॥ এম এ খালেক ॥

আর মাত্র একদিন পরই আমরা একটি নতুন বছরে পদার্পন করতে যাচ্ছি। আগামীকাল শুরু হবে খ্রিষ্টীয় ২০২৬ সাল। কালের আবর্তে বছর চলে যাবে নতুন বছর আসবে এটাই নিয়ম। সে নিয়মের ধারাবাহিকতায় আসছে নতুন বছর। নতুন বছর আসলেই আমরা পুরনো বছরের অর্জন এবং ব্যর্থতা নিয়ে আলোচনা করি। একই সঙ্গে আগামী বছরের সম্ভাব্য করণীয় সম্পর্কেও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ২০২৫ সাল ছিল একটি পূর্ণাঙ্গ বছর। আমরা যে বছরটি পেরিয়ে এলাম তা কোন সাধারণ বছর ছিল না। এটি ছিল নানা ঘটনা-দুর্ঘটনায় পূর্ণ একটি বছর। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ ধরনের সমস্যা সঙ্কুল বছর আর একটিও আসেনি। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছর ধরে জনমতের তোয়াক্কাবিহীন স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটে। জাতি নতুন স্বপ্নে বিভোর হয়েছিল। কিন্তু স্বৈরাচারমুক্ত পরিবেশে যেভাবে একটি দেশ পরিচালিত হবার কথা ছিল তা আমরা নিশ্চিত করতে পারিনি। কারণ স্বৈরাচারের দোসররা এখনো দেশে অরাজকতা সৃষ্টিতে তৎপর রয়েছে। আমরা যে বছরটি পেরিয়ে এলাম তা ছিল নানা সমস্যা জর্জরিত একটি বছর। পুরো বছর ধরেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছিল অশান্ত-অস্থির। কোনভাবেই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটানো যায়নি।

সাধারণত গণঅভ্যুত্থান বা অস্বাভাবিক অবস্থায় সরকারের পতন ঘটলে কিছুদিন দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হয়। পরে তা স্বাভাবিক হয়ে আসে। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন এবং শেখ হাসিনা দিল্লীতে পালিয়ে যাবার পর দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে অবনতি ঘটে তা এখনো অব্যাহত রয়েছে। বিগত সরকার আমলে পুলিশ বাহিনীতে দলীয় ক্যাডারে পরিণত করা হয়েছিল। এমন কোন কাজ নেই যা তারা করেনি। আওয়ামী লীগের রেখে যাওয়া পুলিশ বাহিনী সঠিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করছে না। অভিযোগ রয়েছে, এক শ্রেণীর পুলিশ সদস্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে সরকারকে বিব্রত করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি দেখেও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। মব সন্ত্রাসের নামে দেশব্যাপী অরাজকতা সৃষ্টি করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করাটাই ছিল বিদায়ী বছরের একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

২০২৬ সালেও আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের ইস্যুটি বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে মনে হচ্ছে। তবে নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিতভাবেই উন্নতি হবে। বিদায়ী বছর (২০২৫) ছিল আন্দোলন-সংগ্রামের বছর। বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন তাদের নানা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে রাজপথ অবরোধ করে আন্দোলন করেছে। বিদায়ী বছরটি ছিল যেন বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের বছর। আমি দেশের একজন সচেতন মানুষ হিসেবে সব সময়ই পেশাজীবীদের ন্যায্য অধিকারের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলাম। সবাই ন্যায্যতার ভিত্তিতে তাদের অধিকার ভোগ করবে এটাই আমার চাওয়া। দেশের মানুষের এ আকাক্সক্ষার প্রতি নিবিড় সমর্থনের কারণেই আমি শিক্ষার্থীদের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সব সময়ই নৈতিক সমর্থন দিয়ে এসেছি। তবে আন্দোলনের নামে যখন তখন রাস্তা অবরোধ এবং যানবাহন আটকে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা নিশ্চয়ই কোন সুস্থ মানুষের কাজ হতে পারে না।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে গত দেড় বছর দেশের সব উন্নয়ন কর্মকা-ে এক ধরনের স্থবিরতা প্রত্যক্ষ করা গেছে। দেশের মানুষের জন্য সবচেয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে দীর্ঘদিন ধরে অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে বিরাজমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি। করোনা উত্তর বিশ^ অর্থনীতি যখন উত্তরণের পর্যায়ে ছিল তখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়। এতে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে যায়। বিশে^র অন্যান্য স্থানের মতো বাংলাদেশও উচ্চ মূল্যস্ফীতি প্রবণতা দেখা দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব আমেরিকার অনুকরণে বাংলাদেশ ব্যাংক পলিসি রেট বৃদ্ধিসহ অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করার পরও উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বিশে^র অধিকাংশ দেশ উচ্চ মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে সক্ষম হলেও আমরা এক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছি। বিগত সরকার আমলে বাংলাদেশ ব্যাংক সরকার সমর্থিক ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে অনৈতিক সুবিধা দেবার জন্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করে যা উচ্চ মূল্যস্ফীতিকে আরো বাড়িয়ে দেয়। গত নভেম্বর মাসে সার্বিক মূলস্ফীতির হার আগের বছরের একই সময়ে তুলনায় কিছুটা কমে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে নেমে এসেছে। কিন্তু একই সময়ে মজুরি বৃদ্ধি হার ছিল ৮ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মজুরি বৃদ্ধি না পাবার কারণে জনদুর্ভোগ কমেনি। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, আগামী জুন মাসের মধ্যে মূল্যস্ফীতির সার্বিক হার ৭ শতাংশে নেমে আসবে। তবে এটা কতটা অর্জনযোগ্য তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। কারণ আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তার প্রাক্কালে বাজারে অর্থ প্রবাহ বেড়ে যাবে। ফলে মূল্যস্ফীতি আরো বৃদ্ধি পেতে পারে।

জিডিপি প্রবৃদ্ধিসহ দারিদ্র্য বিমোচন এবং অর্থনীতির অন্যান্য সূচকের ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জনের ক্ষেত্রে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কোন বিকল্প নেই। কিন্তু ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অনেক দিন ধরেই স্থবিরতা বিরাজ করছে। উদ্যোক্তাগণ নতুন বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ‘ধীরে চলো’ নীতি অনুসরণ করছেন। তারা নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অপেক্ষা করছেন। অর্থনীতির দু’টি ক্ষেত্রে ইতিবাচক ধারা প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে। এর একটি হচ্ছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের স্থিতি এবং দ্বিতীয়টি প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স। গত ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের স্থিতি ছিল ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি। চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে মোট ৫ লাখ বাংলাদেশী বিশে^র বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন। আগের বছর একই সময়ে ৩ লাখ ৯৭ হাজার বাংলাদেশী বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছিল। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে বাংলাদেশ মোট ১৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমতুল্য রেমিট্যান্স আহরণ করতে সক্ষম হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এটা ১৭ দশমিক ১৪ শতাংশ বেশি। ২০২৫ সালে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এগুলো আমাদের অর্জন।

বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে উচ্চ মূল্যস্ফীতি প্রবণতা, মন্থর জিডিপি, ব্যক্তি খাত বিনিয়োগ মন্দা ইত্যাদি যেসব সমস্যা প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে সে জন্য বিগত সরকারের বেশ কিছু ভুল সিদ্ধান্তই দায়ী ছিল। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে বিশ্বব্যাপী পরিবহন সঙ্কট দেখা দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির হার ৪০ বছরের রেকর্ড অতিক্রম করে ৯ দশমিক ১ শতাংশে উন্নীত হয়। ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব আমেরিকা যখন উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য একাধিকবার পলিসি রেট বৃদ্ধি করে। ফলে গ্রাহক পর্যায়ে ব্যাংক ঋণের সুদের হার আনুপাতিকভাবে বেড়ে যায়। উদ্যোক্তা এবং সাধারণ ঋণ গ্রহীতারা ব্যাংক ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। এতে বাজারে অর্থ সরবরাহ কমে যায়, যা উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে বাংলাদেশসহ অন্তত ৭৭টি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক পলিসি রেট বাড়িয়ে দেয়। বাংলাদেশ ব্যাংক একাধিকবার পলিসি রেট বাড়িয়েছে। আগে পলিসি রেট ছিল ৫ শতাংশ। এখন তা বাড়তে বাড়তে ১০ শতাংশে উপনীত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক পলিসি রেট বৃদ্ধি করলেও অনেক দিন পর্যন্ত ব্যাংক ঋণের সুদের সর্বোচ্চ হার ৯ শতাংশ নির্ধারণ করে রাখে। এতে ব্যাংকগুলো ঋণ সংকোচন নীতি গ্রহণ করে। কিন্তু সরকার সমর্থিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী নানাভাবে প্রভাব বিস্তার করে ব্যাংক থেকে ঋণের নামে প্রচুর অর্থ বের করে নেয়। সে অর্থ উদ্দীষ্ট প্রকল্পে ব্যয় না করে অন্য খাতে প্রবাহিত করা হয়েছে। এ অর্থ নানাভাবে বাজারে চলে আসে। ফলে মূল্যস্ফীতি প্রবণতা না কমে বরং আরো বেড়ে যায়। বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে।

একইভাবে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতি মার্কিন ডলারের বিনিময় হার ১১০ টাকা নিার্ধরণ করে রাখে। অজুহাত দেখানো হয়, মার্কিন ডলারের বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করা হলে স্থানীয় মুদ্রার ব্যাপক দরপতন হবে। এতে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাবে। কিন্তু পরবর্তীতে যখন বাংলাদেশ ব্যাংক মার্কিন ডলারের বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করে তখন কিছুদিনের মধ্যেই মার্কিন ডলারের মূল্য স্থিতিশীল হয়ে আসে। মার্কিন ডলারের বিনিময় হার ১১০ টাকায় ফিক্সড করে রাখার ফলে একটি বিশেষ মহল তুলনামূলক কম মূল্যে ব্যাংক থেকে মার্কিন ডলার ক্রয় করার সুযোগ পায়। এ অর্থ নানাভাবে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিনিময় হার ১১০ টাকায় ফিক্সড করে রাখার ফলে রেমিট্যান্স আহরণে প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কার্ব মার্কেটে প্রতি মার্কিন ডলার ব্যাংক রেটের চেয়ে ১২/১৪ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রি হচ্ছিল। প্রবাসী বাংলাদেশীরা ব্যাংকিং চ্যানেলের পরিবর্তে হুন্ডির মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রেরণ করতে থাকে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশ ব্যাংকে নতুন গভর্নর নিয়োগ দেয়া হয়। এ সময় মার্কিন ডলারের বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করা হয়। ফলে রেমিট্যান্স প্রবাহে চমৎকার গতিশীলতা হয়। গত অর্থবছরে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ৩১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স আয় করতে সমর্থ হয়।

বর্তমানে দেশের অর্থনীতিতে যে সমস্যা বিরাজ করছে ২০২৬ সালে তা আরো গভীর হতে পারে। এ মুহূর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের পলিসি রেট কমানোটা খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। কারণ পলিসি রেট কমানো না হলে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়বে না। আর ব্যক্তি খাতে কাক্সিক্ষত মাত্রায় বিনিয়োগ না হলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি কার্যক্রম বিঘিœত হতে বাধ্য। দেশের ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাগণ পলিসি রেট কমানোর জন্য দাবি জানিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, আগামী জুনের মধ্যে মূল্যস্ফীতির হার ৭ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। মূল্যস্ফীতির হার ৭ শতাংশে নেমে এলে পলিসি রেট কমানো হবে। কিন্তু এটা মোটামুটি নিশ্চিত করেই বলা যেতে পারে আগামী জুনের মধ্যে মূল্যস্ফীতির হার ৭ শতাংশে নেমে আসবে না বরং এ সময় মূল্যস্ফীতি বিদ্যমান হারের চেয়ে আরো বেড়ে যেতে পারে। ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যে স্থবিরতা বিরাজ করছে আগামীতে তা আরো গভীর হতে পারে। ২০২৬ সাল হবে বাংলাদেশের জন্য একটি অস্থির বছর। রাজনৈতিক নানা টানাপোড়েন দেশের স্বাভাবিক চলার গতিকে বিপর্যস্ত করে দিতে পারে। বাংলাদেশ ২০২৬ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশের চূড়ান্ত তালিকায় উত্তীর্ণ হতে যাচ্ছে। উন্নয়নশীল দেশের চূড়ান্ত তালিকায় উত্তীর্ণ হলে বাংলাদেশকে প্রতি বছর ৭ থেকে ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় হারাতে হবে। রেমিট্যান্স প্রবাহও কমে যেতে পারে। সে অবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভে সংকট তৈরি হতে পারে। সব মিলিয়ে ২০২৬ সাল আমাদের দেশের অর্থনীতির জন্য কোন সুসংবাদ বয়ে আনবে বলে মনে হয় না।