মুসফিকা আন্জুম নাবা
ইসলামী স্বর্ণযুগে (অষ্টম-ষোড়শ শতাব্দী) মুসলমান বিজ্ঞানীরা চিকিৎসাবিজ্ঞান, গণিত, রসায়ন, পদার্থবিদ্যা ও জ্যোতির্বিজ্ঞানে যুগান্তকারী অবদান রাখেন। আল-খাওয়ারিজমি (বীজগণিত), ইবনে সিনা (চিকিৎসা), জাবির ইবনে হাইয়ান (রসায়ন), এবং ইবনে আল-হাইসাম (আলোকবিজ্ঞান) আধুনিক বিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করেন। দশমিক পদ্ধতি, মানচিত্রাঙ্কন এবং শল্যচিকিৎসার যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন তাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অবদান। বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় মুসলমানদের প্রধান অবদানসমূহ নিচে আলোচনা করা হলো :
গণিত: মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-খাওয়ারিজমি বীজগণিতের (Algebra) জনক, যা আধুনিক গণিতের ভিত্তি। তিনি ভারতীয় শূন্য ও দশমিক পদ্ধতির প্রসার ঘটান।
চিকিৎসাবিজ্ঞান: ইবনে সিনা (Avicenna) রচিত ‘আল-কানুন ফিত-তিব’ (The Canon of Medicine) বহু শতাব্দী ধরে ইউরোপের মেডিকেল স্কুলে পাঠ্য ছিল। আল-রাজি গুটিবসন্ত ও হামের পার্থক্য নির্ণয় করেন।
রসায়ন (Chemistry) : জাবির ইবনে হাইয়ানকে রসায়ন শাস্ত্রের জনক বলা হয়। তিনি পাতন, স্ফটিকীকরণ, জারণ ও বাষ্পীভবনের মতো প্রক্রিয়াগুলো আবিষ্কার ও ব্যবহার করেন।
পদার্থবিজ্ঞান ও আলোকবিজ্ঞান (Optics) : ইবনে আল-হাইসামকে আলোকবিজ্ঞানের জনক এবং প্রথম প্রকৃত বিজ্ঞানী গণ্য করা হয়। তিনি প্রমাণ করেন যে চোখ আলো গ্রহণ করে, আলো তৈরি করে না।
ভূগোল ও জ্যোতির্বিদ্যা: আল-ইদ্রিসি ১১৫৪ সালে বিশ্বের একটি নির্ভুল মানচিত্র তৈরি করেছিলেন। মুসলিম বিজ্ঞানীরা ত্রিকোণমিতি ও গোলাকার ত্রিকোণমিতি ব্যবহার করে জ্যোতির্বিজ্ঞানে অসামান্য উন্নতি সাধন করেন।
হাসপাতাল ব্যবস্থা: ৯ম শতকে বাগদাদ ও কায়রোতে উন্নত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হয় যেখানে রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ দেওয়া হতো।
প্রকৌশল ও যন্ত্রকলা: আল-জাজারি স্বয়ংক্রিয় মেশিন এবং রোবোটিক্সের প্রাথমিক ধারণার বিকাশ ঘটান।
মুসলমান বিজ্ঞানীরা প্রাচীন গ্রিক ও ভারতীয় জ্ঞানকে আরবিতে অনুবাদ করে তা উন্নত করেন এবং পরবর্তীতে তা ইউরোপে ছড়িয়ে দিয়ে জ্ঞান-বিজ্ঞানের পুনর্জাগরণে (Renaissance) মূল ভূমিকা পালন করেন।
ইসলাম একটি সার্বজনীন জীবনবিধান। মানবজীবনে এমন কোন সমস্যা বা দিক নেই যা ইসলামে আলোচিত ও চর্চিত হয়নি। মূলত, জাজিরাতুল আরবের এক ঘোর তমসাচ্ছন্ন যুগে ইসলামের আগমন ঘটেছিলো। যা ঘোর তমসাচ্ছন্ন আবর জাহানসহ গোটা বিশ্বকেই আলোকিত করে তুলেছিলো। মূলত, শ্বাসত জীবন বিধান ইসলামের আগমনের মাধ্যমে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এক নতুন ইতিহাসের গোড়াপত্তন হয়; সভ্যতার বিবর্তনে এক নব জাগরণ সৃষ্টি করে। এ ঐতিহাসিক বিপ্লব তথা ইসলামকে কেন্দ্র করেই জ্ঞান-বিজ্ঞানে সূচিত হয়েছে এক নব অধ্যায়। সে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মুসলমানদের অবদানের ইতিহাস খুবই সমৃদ্ধ ও বেশ চমকপ্রদ। অতীতে বিশ্বের কোন জাতিই এমন কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখতে পারেনি। কিন্তু আমরা আমাদের আত্মপরিচয় দৌদুল্যোমন্যতার কারণে এসব অতীত ভুলে যেতে বসেছি। ফলে আমরা সাম্প্রতিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় খুব একটা দক্ষতা ও সফলতার পরিচয় দিতে পারছি না। যা আমাদের প্রতিনিয়ত কোণ ঠাসা করে দিচ্ছে। বর্তমান বিশ্বে মুসলিমদের দিকে তাকালে যে চিত্রটি আমরা দেখতে পাই, ঠিক তার উল্টো আলোকিত যুগ পার করে এসেছে মুসলিমরা। সে যুগ বৈশ্বিক ইতিহাসে ইসলামের স্বর্ণযুগ বলে পরিচিত। ইসলামি স্বর্ণযুগ অষ্টম শতাব্দী থেকে চতুর্দশ শতাব্দী পর্যন্ত ইসলামের ইতিহাসে সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক এবং বৈজ্ঞানিকভাবে সমৃদ্ধ হওয়ার সময়কালকে বোঝায় যা ৬২২ সালে মদিনায় প্রথম ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও ইসলামি শক্তির উত্থানের সময় থেকে শুরু হয়। তৎকালীন মুসলমানরা শুধু ধর্মীয় সীমারেখার মধ্যে আবদ্ধ ছিল না বরং জ্যোতির্বিজ্ঞান, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, গণিত, জীববিদ্যা, চিকিৎসা, দর্শন ও অর্থনীতি সহ জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল অঙ্গনে তাঁদের একছত্র বিচরণ ছিল। ইসলামের স্বর্ণযুগ উত্থানের পিছনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা ছিল পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর । ইসলামের স্বর্ণযুগ যেন তারই প্রতিচ্ছবি। আব্বাসীয় খলিফা হারুন অর রশিদের (৭৮৬-৮০৯) শাসনামলে বাগদাদে বাইতুল হিকমাহর প্রতিষ্ঠার ফলে জ্ঞানচর্চার সুযোগ সৃষ্টি হয়। বায়তুল হিকমা প্রধান বুদ্ধিবৃক্তিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত করা হয়। ফাতেমীয় যুগে মিশর সাম্রাজ্যের মূল কেন্দ্র ছিল। এ যুগে মুসলিম বিশ্বের রাজধানী শহর বাগদাদ, কায়রো ও কর্ডোভা বিজ্ঞান, দর্শন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, বাণিজ্য ও শিক্ষার রাজধানীতে পরিণত হয়। আরবরা তাদের অধিকৃত অঞ্চলের বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের প্রতি আগ্রহী ছিল। হারিয়ে যেতে থাকা অনেক ধ্রুপদি রচনা আরবি ও ফারসিতে অনুবাদ হয়। আরও পরে এগুলো তুর্কি, হিব্রু ও ল্যাটিনে অনূদিত হয়েছিল।
ইসলামি স্বর্ণযুগে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সভ্যতার উৎকর্ষে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে, বায়তুল হিকমাহ। বায়তুল হিকমা ছিল একাধারে গ্রন্থাগার, শিক্ষায়তন ও অনুবাদ কার্যালয়। যা আবিষ্কার ও গবেষণার প্রাণকেন্দ্র হিসেবে কাজ করত। মুসলিমরা এমন একটি পরিবেশ তৈরি করেছিল-যেখানে শুধুমাত্র মুসলিমরাই নয়, সব মতের, সব ধর্মের, সব বিশ্বাসের, সব যুক্তির আলেম, পণ্ডিতরা নিশ্চিন্তে, নিরাপদে ও নির্ভয়ে জ্ঞানচর্চা করেছেন। বিশ্বোর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উটের পিঠে বোঝাই করে বাইতুল হিকমায় জমা হয়েছিল বিভিন্ন দেশের বই। খলিফা জাষ্টিনিয়ান এর কাছে বিনীতভাবে লিখেছিলেন প্লেটোর লাইব্রেরীর বইগুলো ধার দেবার জন্য। শুধু বই ধার নেবার জন্য উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন মনি মুক্তার উপহার। এ ঘটনা থেকে বোঝা যায়, মুসলিমদের জ্ঞানের প্রতি কতটা আগ্রহ ছিল এবং তারা কতটা জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
বাইতুল হিকমায় পণ্ডিতদের পরিশ্রমের জন্যই মানবজাতি অতীতের জ্ঞান-বিজ্ঞান সম্পর্কে অনেক কিছুই জানতে পেরেছে; বৃদ্ধি করতে সমর্থ হয়েছে তাদের জ্ঞানের পরিধি। একই সাথে ঘটছে মানবসভ্যতার ক্রমবিকাশ। প্রাচীন মেসোপটেমিয়া, রোম, চীন, ভারত, গ্রীস, মিশর, পারস্য, উত্তর আফ্রিকা, বাইজান্টাইন প্রভৃতি সভ্যতার থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান গ্রহণ, পর্যালোচনা হতো সেখানে। আব্বাসীয় খিলাফতের সময়, ইসলামী সাম্রাজ্য অনেক ক্ষেত্রে এসবের অগ্রগতিতে অবদান রেখেছিল। তৎকালীন সময়ের বিজ্ঞানী আল বাত্তানী, ইবনে সিনা, আবুল কাসিম, ইয়াকূত আল ফারাজি, জাবির ইবনে হাইয়ান, ইবনে খালদুন, ইবনে হায়সাম, গিয়াস উদ্দিন জামশেদসহ অনেক মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে। আল বিরুনীকে তো জ্ঞানের সমুদ্র বলা হয়। তাঁদের বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার যেমন : ত্রিকোণমিতির ধারণা, সংখ্যার আবিষ্কার, বীজগণিত, লগারিদম ইত্যাদি। এসব বিজ্ঞানীদের রচিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে রিসালাতুল মুহিত, কিতাবুল মানাজির (আলোকবিদ্যার গ্রন্থ), কানুন ফিততিব যা চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিশ্বকোষ হিসাবে খ্যাত। এমন শত শত কিতাব রয়েছে। এসব কিতাব জ্ঞানের ভান্ডার খুলে দিয়েছে। জন্ম দিয়েছে আধুনিক বিজ্ঞানের ।
জ্ঞানবিজ্ঞানের পাশাপাশি সাহিত্যেও ব্যাপক বিচরণ রয়েছে মুসলিমদের। তারা সব সময়ই সাহিত্য-সস্কৃতির সমঝদার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। সানাই, আত্তার, জালালুদ্দিন রূমী, জামী, ইবনুল আরবী প্রমুখ কবি সাহিত্যিকগণ কাব্য সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছিলেন। তাদের সাহিত্য বিশ্ব সাহিত্যের দরবারকে গতিশীল ও সমৃদ্ধ করেছে। সূফী কবি শেখ সাদীর অবদানও বিশ্ব কাব্যক্ষেত্রে অপরিসীম। ইস্ফাহানের কবি আবুল ফারাজ তাঁর সংকলিত ‘কিতাবুল আগানী’ তে অসংখ্য কবিতার সমাহার ঘটিয়েছেন। ‘কিতাবুল আগানী’ বিশ্ব দরবারে সমাদৃত। শুধু যে কবি সাহিত্যিকরা বা বিজ্ঞানীরা এ জ্ঞানের জাগরণে অংশ নিয়ে ছিলেন তা নয়। মুসলিম খলিফাদেরও সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে। ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলি (রা)র ‘দীওয়ানে ই আলী’ আরবি সাহিত্যের মূল্যবান সম্পদ। খলিফা মানসুর, খলিফা হারুনুর রশিদ সহ অন্যান খলিফারা জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তাঁদের জন্যই আরবি কবিতা গুলো গ্রন্থ আকারে লিপিবদ্ধ হয়। এমনকি আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) কবি সাহিত্যিকদের উৎসাহিত ও পুরুষ্কৃত করতেন। বিভিন্ন রেওয়াত থেকে জানা যায়, রাসুল (সা:) নিজে হাসসান বিন সাবিত এর কাব্য প্রতিভার প্রশংসা করেছেন। তাঁর কবিতা শুনে রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছিলেন, ‘হে হাসসান, আল্লাহর কাছ থেকে তোমার জন্য পুরস্কার হলো জান্নাত।’ এ সম্পর্কে আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিস থেকে জ্ঞাত হওয়া যায়, হজরত হাসসান বিন সাবিত কবিতা আবৃত্তি শুরু করলে তাঁকে উৎসাহিত করতে কখনো কখনো রাসূলক (সা:) সবাইকে শুনিয়ে বলতেন, ‘হাসসানের জিহ্বা যত দিন রাসুলের পক্ষে কবিতা শুনিয়ে যাবে তত দিন তাঁর সঙ্গে জিবরাইলও থাকবে।’
উপমহাদেশে মুসলিম সাহিত্যে মহাকবি আল্লামা ইকবাল, কবি আলতাফ হোসাইন হালি, মির্যা গালিব, কবি নজরুল ইসলাম কবি ফররখ আহমদেরও রয়েছে কাব্য সাহিত্যে অমূল্য অবদান। এ আলোচনা থেকে আমরা সহজেই অনুমান করতে পারি, আজকের বিশ্ব অগ্রযাত্রায় সর্বক্ষেত্রে মুসলিমদের অবদান অনবদ্য। ইসলামের সোনালী যুগে সকল জ্ঞান বিজ্ঞান মুসলিমদের হাতে উন্নতি লাভ করে এবং জ্ঞানের সত্যিকার সম্প্রসারণ শুরু হয়। মুুসলিমরাই আধুনিক সভ্যতার বীজ বপন করেছিল। কিন্তু ১২৫৮ সালে মঙ্গোলদের দ্বারা বাগদাদ অবরোধ এবং ১৪৯২ সালে ইবেরিয়ান উপদ্বীপের আন্দালুসে গ্রানাডা আমিরাতের পতনের মাধ্যমে স্বর্ণযুগের সমাপ্তি হয়। বিধর্মীদের আগ্রাসন, খেলাফতের বিলুপ্তি হলে মুসলমানদের রচিত গ্রন্থগুলো লুট করা হয় পাশাপাশি এ অমূল্য সম্পদ আগুনে পুড়ে ও পানিতে নষ্ট করা হয় ।
জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে মুসলমানদের রয়েছে এক গৌরবোজ্জল অতীত; যা এক সময় গোটা বিশ্বেকেই আলোকিত করেছিলো। মূলত, মুুসলিমদের মাধ্যমেই জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল কিছুর উদ্ভাবিত হয় এবং তাঁরাই এগুলোর সূচনা করেন। তাঁরা জ্ঞান সমুদ্রের চেয়েও গভীর এবং আকাশের চেয়ে প্রশস্ত প্রমাণ তা করেছেন। কিন্তু সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে, আমরা যে সকল অন্যদের আবিষ্কার বলে ধারণা করছি তার সিংহভাগ আবিষ্কার মুসলিমদের। অথচ আমাদের বিজ্ঞানীদের লেখা বইগুলো অমুসলিম বিজ্ঞানীদের নামে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে। মূলত, উদাসীনতা ও আত্মবিস্মৃতির কারণে সম্প্রতি বিশ্বে মুসলমানরা জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে পিছিয়ে পড়েছে। ফলে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আমরা অনেকটাই পশ্চাদপদ। তাই সময় এসেছে বাস্তবতা উপলব্ধি ও সামনের দিকে এগিয়ে চলার মাধ্যমে জ্ঞান-বিজ্ঞানে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করার। কিন্তু মুসলিম উম্মাহ তাদের অতীত ভুলে বেখেয়াল রয়ে গেছে। তাই আমাদেরকে বাস্তবতা উপলদ্ধি করে আগামী দিনের করণীয় নির্ধারণ করতে হবে। অন্যথায় পশ্চাদপদতা আমাদের জাতি সত্তা ধ্বংস করে দিবে; এমনকি আমরা একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায়ও সমর্থ হবো না; যা কোন ভাবেই প্রত্যাশিত নয়।
লেখক : শিক্ষার্থী, জয়পুরহাট সরকারি মহিলা কলেজ, জয়পুরহাট।