে না।’
চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে একটি সূত্র এএফপিকে জানিয়েছিল, ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কাতার সফরকারী একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ছিলেন। ‘অবরুদ্ধ তহবিলের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে তিনি সেখানে যান। চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে সমঝোতা স্মারকে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।’
গত শনিবার রাষ্ট্রীয় টিভির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, তেহরান ‘হরমুজ প্রণালি’ পরিচালনা বা নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রাখবে, যা যুদ্ধের শুরু থেকেই ইরান অবরোধ করে রেখেছে। এর ফলে বিশ্ববাজার অস্থির হয়ে উঠেছে।
শুক্রবার ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরান ‘অবাধ জাহাজ চলাচলের জন্য’ এই প্রণালিটি আবার খুলে দেবে। যুক্তরাষ্ট্র বারবার বলে আসছে, এই গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ পথের ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আমাদের ইরানে যাওয়া উচিত হয়নি : ট্রাম্প
ইরানে মার্কিন বাহিনীর হামলা ও সামরিক অভিযান চালানো উচিত হয়নি বলে স্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তিনি দাবি করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র যদি অভিযান পরিচালনা না করত, তাহলে ইরান এতদিনে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করে ফেলত।
গত শনিবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই স্বীকারোক্তি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সাক্ষাৎকারে ২০০৩ সালে মার্কিন বাহিনীর ইরাকে সামরিক অভিযানেরও সমালোচনা করেছেন তিনি।
শনিবার ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প কবলেন, “আমাদের ইরানে যাওয়া উচিত হয়নি, তবে ইরানের সক্ষমতা আছে। যদি ৯ মাস আগে আমরা তাদের বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে আঘাত না করতাম, তাহলে এতদিনে তারা পরমাণু অস্ত্র তৈরি করে ফেলত আমাদের সামনে সম্পূর্ন ভিন্ন একটি বাস্তবতা হাজির হতো। হয়তো ইসরাইল থাকত না, কিংবা হয়তো মধ্যপ্রাচ্যই থাকত না। তারপর তারা কোথায় যেতো?”
এ প্রসঙ্গে দু’দশকেরও বেশি সময় আগে ইরাকে মার্কিন বাহিনীর হামলার ঘটনা স্মরণ করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ইরাকের কাছে প্রাণঘাতী অস্ত্র আছেÑ অভিযোগ তুলে ইরানের প্রতিবেশী এই দেশটিতে ২০০৩ সালে সামরিক অভিযানের নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ জেআর। সে সময় ইরাকের প্রেসিডেন্ট ছিলেন সাদ্দাম হোসেন।
তবে পরবর্তীতে প্রমাণিত হয়েছে যে প্রেসিডেন্ট বুশের এই দাবি ভুল ছিল। ইরাকে কোনো প্রাণঘাতী অস্ত্রের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
“আপনি ইরাকের দিকে তাকান। আমরা সেখানে খুব খারাপ কিছু করেছিলাম। ইরাকে আমরা যা করেছিলাম, তা ছিল চরম বোকামির একটি কাজ। সেখানে শুরুতেই হামলা করা আমাদের উচিত হয়নি।”
ইরান পারমাণবিক অস্ত্র না বানানোর বিষয়ে সম্মত হয়েছে: পুত্রবধূকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের দাবি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ‘খুব ভালো একটি চুক্তির’ কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। তবে ওয়াশিংটন যা চায়, তা না পেলে তারা ‘অন্য উপায়ে যুদ্ধের ইতি টানবে’। গতকাল শনিবার রাতে ফক্স নিউজে সম্প্রচারিত তার পুত্রবধূ লারা ট্রাম্পকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা একটি খুব ভালো চুক্তির কাছাকাছি আছি। আপনি যদি তাড়াহুড়া করেন, তবে ভালো চুক্তি করতে পারবেন না। ধীরে ধীরে কিন্তু নিশ্চিতভাবেই আমরা যা চাই তা-ই পাচ্ছি। আর আমরা যা চাই, তা যদি না পাই, তবে আমরা অন্য উপায়ে এর সমাপ্তি টানব।’
ট্রাম্প বলেন, ইরানিরা ‘ভালো আলোচক’ (নেগোশিয়েটর)। তবে তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে এখন ‘সব তাস’ (সুবিধা) রয়েছে। কারণ, ইরান ‘সামরিকভাবে পরাজিত’ হয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘তবে আমরা একটি খুব ভালো চুক্তির কাছাকাছি আছি। আমরা যদি এটি করতে পারি, ভালো। অন্যথায় আমরা যুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের (ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার) মাধ্যমে আবার শুরু করব, আমরা যেভাবে এটিকে ডেকে থাকি।’
ট্রাম্প বলেন, ইরানিরা জানিয়েছিল তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না। কিন্তু তিনি পাল্টা প্রশ্ন তুলেছিলেন, তারা যদি অন্য কোথাও থেকে একটি কিনে নেয়, তবে কী হবে।
ফক্স টিভিতে পুত্রবধূর সঙ্গে সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি বলেছিলাম, আচ্ছা আপনারা যদি পারমাণবিক অস্ত্র কিনে নেন, তবে কী হবে? তাই, এখন চুক্তিতে বলা হয়েছে, আমরা সামরিক অস্ত্র তৈরি করব না বা কোনোভাবেই তা ক্রয় করব না। এটি একটি বড় পার্থক্য।’
ইরানের সঙ্গে প্রস্তাবিত চুক্তিতে আরও কঠোর শর্ত চান ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ অবসানে প্রস্তাবিত চুক্তির বেশ কয়েকটি শর্ত পরিবর্তনের চেষ্টা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির কয়েকটি সংবাদমাধ্যম গত শনিবার এ খবর জানিয়েছে। অবশ্য প্রস্তাবিত চুক্তি নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে এখনো চূড়ান্ত কোনো সমঝোতা হয়নি।
শনিবার নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েকটি শর্ত কঠোর করার মধ্য দিয়ে ট্রাম্প প্রস্তাবিত চুক্তিতে কিছু পরিবর্তন এনেছেন। সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার সম্পর্কে অবগত আছেন এমন কর্মকর্তারা বলেন, নতুন কাঠামোটি বিবেচনার জন্য আবার ইরানের কাছে পাঠানো হয়েছে।
তবে কী কী পরিবর্তন আনা হয়েছে, সে বিষয়গুলো তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প চুক্তির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আরও কঠোর করতে চেয়েছেন, যেগুলো তিনি ব্যক্তিগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক উপকরণ কীভাবে ব্যবস্থাপনা করা হবে, সেটিও অন্তর্ভুক্ত।
নতুন এ সব পরিবর্তন দুপক্ষের মধ্যে আলোচনাকে আরও দীর্ঘায়িত করতে পারে। ফলে চুক্তিটি শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের অবসান ঘটাবে কি না সে বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আরও সময় লাগবে।