নোমান সাদিক

অনুবাদ একটা দুরুহ ব্যাপার। বলা চলে অসম্ভব। কেননা একটি ভাষা এবং এ ভাষার কবি তার জীবন অভিজ্ঞতা প্রকৃতি সময় আবেগ অনুভূতিকে যে রং যে শব্দ যে অর্থ দিয়ে প্রকাশ করে, তার বহু বছর পর অন্য ভাষার অন্য সময় অন্য প্রকৃতি প্রেক্ষাপটে অন্য একজন মানুষ কখনোই তাকে হুবহু দূরের কথা শতকরা ৫০ ভাগও উপস্থাপন করতে সক্ষম নয়। যদি কেউ বলে এমনটা তবে হয় সে জানে না অথবা মিথ্যুক। কাজ করতে গিয়ে কষ্ট পেয়েছি এই যে, ইংরেজি সাহিত্যের আমাদের দেশে ব্যাপক অনুবাদ। ফারসি, উর্দুও কম না। আরবি সম্পর্কে বলা যায়- সবচেয়ে বেশি অনুবাদ হয়েছে কোন ভাষা? এই প্রশ্নের উত্তর সম্ভবত ইংরেজি এবং আরবি।

কিন্তু দুঃখজনক, ইংরেজি ভাষার সব ধরনের লেখাই অনূদিত হয় আর আরবি ভাষার ধর্মীয় বই পুস্তক ব্যতীত তেমন হয় না। বাংলাদেশের কপাল খারাপ। সেক্যুলার সম্প্রদায়ের মধ্যে আরবি বিদ্বেষ রোগের পর্যায়ে। আর নন সেক্যুলারদের মধ্যে আছে অজ্ঞতা। আরেকটা ব্যাপার হলো- মাদ্রাসার শিক্ষক-ছাত্র কিংবা আরবি ভাষার প্রতি যাদের ভালোবাসা আছে, ধর্মীয় ভাব যারা ধারণ করেন তারা কেবল ফতোয়া, মাসায়েল বেশি থেকে বেশি হলে ইতিহাসের গ্রন্থগুলো তরজমা করে থাকেন। অথচ সাহিত্যের প্রয়োজন রয়েছে। আরবদের যে সাহস, বিপ্লবী চিন্তাধারা, ত্যাগ, অনুভূতি, প্রজ্ঞা, পথে-প্রান্তরে পাওয়া অভিজ্ঞতাগুলো এখনো কেমন জীবন্ত তা যদি আমরা পাঠ না করি, বাংলা ভাষায় তার স্বাদ বা আবহের সামান্যতম না আনতে পারি, তরুণ প্রজন্মকে দেখাতে না পারি, কবি সাহিত্যিকরা তা থেকে কিছু নিতে না পারে তাহলে আরবি সাহিত্যের কোন ক্ষতি নেই- ক্ষতি আমাদেরই।

ভুলে গেলে চলবে না- কোন ভাষা কোনো জাতি কবিতায় এতটা উৎকর্ষে যেতে পারে নাই যতটা আরবের কবিরা এবং আরবি ভাষা সাহিত্য গিয়েছে। আরবরাই একমাত্র জাতি যাদের বেশিরভাগ কবিরা দীর্ঘ সময় ব্যাপী শুধুমাত্র কবিতা লিখে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করেছেন। অনেকে অগাধ সম্পত্তির মালিক হয়েছেন, প্রিয় নারীকে পেয়েছেন, দেশ-বিদেশে খ্যাতি পেয়েছেন।

প্রাচীন জাহিলি যুগে কবিতা লিখে কবিরা ব্যাপক পুরস্কার নিতেন। সেগুলো দিয়ে স্বচ্ছল জীবন কাটাতেন।

যখন ইসলাম বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ল এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে ইসলামী রাষ্ট্র শক্তিশালী হয়ে উঠলো তখন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু কবিদেরকে মাসিক মোটা ভাতা দিতেন। অন্যদের মতো এমনকি লবিদ ইবনে রাবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুকে তার ভাতা দেড় গুণ বা দুই গুণ বাড়ান। উমাইয়া যুগে কবিদেরকে উট বোঝাই সম্পদ দেওয়া হতো।

আব্বাসী যুগে স্বর্ণের বিনিময়ে কবিতার বই মূল্যায়ন করা হতো। কি মুঘল কি স্পেনের কর্ডোভা কি বাংলার সালতানাত কি উসমানী! সর্বত্র সাহিত্যের যে মূল্যায়ন ও পৃষ্ঠপোষকতা তার শুরু হয়েছিল আরবে।

শাহনামা আর্থিক দিক থেকে সবচেয়ে দামি সাহিত্যকর্ম হলেও মাহমুদ গাজনাবী আব্বাসীদের দেখেই শিল্প-সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতা শিখেছেন। আর কোন ভাষার কবিরা আরবদের মতো সম্পদ উপার্জন করতে পারেনি।

আরবি ভাষা ও আরবদের কবিতাপ্রিয়তার এ এক নজির যা হয়তো কেউ কখনো টপকে যেতে সক্ষম হবে না। ইসলাম ও কবিতার সম্পর্ক কতখানি?

মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন- ‘তুমি কি দেখো না তারা (কবিরা) উদভ্রান্ত হয়ে উপত্যাকায় ঘুরে বেড়ায় এবং তারা যা বলে তা করে না? কিন্তু তাদের (কবিদের) কথা ভিন্ন যারা ইমান আনে ও ভালোকাজ করে এবং আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করে এবং অত্যাচারিত হলে প্রতিশোধ গ্রহণ করে। অত্যাচারীরা শীঘ্রই জানবে যে তারা কোথায় প্রত্যাবর্তন করবে।’ ( সুরা আশ্শুয়ারা): ২২৫-২২৭ ]

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তা’আলা কবিদের নামে একটি সূরা নাযিল করেছেন এবং বিভিন্ন সূরাতে কবিতার বিষয়গুলো বারবার তুলে এনেছেন। এক সুরা ইউসুফ থেকে অজস্র কাহিনীকাব্য ও মহাকাব্যের জন্ম হয়েছে কবিদের হাতে। বাংলার শাহ মোহাম্মদ সগিরের “ইউসুফ জোলেখা”ও যার বাইরে না।

ইসা (আ:) এর যুগ ছিল চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক অনন্য যুগ কারণ সামান্য পূর্বে গ্যালেন, হিপোক্রেটাস গত হয়েছে। তাদের পরপর আবির্ভাব চিকিৎসা বিদ্যায় এক বিপ্লব তৈরি করে।

এ কারণে কোন নবীকে যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা একমাত্র আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞান দিয়েই করতে হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা ঈসা (আঃ)কে চিকিৎসা বিদ্যার সেই মোজেজা যা মানুষ কখনো অর্জন করতে সক্ষম হবে না তাই দিয়েছিলেন- যেমন জন্মান্ধকে সারিয়ে তোলা এবং মৃতকে জীবিত করা আল্লাহর হুকুমে মুসা আলাইহিস সালামের যুগটা ছিল ফারাউনি সভ্যতার। মমি, যাদুবিদ্যার উৎকর্ষের যুগ। এ কারণে আমরা দেখতে পাই মুসা আলাই সালামের মোজেজা সেকালের জাদুশক্তি (যার মাধ্যমে মানুষকে ভীত করে রাখা হয়েছিল) ও রাজকীয় পরাক্রম ইমেজ ভেঙে দিয়েছিলো।

তেমনি মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়টি ছিল মানব ইতিহাসে কবিতার উৎকর্ষের যুগ।

ফলে যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআন নাজিল করলেন, যে কুরআন শব্দ, ছন্দ, ঝংকার, ভাব, গভীরত্ব, গাম্ভীর্য, শ্রুতি মধুরতা, প্রজ্ঞা দিয়ে শত্রু-মিত্র পক্ষ-বিপক্ষ সবাইকে একেবারে লা জবাব করে দিয়েছিল।

উৎকর্ষের চূড়ায় থাকা আরবি সাহিত্যকে কোরআন মূলত দমন করতে আসেনি। কোরআন যা করেছিল তা হচ্ছে তার ভেতরে থাকা অন্যায় জুলুম অশ্লীলতা মানববিধ্বংসী উপাদানগুলোকে পরিবর্তন করে এই শক্তিকে মানবতার কাজে একতার কাজে লাগিয়েছিল।

যারা এ কথা বলতে চায় যে ইসলাম শিল্পসাহিত্যের স্বাধীন পথ রুদ্ধ করে রেখেছে তারা কেউ এটা জানেও না যে মানবজাতির ইতিহাসে সবচেয়ে সফল, সবচেয়ে রক্তপাতহীন বিপ্লব করেছিলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং মানবজাতির ইতিহাসে কোন বিপ্লবেই এত বেশি কবির সম্পৃক্ততা ছিল না যেটা ছিল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে ছিলো।

আপনি খেয়াল করুন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মেয়ে কবি। তাঁর সঙ্গী সাথীরা, চার খলিফা কবি। তার একাধিক স্ত্রী কবি। এমনকি যদি ভালো করে অনুসন্ধান করা হয় মাত্র ৩১৩ জনের এই বদরের বাহিনীতে কমপক্ষে ৫০ জনের বেশি সাহাবীকে কবি হিসেবে পাওয়া যাবে।

মসজিদে নববীতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নিজের মিম্বর ছাড়াও আরেকটি মেম্বার তৈরি করেছিলেন সেটি তার বন্ধু আবু বকর জামাতা, ওসমান অন্য জামাতা ও চাচাতো ভাই আলী কিংবা শশুর ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা আজমাঈন কারো জন্য নয়। ওই মিম্বারটি ছিল একজন কবি হাসসান বিন সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহুর জন্য।

মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া কবি কাব বিন জুহাইরকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্ষমা করে দেন একটি কবিতার জন্য। শুধু ক্ষমাই করেননি, নিজের চাদর খুলে উপহার দিয়েছেন।

এভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইফকের ঘটনার সময় যখন হাসান বিন সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনি ভুল সংবাদ প্রভাবিত হয়ে অপবাদে জড়িত হয়ে (কাজটি করেছিলেন এবং এ কাজের অন্তরালে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইজ্জতের প্রতি তার ভালোবাসাহেতু।) অপরাধী হিসেবে তিনি শাস্তির মুখোমুখি হচ্ছিলেন ঠিক তখনই আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহু কবি হওয়ার কারণে তাকে ক্ষমা করে দেন।

ফলে আমরা দেখতে পাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসার পর মানবজাতির ইতিহাসে এমন একটা সাহিত্য সমাজ গঠিত হলো যেখানে হাজারে হাজারে কবি সাহিত্যিক কিন্তু তাদের কবিতা উগ্র জাতীয়তাবাদ হিংস্রতা অগ্র প্রতিশোধ অশ্লীলতা এবং অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না বরং তারা সত্য সুন্দর ইনসাফ বিপ্লব প্রেম মাটি মানুষের কথা বলছে।

খুব বেশিদুর যেতে হয় না। আমরা যদি কবিতার ব্যাপারে আরব মনিষীদের সংজ্ঞা ও মূল্যায়নগুলো একটু সংক্ষেপে দেখে নেই, তাহলে তাদের সমুচ্চ চিন্তার ছটা আমরা দেখবো। আগে আমরা কালামুল্লাহ ও হাদিসে কবি ও কবিতা সম্পর্কে কি বলা হয়েছে তার সামান্য দেখিÑ

মহান আল্লাহতায়ালা বলেন- ‘তুমি কি দেখো না তারা (কবিরা) উদভ্রান্ত হয়ে উপত্যাকায় ঘুরে বেড়ায় এবং তারা যা বলে তা করে না? কিন্তু তাদের (কবিদের) কথা ভিন্ন যারা ইমান আনে ও ভালোকাজ করে এবং আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করে এবং অত্যাচারিত হলে প্রতিশোধ গ্রহণ করে। অত্যাচারীরা শীঘ্রই জানবে যে তারা কোথায় প্রত্যাবর্তন করবে।’ ( সুরা আশ্শুয়ারা): ২২৫-২২৭ ]

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মতে-‘কবিতা সুসামঞ্জস্য কথামালা। তাই যে কবিতা সত্যনিষ্ঠ তা সুন্দর আর যাতে অপলাপ রয়েছে তা মঙ্গলজনক নয়।’ (ইবনে রাশিক)

এখানে কথাটা সুস্পষ্ট যে কবি ও কবিতা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের (সা:) কাছে কত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এরপর বিশেষজ্ঞগণ বলেন-

উমার বিন খাত্তাব আল ফারুক (রা:) এর মতে-‘মানুষের শ্রেষ্ঠ শিল্প হলো কবিতা। যা প্রয়োজনে ব্যাবহৃত হয়। মহৎ লোকদের কৃপালাভ হয়, দুবৃত্তের হৃদয়ও আকৃষ্ট হয়।’ (ইকদুল ফরিদ)

আলী বিন আবি তালিব আল হায়দার (রা:) এর মতে-‘কবিতা দাড়িপাল্লার মতো। দাড়িপাল্লায় যেমন জিনিস মাপা হয়, তেমনি কবিতা দিয়ে জাতীর সাহিত্য-সংস্কৃতি, সভ্যতা-ভব্যতা, নৈতিকতা ও আদর্শ মাপা হয়।’ ( ইবনে রাশিক)

আমীরে মুয়াবীয়া বিন আবি সুফিয়ান (রা:) এর মতে-‘তোমরা সন্তানদেরকে সাহিত্য চর্চায় ব্যাপৃত রাখো। আর কবিতা সাহিত্যে র্শীষচুড়া।’ (ইকদুল ফরিদ)

উমার বিন খাত্তাব আল ফারুক (রা:) এর মতে-‘মানুষের শ্রেষ্ঠ শিল্প হলো কবিতা। যা প্রয়োজনে ব্যাবহৃত হয়। মহৎ লোকদের কৃপালাভ হয়, দুবৃত্তের হৃদয়ও আকৃষ্ট হয়।’ (ইকদুল ফরিদ)

আব্দুল্লাহ বিন রাওহা (রা:) এর মতে-‘মনে যা উদিত হয় আর মুখ বলে দেয়, তাই কবিতা।’ (ইকদুল ফরিদ)

Ñ ইবনে আব্বাস (রা:) এর মতে-‘কবিতা জ্ঞানের কেন্দ্রবিন্দু ও আরবদের (৭-এর পাতায় দেখুন)

জীবনালেখ্য।’ ( হুসনুস সাহাবা)

রাসুল (সা:) এর স্ত্রী আয়েশার (রা:) কাব্য সমঝদারী ছিল কিংবদন্তীতুল্য। এব্যাপারে ওরওয়া বিন জুবাইর (রা:) বলেন- ‘আমার খালা আয়েশা (রা:) যে পরিমাণ কবিতা মুখস্থ রাখেন, আমি সে তুলনায় কিছুই না।’ ( মিন আদাবিন্ নুবুবিয়াহ)

আব্দুল মালেক বিন মারওয়ান এর মতে- সন্তানকে কবিতা শেখাও। বোকা থাকলে চালাক হবে, অবাধ্য থাকলে বাধ্য হবে। (আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া)।

[কবি ও কবিতা সম্পর্কে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবীদের মনোভাব- ড. আব্দুল জলীল-ই.ফা.বা. গ্রন্থ থেকে]

এই হলো মূল্যায়ন।

আমি খুবই দুঃখ পাই যে কবিতা বিশ্লেষণ করতে গিয়ে আমরা অসংখ্য সংজ্ঞা প্রামাণ্য হিসেবে আনি এটা অন্যায় কিছু নয় কিন্তু বিশেষত মুসলিমরা এমন একটা জাতি যারা আরবি তুর্কি ফার্সি উর্দু হিন্দি বাংলা সহ আফ্রিকান বিভিন্ন ভাষার তারা উত্তরাধিকারী। কথা ছিল তারা সেখান থেকে লাভবান হবে। আফসোস। মুসলিম সাহিত্য সমাজ ওসবের ধার ধারে না, খবর রাখেন না। খেসারত তার এই- ইউরোপের দিকে ভিক্ষুকের মতো চেয়ে থাকতে হয় চিন্তা ও ডাইমেনশনের জন্য। অথচ স্বয়ং ইউরোপই ইসলামী সভ্যতা থেকে ধার করেছে। এই শূন্যতা, হীনমন্যতা একদিনে যাবে না। শতাব্দীর মেহনত ও চিন্তা ফিকিরের কাজ।

তথ্য সুলুক

১. আল কুরআনুল কারীম,

২. তফসীর ইবনে কাসির- আল্লামা ইবনে কাসির ( আল কুরআন একাডেমী),

৩. শামায়েলে তিরমিজি-ইমাম তিরমিজি- যাকারীয়া কান্ধুলুভীর র: শরাহকৃত,

৪. মিশকাত শরীফ-শায়েখ ওয়ালীউদ্দিন- ইসলামীয়া কুতুবখানা

৫. সীরাতে ইবনে হিশাম- ইফাবা, বিআইসি।

৬. আল বিদায়াহ নিহায়াহ- আল্লামা ইবনে কাসির-ইফাবা

৭. আর রাহিকুল মাখতুম-সফিউর রহমান মুবারাকপুরী

৮. সাহাবায়ে কিরামের কবিতা- মওলানা ফরিদউদ্দিন মাসউদ-ইফাবা

৯. আরবী সাহিত্যের ইতিহাস- আ.ত.ম. মুসলেহউদ্দিন-ইফাবা

১০. কা’ব বিন জুহাইর কবি ও কবিতা- মুহাম্মদ মতিউর রহমান-ইফাবা

১১. কবি ও কবিতা সম্পর্কে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবীদের মনোভাব- ড. আব্দুল জলীল-ইফাবা

১২. আসহাবে রাসুলের কাব্যপ্রতিভা- ড. আব্দুল মা’বুদ -বিআইসি