ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে আজ মঙ্গলবার দুপুরে এক মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)-এর তথ্যমতে, ৪.৪ মাত্রার এই কম্পনটি স্থায়ী ছিল প্রায় ৫১ সেকেন্ড।

ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ভারতের অভ্যন্তরে হলেও এর প্রভাব এবং ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলগুলোতেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

বাংলাদেশ সময় আজ দুপুর ১২টা ৩৮ মিনিটে এই কম্পন অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল মণিপুরের ওয়াংজিং শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার পূর্বে।

উল্লেখ্য যে, এই এলাকাটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে মাত্র ৪২০ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্ব দিকে অবস্থিত। মাটির প্রায় ৯৪.১ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়েছিল।

উৎপত্তিস্থলে কম্পনের স্থায়িত্ব প্রায় এক মিনিটের কাছাকাছি হলেও এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভূমিকম্পের গভীরতা ৯৪ কিলোমিটারের বেশি হওয়ায় এর ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা ভূপৃষ্ঠে অনেকটা কম অনুভূত হয়েছে। সাধারণত ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি ভূমিকম্প হলে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা অনেক বেশি থাকে।

ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন এই অঞ্চলটি ভূতাত্ত্বিকভাবে অত্যন্ত সক্রিয় এবং ভূমিকম্পপ্রবণ হিসেবে পরিচিত।

গত কয়েক মাসে এই অঞ্চলে ছোট ও মাঝারি মাত্রার বেশ কয়েকটি কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে, যা বড় কোনো ভূমিকম্পের পূর্বাভাস কিনা তা নিয়ে উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ।