ইরান প্রথমবারের মতো সৌদি আরবের একটি তেলের খনি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছিল। তবে সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম) হামলাকারী ড্রোনগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছার আগেই ধ্বংস করে দেয়।
এছাড়া ইরান সৌদিতে থাকা প্রিন্স সুলতান এয়ারবেইস বিমান ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লেও, সৌদির এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সেটিও ধ্বংস করতে সক্ষম হয়।
গতকাল শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ‘শায়েবাহ খনি লক্ষ্য করে ছোড়া ড্রোন হামলা ব্যর্থ হয়েছে। ৬টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ধেয়ে আসা একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও ধ্বংস করা হয়েছে।’
ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।
হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।
সূত্র : এএফপি