নাজাতের ঘ্রাণ
কামরুজ্জামান দিশারি
বছর ঘুরে ফিরে এলো
মাহে রমজান,
সাথে করে নিয়ে এলো
কিছু ফরমান!
হে মুমিন, মোমেনাত
দূর করো অজুহাত,
হয়ে যাও ইবাদতে
আজ মশগুল!
মন থেকে মুছে ফেল
কালিমা ও ঝূল।
রোজা রেখে করে যাও
সিয়াম সাধন,
তার সাথে আত্মার
জোড়াও বাঁধন।
দান, খয়রাত করো
খুলে দু’টি হাত,
জিকির আর আসকারে
করো বাজিমাত!
সংযমের এই মাসে
জেগে তোল প্রাণ,
তবে তুমি পেতে পার
নাজাতের ঘ্রাণ।
আল্লাহু আকবার
শামীম শাহাবুদ্দীন
আল্লাহু আকবার
জপে নিশিদিন
কলবের ধুলোবালি
হয়েছে বিলীন।
এই নামে মৃত দিল
তরতাজা হয়
প্রতিদিন পাঠ হোক
কিছুটা সময়।
আল্লাহু আকবার
এ নামের শান
মুমিনের থেকে দূরে
রয় শয়তান।
বৃষ্টি পড়ে
নাজমুল হুদা নাহিন ইসলাম
বৃষ্টি পড়ে সবুজ মাঠে
বৃষ্টি পড়ে পাতায়,
বৃষ্টি পড়ে ঘরের চালে
বৃষ্টি পড়ে ছাতায় ।
বৃষ্টি পড়ে টিনের চালে
বৃষ্টি পড়ে ঘরে,
বৃষ্টি পড়ে দিন দুপুরে
পুকুর নদী ভরে ।
বৃষ্টি পড়ে ঝমঝমিয়ে
আমার ছোট্ট গাঁয়ে,
বৃষ্টি পড়ে নদীর মাঝে
নতুন ডিঙি নায়ে ।
খুকির রোজা
সারমিন চৌধুরী
দাদুর কাছে শুনে খুকি
কেমনে রাখে রোজা,
মায়ে বলে উপোস করা
মোটেও নয় সোজা
বায়না ধরে বসে খুকি
রোজা রাখবে বলে,
সেহেরিতে মা তাকেই যেন
ডেকে ডেকে তুলে।
রোজা রেখে ইফতারিতে
মজার খানা খাবো,
রান্নাঘরে মা তোমাকে
কাজও করে দেবো।
খুকির অবুঝ কথা শুনে
দিলো মায়ে সায়
ওমনি খুকি নেচে নেচে
মায়ের কাছে যায়।
মেঘের ঘোড়া
জাকির সেতু
মেঘের ঘোড়ায় খুকি উড়ে
দেখে গ্রামের পথ
পাখির গানে ভরে ওঠে
খুকির নরম রথ।
হাওয়ার সাথে ভাসে খুকি
চলন বিলের ধারে
ছুটে গেলে দেখতে পাবে
নদীর ওই পাড়ে।
ফুলে ফুলে বসন্ত আসে
মিষ্টি পাখির গানে
সকালে রোদ হাসি ছড়ায়
সবার মনে প্রাণে।
মায়ের স্নেহ
সাফওয়ান ইসলাম শায়ান
আমি চারদিকে খুঁজি মা
তোমার স্নেহ আদর
তোমার ছোঁয়ায় পাই যে আমি
ভালোবাসার চাদর।
- তুমি যেন এক মিষ্টি পুতুল
- মায়া ভরা আলো
- মৌ এর মতো মিষ্টি তোমার
- নামটি কত ভালো।
মধুর তোমার কণ্ঠে যখন
আমায় তুমি ডাকো
এ পৃথিবীর সবচে সুন্দর
ফুলটি হয়ে থাকো।
- তুমি যে আমার প্রিয় মা
- শ্রদ্ধা ভরে ডাকি
- ভাবো শুধু এই আমাদের
- কেমনে ভালো রাখি।
সারাজীবন তোমায় আমি
বাসবো মাগো ভালো
তুমি আমার আঁধার রাতে
জোসনা মাখা আলো।
রঙিন বেলুন
শামীমা জান্নাত শিউলী
খোকার হাতে রঙিন বেলুন
সুতায় আছে বাঁধা,
উড়ছে বেলুন আকাশ পানে
হলুদ, কালো, সাদা।
খোকার মুখে মিষ্টি হাসি
দিচ্ছে হাতে তালি,
সাথে ছিলো খোকার বন্ধু
নাম ছিল তার আলী।
রঙিন বেলুন নিয়ে দুজন
করছে নানান খেলা,
খেলতে খেলতে সন্ধ্যা হলো
ফুড়িয়ে গেল বেলা।