ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। তাঁর মৃত্যুর পর সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তিন সদস্যের একটি পরিষদ গঠন করা হয়েছে। এই পরিষদে রয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিল-এর একজন আইনবিদ সদস্য।
রোববার (১ মার্চ) ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ এ তথ্য জানায়।
এদিকে বিবিসি জানিয়েছে, খামেনির মৃত্যুর পর দেশের পরিবর্তনকালীন সময় তত্ত্বাবধান করবেন এই তিন শীর্ষ কর্মকর্তা। গার্ডিয়ান কাউন্সিল ইরানের আইন যাচাই-বাছাই ও নির্বাচন তদারকির দায়িত্বে থাকা একটি প্রভাবশালী সাংবিধানিক সংস্থা।
সংবিধান অনুযায়ী, এখন নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের দায়িত্ব পড়েছে অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস-এর ওপর। আলেমদের এই পরিষদকে যত দ্রুত সম্ভব নতুন সর্বোচ্চ নেতা নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তবে বাস্তব পরিস্থিতি জটিল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকায় দেশজুড়ে পরিষদের সদস্যদের দ্রুত একত্রিত করা কঠিন হতে পারে।
ইরানের ইতিহাসে এমন পরিস্থিতি আগেও দেখা গেছে। ১৯৮৯ সালে রুহুল্লাহ খোমেনি-র মৃত্যুর দিনই আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। খামেনি ১৯৬২ সালে খোমেনির ধর্মীয় আন্দোলনে যুক্ত হন। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর তিনি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।