তৌহিদুর রহমান
আবদুল মান্নান সৈয়দের জীবন বহুদূর বিস্তৃত। আমরা তাঁকে একজন কর্মবীর বলে মনে করি। বহু বিচিত্র পথে তিনি পদচারণা করেছেন। তিনি একাধারে ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ এবং আপাদমস্তক একজন লেখক। দিগন্ত বিস্তৃত সোনালি-রূপালি আলোয় ঝলমলে তাঁর সাহিত্য সম্ভার। সাহিত্যের সকল শাখায় তিনি হেঁটেছেন অত্যন্ত দাপটের সাথে। তাঁর এই বিশাল-বহুমুখী-বহুধাবিস্তৃত রচনাসম্ভারকে ‘বহুতল বিশিষ্ট ইমারত’-এর সাথে তুলনা করেছেন অনেকেই। যে ইমারতের প্রতিটি কক্ষই আলাদা, স্বাধীন, স্বতন্ত্র এবং মণি-মুক্তা খচিত।
অনেক বছর আগে থেকেই আবদুল মান্নান সৈয়দের লেখার সাথে আমার পরিচয় ছিল। সত্তুরের দশকের কিছু প্রতিভাবান কবি বাংলা কবিতায় সম্পূর্ণ নতুন ও বৈচিত্র্যপূর্ণ কাব্যধারা সৃষ্টির জন্য বিস্তর নিরীক্ষণ শুরু করেন। আমরা মনে করি আবদুল মান্নান সৈয়দ তাদের মধ্যে অন্যতম। আবদুল মান্নান সৈয়দ তাঁর কবিতায় বিভিন্ন আবহের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অনুশীলনের ছাপ রেখেছেন। কবিতায় তিনি নানা রঙের ব্যবহার করেছেন অবলীয়ায়। কবিতার আকাশে তিনি একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসাবে পাঠকের মনে অবস্থান করবেন বহুযুগ ধরে। এছাড়া সত্তুরের দশকের সাহিত্য মেলায় অন্য যাঁরা বিশেষভাবে উজ্জ্বল তাঁরা হলেন, আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ (১৯৪০-), আফজাল চৌধুরী (১৯৪২-২০০৪), রফিক আজাদ (১৯৪১-২০১৬), আসাদ চৌধুরী (১৯৪৩-২০২৩), তিতাশ চৌধুরী (১৯৪৫-), আবু কায়সার (১৯৪৫-), সাযযাদ কাদির (১৯৪৭-), আবুল হাসান (১৯৪৭-৭৫), ফরহাদ মাজহার (১৯৪৭-) প্রমুখ।
যাহোক, সাহিত্যের মাঠে আবদুল মান্নান সৈয়দ ছিলেন একজন সফল নায়ক। তাঁর বিশাল লেখালেখির ভাণ্ডার পাঠ করার সৌভাগ্য আমার এখনো পর্যন্ত না হলেও তাঁর বিভিন্ন রকমের সাহিত্য পাঠ করে আমি অতিশয় অবাক হয়েছি। এত বিশাল বিস্তৃত পরিসরে যিনি নীরবে নিভৃতে কাজ করে গেছেন, তা বড় পরিসরে তালিকাবদ্ধ অবস্থায় আমাদের জানা থাকা আবশ্যিক। এ পর্যন্ত বাংলা একাডেমি থেকে আবদুল মান্নান সৈয়দের রচনাবলীর মোট ৮টি খণ্ড প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর জীবন ও কর্মের ওপর পরিপূর্ণ একটা আলেখ্য আমি এখানে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। উল্লেখ্য যে, এই তথ্যের প্রায় সবটুকুই আমি লেখক থেকে সংগ্রহ করেছি। এজন্য আমি সবিনয়ে মরহুম আবদুল মান্নান সৈয়দের কাছে কৃতজ্ঞ। লেখকের সহধর্মিনীর কাছ থেকেও অনেক তথ্য পেয়েছি। এ ছাড়া জাহিদা মেহেরুননেসার কাছেও আমি যারপরনাই ঋণী, কারণ তার কৃত পুস্তিকাও এক্ষেত্রে যথেষ্ট সহায়ক হয়েছে।
যাহোক, মান্নান সৈয়দের গুরুত্ব বাংলা সাহিত্যে যুগযুগান্তরের পথ পাবে বলে আমাদের বিশ্বাস। তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ সত্যের মতো বদমাশ একটি অসাধারণ গল্পগ্রন্থ। যদিও এটি ষাটের দশকে লেখা, তবু গল্পের আঙ্গিকে রয়েছে আধুনিক রীতির ছাপ। বর্তমান বিশ্বসাহিত্যের উল্লেখযোগ্য লেখকদের লেখার বৈশিষ্ট্য হলো আত্মদর্শন। তাঁর ‘সত্যের মতো বদমাশ’ গল্পগ্রন্থে ষাটের দশকেই তার প্রমাণ অত্যন্ত সুস্পষ্ট। এর পরেও তিনি অসংখ্য গল্প লিখেছেন। কথা-সাহিত্যের ক্ষেত্রে তিনি জীবনের গভীরে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছেন। সব ধরনের পাঠকের জ্ঞাতার্থে লেখকের কর্মময় জীবনের পরিপূর্ণ একটি চিত্র উপস্থাপন করা হলো।
জন্ম ও পরিচিতি:
আবদুল মান্নান সৈয়দ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের চব্বিশ পরগণা জেলার বশিরহাট মহকুমার জালালপুর গ্রামে ১৮ শ্রাবণ ১৩৫০, ৩ আগস্ট ১৯৪৩-এ জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আলহাজ সৈয়দ এ. এম. বদরুদ্দোজা (১৯১০-১৯৮৯), মাতার নাম আলহাজ কাজী আনোয়ারা মজিদ (১৯২০-২০০৩)।
পড়ালেখা:
পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগণা জেলার বশিরহাট মহকুমার জালালপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া শুরু করেন। সেখানে তিনি পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। তারপর দেশবিভাগের পর ১৯৪৭ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় শিক্ষাজীন শুরু করেন। ১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ পাশ করেন।
কর্মক্ষেত্র:
আবদুল মান্নান সৈয়দ একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট এমসি কলেজসহ দেশের অনেক স্বনামখ্যাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিনি শিক্ষকতা করেছেন। নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ছিলেন কয়েক বছর। সর্বশেষ নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির স্কলার-ইন-রেসিডেন্স ছিলেন।
লেখালেখি:
অনেকের মতো কবিতার হাত ধরেই লেখলেখির জগতে প্রবেশ আবদুল মান্নান সৈয়দের। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘জন্মান্ধ কবিতাগুচ্ছ’ প্রকাশিত হয় ১৯৬৭ সালে। তবে কেবল কবিতা নিয়েই থেমে থাকেননি, কবিতার পাশাপাশি সাহিত্যের সর্বক্ষেত্রে তাঁর পদচারণা। কবিতা, গল্প, নাটক, প্রবন্ধ, স্মৃতিকথা, জীবনী ইত্যাদি বিষয়ে অনেক বই লিখেছেন। যে সামান্য ক’জন লেখক সমালোচক সাহিত্যের ক্ষেত্রে অসম্ভব অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছেন আবদুল মান্নান সৈয়দ তাদের মধ্যে অন্যতম। সম্পাদনাও তাঁর কর্মক্ষেত্রের বিশেষ অংশ জুড়ে রয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় শতাধিক গ্রন্থ সম্পাদনা করেছেন তিনি। এর মধ্যে নজরুল-রচনাবলী, ফররুখ-রচনাবলী, মোহাম্মাদ ওয়াজেদ আলী-রচনাবলী, শ্রেষ্ঠ কবিতা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত, কবি গোলাম মোহাম্মদ রচনাসমগ্র ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এছাড়া ১১টি পত্র-পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন বিভিন্ন সময়। এর মধ্যে যেমন লিটলম্যাগ আছে তেমনি আছে প্রাতিষ্ঠানিক পত্রিকা। রেডিও টিভিতেও সমালোচনা সাহিত্যসহ সমসয়িক অনেক বিষয়ে আলোচনা করেছেন। দিয়েছেন অনেক বক্তৃতা। ঢাকা বিশ্বাবিদ্যালয়, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বহু বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা, অভিভাষণ ও লিখিত প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন এবং কলকাতা সাহিত্য একাডেমিতে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রেখেছেন অনেকবার। বাংলাদেশ ও পশ্চিম বাংলার কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর কয়েকটি গ্রন্থ রেফারেন্স গ্রন্থ হিসেবে পড়ানো হয়। ইংরেজি, ফরাসি, হিন্দি, উর্দু, জাপানি, সুইডিস প্রভৃতি ভাষায় তাঁর একাধিক লেখা অনূদিত হয়েছে। আমেরিকার শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাচ্য সাহিত্যের নিদর্শন হিসাবে তাঁর একটি গল্প পড়নো হয়। গল্পটির নাম ‘অধঃপতন-The Fall’। ব্যাপক গবেষণা করেছেন, কাজী নজরুল ইসলাম, জীবনানন্দ দাস, মানিক বন্দ্যেপাধ্যায়, কায়কোবাদ, শাহাদাৎ হোসেন, মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী, ফররুখ আহমদ, সিকান্দার আবু জাফর প্রমুখকে নিয়ে। তাঁর গবেষণার মূল ক্ষেত্র আধুনিক বাংলা সাহিত্য। কাজী নজরুল ইসলাম, জীবনানন্দ দাস, ফররুখ আহমদকে নিয়ে তিনি সর্বাধিক কাজ করেছেন। বিভিন্ন বিষয়ে রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থ সংখ্যা দেড়শতাধিক। ভূমিকাও লিখেছেন অসংখ্য গ্রন্থের। সাহিত্যের বাইরে লেখকের আগ্রহ আছে চিত্রকলার ক্ষেত্রে। ‘বিংশ শতব্দীর শিল্প- আন্দোলন’ বিষয়ে লেখকের একটা উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।
আগেই বলেছি সাহিত্যের সকল শাখায় অবদান রেখেছেন মান্নান সৈয়দ। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, সমালোচনা সাহিত্য, স্মৃতিকথা, সম্পাদনা ইত্যাদি বিষয়ে এ পর্যন্ত যা পাওয়া গেছে, তার মোটামুটি বিষয়ভিত্তিক একটা তালিকা এখানে তুলে ধরা হলো। এ কাজ জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং সাহিত্যসেবীদের জন্যও অপরিহার্য বলে মনে করি। এ লেখার ভেতরে অনেক অসম্পূর্ণতা থাকতেই পারে। লেখকের ওপর তথ্যধর্মী আরো কাজ ক্রমশ বিস্তৃত হবে বলে আশা করি। লেখকের প্রকাশিত গ্রন্থাবলির তালিকা নিম্নরূপ।
কবিতা: জন্মান্ধ কবিতাগুচ্ছ (১৯৬৭), জ্যোৎস্না-রৌদ্রের চিকিৎসা (১৯৬৯), মাতাল মানচিত্র (১৯৭০, অনুবাদ-কবিতা), ও সংবেদন ও জলতরঙ্গ (১৯৭৪), নির্বাচিত কবিতা (১৯৭৫), কবিতা কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড (১৯৮২), পরাবাস্তব কবিতা (১৯৮২), পার্ক স্ট্রিটে এক রাত্রি (১৯৮৩), মাছ সিরিজ (১৯৮৪), বিদেশি প্রেমের কবিতা (১৯৮৪, অনুবাদ-কবিতা), পঞ্চশর (১৯৮৭), শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৮৭), আমার সনেট (১৯৯০), সকল প্রশংসা তাঁর (১৯৯৩), নীরবতা গভীরতা দুই বোন বলে কথা (১৯৯৭), নির্বাচিত কবিতা (২০০১), কবিতাসমগ্র (২০০২), কবিতার বই (২০০৬), হে বন্ধুর বন্ধু হে প্রিয়তম (২০০৬)।
ছোটগল্প: সত্যের মতো বদমাশ (১৯৬৮), বলো যাই পরোক্ষে (১৯৭৩), মৃত্যুর অধিক লাল ক্ষুধা (১৯৭৭), নির্বাচিত গল্প (১৯৮৭), উৎসব (১৯৮৮), নেকড়ে হায়েনা আর তিন পরী (১৯৯৭), গল্প (২০০৪), মাছ মাংস মাৎসর্যের রূপকথা (২০০১), নির্বাচিত গল্প (২০০২), শ্রেষ্ঠ গল্প (২০০৭)।
উপন্যাস: পরিপ্রেক্ষিতের দাসদাসী (১৯৭৪), কলকাতা (১৯৮০), পোড়ামাটির কাজ (১৯৮২), অ-তে অজগর (১৯৮২), সে সংসার হে লতা (১৯৮২), গভীর গভীরতর অসুখ (১৯৮৩), প্রবেশ (১৯৯৪), ক্ষুধা প্রেম আগুন (১৯৯৪), শ্যামলী তোমার মুখ (১৯৯৭), শ্রাবস্তীর দিনরাত্রি (১৯৯৮), ভাঙা নৌকা (২০০৬)।
প্রবন্ধ গ্রন্থ: শুদ্ধতম কবি (১৯৭২), জীবনানন্দ দাশের কবিতা (১৯৭৪), নজরুল ইসলাম : কবি ও কবিতা (১৯৭৭), করতলে মহাদেশ (১৯৭৯), দশ দিগন্তের দ্রষ্টা (১৯৮০), বেগম রোকেয়া (১৯৮৩) ছন্দ (১৯৮৫), সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ (১৯৮৬), নজরুল ইসলাম : কালজ কালোত্তর (১৯৮৭), চেতনায় জল পড়ে শিল্পের পাতা নড়ে (১৯৮৯), পুনর্বিবেচনা (১৯৯০), দরোজার পর দরোজা (১৯৯১), ফররুখ আহমদ : জীবন ও সাহিত্য (১৯৯৩), বিবেচনা-পুনর্বিবেচনা (১৯৯৪), বাংলা সাহিত্যে মুসলমান (১৯৯৮), রবীন্দ্রনাথ (২০০১), আধুনিক সাম্প্রতিক (২০০১), নজরুল ইসলামের কবিতা (২০০৩)।
জীবনী গ্রন্থ: শাহাদাৎ হোসেন (১৯৮৭), জীবনান্দ দাশ (১৯৮৮), ফররুখ আহমদ (১৯৮৮), আবদুল গনি হাজারী (১৯৮৯), সৈয়দ মুর্তাজা আলী (১৯৯০), মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী (১৯৯৪), প্রবোধচন্দ্র সেন (১৯৯৪)।
কিশোর গ্রন্থ: বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) (২০০২), ভুতুড়ে কাণ্ড (২০০২)।
আত্মজীবনী: আমার বিশ্বাস (১৯৮৪), স্মৃতির নোটবুক (২০০০), সম্পাদকের কলমে (২০০৬)।
নাটক: নাট্যগুচ্ছ (১৯৯১), নাব্যসমগ্র (২০০৯)।
সম্পাদিত গ্রন্থ: ফররুখ আহমদের শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৭৫), ফররুখ-রচনাবলী (প্রথম খণ্ড ১৯৭৯), ইসলামী কবিতা : শাহাদাৎ হোসেন (১৯৮৩), শাহাদাৎ হোসেনের ইসলামী কবিতা (১৯৮৮), সমালোচনা সমগ্র : জীবনানন্দ দাশ (১৯৮৩), জীবনানন্দ (১৯৮৪), জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৮৬), জীবননন্দ দাশের পত্রাবলি (১৯৮৭), বাংলাদেশের কবিতা (১৯৮৮), বাংলাদেশের ছড়া (১৯৮৮), মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন স্মৃতি অ্যালবাম (১৯৮৮), জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ গল্প (১৯৮৯), সমর সেনের নির্বাচিত কবিতা (১৯৮৯), মোহিতলাল মজুমদারের নির্বাচিত কবিতা (১৯৮৯), তোরা সব জয়ধ্বনি কর (১৯৮৯), ফররুখ আহমদের (১৯৯০), সুধীন্দ্রনাথ দত্তের সুনির্বাচিত কবিতা (১৯৯০), বুদ্ধদেব বসুর সুনির্বাচিত কবিতা (১৯৯০), সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের সুনির্বাচিত কবিতা (১৯৯০), আবদুস সাত্তার : জীবন ও সাহিত্য (১৯৯০), মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী-রচনাবলী (প্রথম খণ্ড ১৯৯০, দ্বিতীয় খণ্ড ১৯৯২), আবু হেনা মোস্তফা কামাল স্মারকগ্রন্থ (১৯৯১), শ্রেষ্ঠ কবিতা : মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৯৯২), নির্বাচিত কবিতা : ফররুখ আহমদ (১৯৯২), নজরুল-রচনাবলী (প্রথম খণ্ড থেকে চতুর্থ খণ্ড, ১৯৯৩), প্রকাশিত-অপ্রকাশিত কবিতাসমগ্র : জীবনানন্দ দাশ (১৯৯৪), প্রেমেন্দ্র মিত্রের শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৯৪), অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৯৪), কায়কোবাদ-রচনাবলী (প্রথম খণ্ড ১৯৯৪, দ্বিতীয় খণ্ড ১৯৯৪, তৃতীয় খণ্ড ১৯৯৫, চতুর্থ খণ্ড ১৯৯৭), (চলবে)