এসো বইমেলায়
আ.শ.ম.বাবর আলী
চলে এসো বইমেলায়
কিছু বই কেনো,
বই পড়ে জ্ঞানী-গুণী
হয়েছেন জেনো।
জ্ঞানীজনে জানে বই
জ্ঞানভান্ডার,
বই থেকে হয় যে
জ্ঞান বিস্তার।
অমর ফেব্রুয়ারি
নকুল শর্ম্মা
ফেব্রুয়ারি তোমার গায়ে
ভাইয়ের রক্ত মাখা,
ফেব্রুয়ারি খোকার হাতে
ভাষার ছবি আঁকা।
ফেব্রুয়ারি তোমায় দেখি
বর্ণমালার খাতায়,
ফেব্রুয়ারি তুমি আমার
বইয়ের পাতায় পাতায়।
ফেব্রুয়ারি বৃদ্ধা মায়ের
কান্না ঝরা হাসি,
ফেব্রুয়ারি শিমুল পলাশ
বড্ড ভালোবাসি।
ফেব্রুয়ারি চাষার কণ্ঠে
বাংলা মধুর গান,
ফেব্রুয়ারি তোমায় ঘিরে
সাহস ভরা প্রাণ।
ফেব্রুয়ারি অমর তুমি
ইতিহাসে লেখা,
ফেব্রুয়ারি রক্তিম সূর্য
বিশ্বের চোখে দেখা।
মায়ের ভাষা
আবুবকর সালেহ
মাঝির গানে
মন যে টানে
মধুর সুরে হৃদয় জুড়ে
শান্তি আনে।
ভালোবাসার
স্বপ্ন আশার
হাটে মাঠে পড়া পাঠে
বাংলা ভাষার।
দু-চোখ তুলে
দেখরে খুলে
লাল কামারে খেত খামারে
শিমুল ফুলে।
নকশিকাঁথায়
কাব্য গাঁথায়
তাঁদের স্মরি বরণ করি
স্মৃতির পাতায়।
আমার ভাষা
জহিরুল হক বিদ্যুৎ
মায়ের মুখে প্রথম শিখি
মধুর বাংলা বুলি,
অ আ ক খ পাতার
বইটি যখন খুলি।
পাখির গানে নদীর তানে
বাংলা কথা ভাসে,
সোনার দেশে ধানের ঘ্রাণে
মায়ের হাসি হাসে।
রফিক, সালাম, বরকতেরা
রক্ত দিল ঢেলে,
সেই ভাষাতে আমরা গড়ি
স্বপ্ন দুচোখ মেলে।
ভালোবাসি বাংলা ভাষা
বলি মনের কথা,
ভাষার মান যে রাখব ধরে
নোয়াবো না মাথা।
বারাকার গান
শফিক শাহরিয়ার
রমজান আনে ভাই আমলের মউসুম
পৃথিবীর সবখানে পড়ে যায় খুব ধুম।
বাতাসের মাঝে ভাসে মউ মউ ঘ্রাণ
মু’মিনের একাকার এক মন এক প্রাণ।
শত শত ফেরেশতা নেমে আসে দুনিয়ায়
কত আশা কত সাধ প্রতি প্রাণে বেড়ে যায়।
চাঁদ হাসে তারা হাসে
আকাশের চারপাশে
রহমের ধারা নামে ডেকে যায় রাইয়্যান
সকলেই মাতোয়ারা নিশিদিন গাই গান।।
দোযখের ঘরে তালা বেহেশতে খোলা দোর
শয়তান কারাগারে খাটে না যে তার জোর।
বারাকার গান শুনি
নাজাতের দিন গুনি
আল্লাহও নিজ হাতে করে যায় আহ্বান
তাকোয়ার সুরে সুরে করি তার সন্ধান।
রমজান এলো
কুলসুম বিবি
রমজান এলো বছর ঘুরে
মুমিন তোমার ঘরে
রবের দয়া হাসিল করো
নেক ইবাদত করে।
নামাজ রোজা দান সাদাকা
করো বেশি বেশি
আখেরাতে পেয়ে দ্বিগুন
হয়ে যাবে খুশি।
ফজিলতের মাস এলো তাই
গুনাহের কাজ ভুলে
যত পারো আমল করো
দান করো হাত খুলে।
রমজান পেয়ে যদি কেহ
ক্ষমা না পায় রবের
তার চেয়ে হতভাগা যে
এসো বইমেলায়
আ.শ.ম.বাবর আলী
চলে এসো বইমেলায়
কিছু বই কেনো,
বই পড়ে জ্ঞানী-গুণী
হয়েছেন জেনো।
জ্ঞানীজনে জানে বই
জ্ঞানভান্ডার,
বই থেকে হয় যে
জ্ঞান বিস্তার।
চাঁদটা এখন
এম সোলায়মান জয়
আমার ঘরের চাঁদটা এখন
বসে বসে খেলে
দেখলে মাকে পাখির মতো
দু’হাত ডানা মেলে।
ডাকতে পারে অল্প অল্প
বয়স যে দশমাস
খেলতে পারে খেলনা দিয়ে
খেলনা ছোট হাঁস।
মা মা বলে ডাকে আবার
বলে বাবা দাদা
নানুর বেলায় আপা আপা
ডাকে আধা আধা।
আমার ঘরের চাঁদটা এখন
সবার চোখের মণি
তোকে পেয়ে বাবা-মায়ে
বিশ্বসেরা ধনী।