ওমর বিশ্বাস

ওটা কি? ওটা কেন? কি আছে ওর ভিতরে এই নিয়ে ওদের ভিতর ধান্ধা লেগেছিল। নিজেরা ওটাকে নিয়ে নানান রকম গবেষণা শুরু করে দেয়। কেউ কোনো হদিস করতে পারেনি। কেউ কেউ বলছে তারা একটা বিশালাকার কিছু মাঠের ভিতর দেখেছে। কেউ দেখলেও কিছু মনে করেনি। নানাধরনের শব্দ শোনার কথাও কেউ কেউ বলেছে। আসলে কেউ সঠিক কিছু বলতে পারেনি। সবার কথা শুনলে মনে হবে তারা অনুমানের উপর বলছে। দেখলেও আসলে তারা সেভাবে মন দিয়ে দেখেনি। এমনকি গুরুত্বও দেয়নি। তাই ওসব কথাবার্তা ছিল অসংলগ্ন।

এলিয়েনরা আসল উদ্দেশ্য সংকেতে প্রকাশ করে। এটা কখনো ভাষায় প্রকাশ করা নিষেধ অতিরিক্ত সতর্কতার জন্য। পৃথিবীর মানুষ ওই সংকেত পড়তে না পাড়লে সে সম্পর্কে কিছুই জানবে না।

এসব কিছুর সমাধান হওয়া দরকার। তাদের প্রতিদিনের স্কুল, লেখাপড়া এমনকি খাওয়া-দাওয়া, ঘুমানোরও সমস্যা হচ্ছে। এসব নিয়ে এতো ভাববার সময় কই?

এখন থেকে আসিফরা নিজেদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। এই উপগ্রহের আগমন তাদের বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। তাদের কিছু কিছু টেকনোলজি যতটুকু জেনেছে তাদের ভালো লেগেছে। এরা নিজেরাই খুব অবাক হয়েছে কীভাবে আসিফ ওদের সাথে একই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হলো। আরো অবাক হয়েছে যখন অনুমান করলো, পানি আর গাছের মধ্যে সংযোগ দিয়ে তরঙ্গ প্রবাহ তৈরি করে নতুন কিছু করা যায় Ñ এটা হলেও হতে পারে।

তারা এখন নিয়মিত আসিফদের বাসার ছাদে বসে। কত সব লোহ-লক্কড়, তার-তুর জড়ো করেছে। এখন পর্যন্ত যদিও অন্যরা কেউ কিছু সন্দেহ করেনি তবে ঘনঘন যেভাবে তারা ছাদে যাওয়া-আসা করছে তা অনেকের চোখে লেগেছে। তারা এতো ঘনঘন ছাদে যেত না। আবার এই কয়দিন বিকালবেলাটা তারা ছাদেই কাটিয়ে দেয়।

(চলবে)