আসিফ আরসালান
গত ২২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার থেকে দেশে নির্বাচনের বাতাস আনুষ্ঠানিকভাবে বইতে শুরু করেছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান তার নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৫-তে এক বিশাল জনসভা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১০ দলের নির্বাচনী যাত্রা শুরু করেছেন। পক্ষান্তরে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সিলেটে একটি বড় জনসভার মাধ্যমে বিএনপি জোটের যাত্রা শুরু করেছেন। রাজধানীর দুইটি বাংলা জাতীয় দৈনিকের প্রথম পৃষ্ঠায় ড. শফিকুর রহমান এবং তারেক রহমানের এ দুটি ছবি ৪ কলাম করে পাশাপাশি ছাপা হয়েছে। ২টি জনসভাই বিশাল। শুরুতেই বোঝা গেলো, এবারের নির্বাচনে কেউ আর ওয়াকওভার পাবে না। নির্বাচনটি হবে একেবারে হাড্ডাহাড্ডি। পরদিন অর্থাৎ ২৩ জানুয়ারি শুক্রবার তার একটি প্রমাণ পাওয়া গেলো। বাংলাদেশের একেবারে সুদূর উত্তর প্রান্তের জেলা পঞ্চগড়ে ২৩ জানুয়ারি দিবসের প্রথমার্ধে আমীরে জামায়াত যে সভা করলেন সেটিও দেখলাম বিশাল জনসমুদ্র। এ সভাটি দেখে আমার বিশ্বাস দৃঢ় হয়েছে যে, এবারের লড়াইটি হবে সেয়ানে সেয়ানে। কারণ পঞ্চগড়ের মতো শুধু প্রত্যন্ত নয়, একেবারে দেশের কিনারের জেলাটির জনসংখ্যার অনুপাতে অতবড় জনসভা হওয়ার কথা নয়। তার পরেও যখন জনসভাটি এত বিশাল হয়েছে তখন ধরে নেওয়া যেতে পারে যে, জেলার সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ এ জনসভায় শামিল হয়েছিলেন।
একটি জনসভায় নিজেদের দলীয় কর্মী এবং পাবলিক বা জনসাধারণ কে কোন অনুপাতে এসেছে সেটা বোঝার একটি মাপকাঠি আছে। সেটি হলো, কর্মীরা আসেন সকলেই একটি বিশেষ রঙের বা বিশেষ ডিজাইনের পোশাক পরে। কিন্তু পাবলিক আসেন দৈনন্দিন পরিধেয় পোশাক পরে। পঞ্চগড়ে ১০ দলের মিটিংয়ে দেখলাম দলীয় কর্মীদের চেয়ে আমজনতার ঢল। এগুলো তো কেবল শুরু। আগামী ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত এ ধরনের জনসভা, পথসভা, উঠান বৈঠক, পাড়ায় বা গলিতে খন্ড খন্ড মিছিল চলবে। এসব নির্বাচনী প্রচারণা দেখেই মোটামুটি আন্দাজ করা যায় যে, বাতাস কোন দিকে যাচ্ছে। আমি এখনই একটি ধারণা বা আন্দাজ করে ফেলেছি। তবে এ মুহূর্তে সেটি বলাটা বেশি আগে বা অপরিপক্ক হবে বলে বলতে চাচ্ছি না।
নির্বাচন অর্থই হলো একাধিক দল বা জোট নির্বাচনী দৌড়ে শামিল হবে। নির্বাচিত হলে বা ক্ষমতা পেলে তারা কী করবেন সেটা যেমন তারা বলবেন তেমনি তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দল গুলোর প্রচারনা বা প্রতিশ্রুতিতে কি ভুল আছে বা শুভঙ্করের ফাঁক রয়েছে সেটা ধরিয়ে দেবেন। এটিই নির্বাচনী প্রচারণা যুদ্ধের বিউটি। তবে এ সমালোচনাটা গঠনমূলক এবং শালীনতাপূর্ণ হবে, এটিই কাম্য।
বিএনপি জামায়াতের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত যে দুটো বিষয় নিয়ে সমালোচনার ঝড় তুলেছে তার মধ্যে একটি হলো, সে একাত্তরের কাহিনী। আর একটি হলো, তাদের নব আবিষ্কার। সেটি হলো, জান্নাতের টিকেট লাভ সম্পর্কিত।
প্রথমে আসছি ৭১ এর কাহিনী। ৭১ গৌরবময়। কিন্তু পতিত স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ, বিশেষ করে শেখ হাসিনার ১৫ বছরে, অতিব্যবহার এবং তার ওপর রংচং চড়িয়ে জামায়াতের ওপর আক্রমণ এখন পুরাতন হয়েছে। কিছুদিন হলো, রাজনীতির পরিভাষায় বলা হচ্ছে, মানুষ আর এখন ‘ওগুলো খায় না’। এ ইস্যুটিকে আওয়ামী লীগ সেই মুজিব আমল থেকে শুরু করে জুলাই বিপ্লবের পূর্ব পর্যন্ত রাজনীতির বিশেষ করে জামায়াত দমনের পুঁজি হিসাবে ব্যবহার করেছেন। ব্যবহার করে কোনো ফল হয়নি। এখন তো দেখা যাচ্ছে, দিন শেষে শেখ হাসিনা সদলবলে ভারতে পলায়ন করেছেন। আর জামায়াত দেশের সবচেয়ে বড় দুটি রাজনৈতিক দলের একটির মর্যাদা লাভ করেছে।
এখানে একটি কথা পরিষ্কার করা দরকার। জামায়াত বিগত বছরগুলোতে অন্তত ৪ বার মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে। জামায়াতের এ অবস্থান দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের কাছে -গ্রহণযোগ্য হয়েছে। তার পরেও হাতে আর কোনো ইস্যু না থাকায় বিএনপিও এখন সেই একই সারিন্দা বাজিয়েই চলেছে। ভাবতে অবাক লাগে, জামায়াতের বিরুদ্ধে বিএনপির বলার কিছু নেই। তাই তারা আওয়ামী সুরেই জামায়াতের বিরুদ্ধে ৭১ এর গান ধরেছে। রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব কোন পর্যায়ে গেলে এমন সস্তা সমালোচনা হয় সেটি পাঠকরা নিজেরাই বিবেচনা করুন।
জামায়াতের বিরুদ্ধে আরেকটি যে প্রচারণা চলছে সেটি এতই হাস্যকর যে, বিএনপি যে সেই প্রচারণা চালাচ্ছে, এটা শুনলে বিশ্বাস করতে মন চায় না। জামায়াতকে ভোট দিলে নাকি জান্নাতের টিকেট পাওয়া যায়। কে বলেছেন এমন কথা? কোথায় বলেছেন? কোনো রেকর্ড নাই, কোনো প্রমাণ নাই। ভাবতে অবাক লাগে যে, বিএনপির সর্বোচ্চ নেতা তারেক রহমানও সিলেটের জনসভায় ঐ বহুল চর্চিত অভিযোগটির জাবর কেটেছেন।
জামায়াতের বিরুদ্ধে এই অভিযোগটি অনেকটা চিলে কান নিয়ে গেছে, সে রকম। যেখানে কানে হাত দিলেই দেখা যাবে যে, কানটি যথাস্থানে আছে কিনা, নাকি চিলে নিয়ে গেছে, সেটি না করে উড়ন্ত চিলের পিছে পিছে দৌড়ে কোনো লাভ আছে? এ অদ্ভুদ গাঁজাখুরি অভিযোগ সম্পর্কে আমার পুরানা একটি গল্প মনে পড়ে গেলো।
তখন আমি বগুড়া জিলা স্কুলের ছাত্র। ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচন। এত বেশি ছোট ছিলাম যে, সবকথা স্পষ্ট মনে পড়ে না। তখন পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন। ইলেকশনের মিটিংয়ে যুক্তফ্রন্টের নেতারা নুরুল অমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে লাগাতার বলতেন যে, নুরুল আমিন নাকি ঢাকায় মার্বেল পাথরের বাড়ি বানিয়েছেন। যখন বয়স হলো এবং বগুড়া আজিজুল হক কলেজে পড়ি তখন আমরা ২ বন্ধু ঠিক করলাম যে আমরা ঢাকায় যাবো এবং মার্বেল পাথরের বাড়ি দেখে আসবো।
যথারীতি ২ কলেজ বন্ধু ঢাকা এলাম। ঢাকা তখন এখনকার মতো মেগা সিটি ছিলো না। জনসংখ্যা ৪ লক্ষ থেকে ৭ লক্ষের মধ্যে ওঠা নামা করছিলো। এখন সে মহানগরী ঢাকার জনসংখ্য ২ কোটি ৭০ লাখ। এখানে আপনাদের জন্য জানিয়ে রাখি যে, বাংলাদেশের চেয়ে আয়তনে ৬৮ গুণ বড় অস্ট্রেলিয়ার জনসংখ্যা ২ কোটি ৮০ লাখ। আর বাংলাদেশের চেয়ে ৭৪ গুণ বড় কানাডার জনসংখ্যা ২ কোটি ৯০ লাখ।
যাহোক, ঢাকা শহরের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত চষে বেড়ালাম। কিন্তু কোথাও মার্বেল পাথরের কোনো বাড়ি খুঁজে পেলাম না।
তো পাঠক ভাইয়েরা, এ হলো নুরুল আমিনের মার্বেল পাথরের বাড়ির গল্প। সে একই রকম গল্প জামায়াতকে নিয়ে ফেঁদেছে বিএনপি। আর সে আষাঢ়ে গল্প হলো জান্নাতের টিকেট কাটার গল্প। আসলে আগেই বলেছি, জ্ঞান এবং তথ্যের দিক দিয়ে দেউলিয়া হয়ে গেলে এসব আবোল তাবোল বকা ছাড়া আর কিছু থাকে না।
আমাদের কথা অত্যন্ত পরিষ্কার। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন সম্পর্কে আমরা কোনো পূর্বাভাস দেবো না বা ভবিষ্যতবাণী করবো না। ইতোমধ্যেই ৪/৫টা জরিপের ফলাফল বেরিয়েছে। তার মধ্যে সর্বশেষ মর্যাদাসম্পন্ন ওয়াশিংটন ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআর) জরিপ নিয়ে রীতিমতো হইচই পড়ে গেছে। সেটি পড়লে জামায়াত সমর্থকরা খুশি হবেন। কিন্তু আমি তার পরেও ওটা নিয়ে কথা বলবো না।
এর কারণটি অত্যন্ত পরিস্কার। সেটি হলো তরুণ ভোটারদের চিন্তাধারা। ২০২৫ সালের নভেম্বরের আদমশুমারি মোতাবেক দেশের মোট ভোটার হলেন- ১২ কোটি ৭৬ লক্ষ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। এদের মধ্যে তরুণ ভোটারদের সংখ্যা হলো ৫ কোটি ৫৬ লক্ষ ৫৩ হাজার ১৭৬ জন। এরা হলেন ১৮ থেকে ৩৭ বছরের এজ গ্রুপের। এরা শেখ হাসিনার আমলের ৩টি প্রহসনের নির্বাচন অর্থাৎ ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ এর নির্বাচনী তামাশায় অংশ নেননি বা নিতে পারেননি। ধারণা করা হচ্ছে যে, এরা এবার ভোট দেয়ার জন্য মুখিয়ে আছেন। এরা কাদেরকে ভোট দেবেন, সেটি লুক্কায়িত রয়েছে তাদের অন্তরের অন্তস্থলে। তবে কোনো কোনো ডেমোগ্র্যাফিক বিশেষজ্ঞের মতে তাদের মনের মনিকোঠায় যা লুকিয়ে আছে তার আংশিক প্রকাশ ঘটেছে ৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে। ভার্সিটিতে যেসব ছাত্র ভোটার তারা কিন্তু দেশের নির্বাচনেও ভোটার।
এখন তারা যদি ১১, ১২, ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারির টানা ৪ দিনের ছুটিতে দেশে যান এবং তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন তাহলে সে ভোটাধিকার জাতীয় নির্বাচনে যে প্রভাব ফেলবে না সেকথাটি কে হলফ করে বলতে পারে? উল্লেখ করা যেতে পারে যে, এ তরুণ গ্রুপ মোট ভোটারের ৪৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ। অর্থাৎ অর্ধেকের একটু কম। সেদিন বিএনপি এবং ছাত্রদলের উদ্যোগে হাইকোর্টের আশ্রয় নিয়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন ৪ সপ্তাহের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
কারা নির্বাচন স্থগিত বা বন্ধ করে? কে না জানে যে, যারা পরাজয় আশঙ্কা করে তারাই নির্বাচন পিছায়। জাতীয় নির্বাচনের আগে যদি শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকশন না হয় তাহলে যারা নির্বাচন চায় তারা কী দেশে গিয়ে বলবে না যে, কারা নির্বাচন পেছালো? এ সবের ইমপ্যাক্ট জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ওপর অবশ্যই পড়বে। তার পরেও আমরা আজ এ মুহূর্তে নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে কোনো পূর্বাভাসে যাচ্ছি না।
তার পরিবর্তে বরং দুটি ঘটনার বিষয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করবো। একটি হলো কয়েক দিন আগে ভারত সরকার বাংলাদেশে অবস্থানরত তার হাইকমিশন এবং উপ-হাইকমিশনের সদস্যদের পরিবারকে ভারতে ফেরত নিয়ে গেছে। কূটনৈতিক পরিভাষায় এটাকে বলা হয়েছে, ‘নন ফ্যামিলি পোস্টিং’। ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেলো যে, যদি কোনো দেশ বিদেশী শক্তির দ্বারা আক্রান্ত হয় অথবা যদি গৃহযুদ্ধে লিপ্ত হয় তাহলে এ রকম নন ফ্যামিলি পোস্টিং হয়। উদাহরণ হিসাবে দেয়া হয়েছে ইরাক, সিরিয়া ও লিবিয়া। বাংলাদেশে কি ইরাক সিরিয়া ও লিবিয়ার মতো অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে? সকলেই জানেন যে ঐরকম কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি। তাহলে কেনো সেটা করা হলো? নিশ্চয়ই এর পেছনে ভারতের বিশেষ কোনো প্ল্যান রয়েছে।
আর একটি হলো গত ২৩ জানুয়ারি দিল্লীতে শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে বাংলাদেশ এবং আওয়ামী লীগের ওপর অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছেন বলে ভারতীয় একশ্রেণীর অনলাইন নিউজ পোর্টালের খবরে প্রকাশ। বাংলাদেশ সময় বেলা ৫টায় হিন্দুস্তান টাইমস, দি টাইমস অব ইন্ডিয়া, কলকাতার দি ওয়াল প্রভৃতি পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে বলা হয়েছে যে, দিল্লীতে অনুষ্ঠিত একটি সংবাদ সম্মেলনে অনলাইনে যুক্ত হয়েছেন শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি বাংলাদেশের বর্তমান নির্বাচন পরিস্থিতি, আওয়ামী লীগের ভূমিকা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
হিন্দুস্তান ফরেন করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। শেখ হাসিনা যদি ঐ সম্মেলনে যুক্ত হয়ে থাকেন তাহলে এটি বিরাট তাৎপর্য বহন করে। তার অর্থ হলো, নরেন্দ্র মোদি শেখ হাসিনাকে ভারতের মাটি ব্যবহার করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রাজনীতি করার সুযোগ দিলো। এটি একটি বিরাট ঘটনা।
আমি বিকেল ৫টা পর্যন্ত চেষ্টা করে খবরটি কনফার্ম করতে পারিনি যে শেখ হাসিনা ঐ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়েছিলেন কিনা। তবে গত ২০তারিখে অনুরূপ একটি সম্মেলনে বাংলাদেশের পলাতক পররাষ্ট্র মন্ত্রী হাসান মাহমুদ এবং পলাতক শিক্ষামন্ত্রী নওফেল সম্মেলন করেছেন এবং বক্তৃতা করেছেন। দিল্লী এবং কলকাতায় আওয়ামী লীগ ঘটা করেই বাংলাদেশের রাজনীতি করছে।
আমরা বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো হুমকি দেখছি না। কিন্তু দিল্লী এবং কলকাতার খবরগুলো থেকে মনে হচ্ছে যে, ভারতের সক্রিয় সমর্থনে আওয়ামী লীগ একটি বড় ধরনের গোলযোগের পাঁয়তারা করছে। এখানে সেখানে বড় ধরনের সহিংস ঘটনা ঘটালেও তারা নির্বাচন বানচাল করতে পারবে বলে আমাদের মনে হয় না।