মুন্সী আবু আহনাফ
বাংলাদেশে এখন বইছে ভোটের হাওয়া। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৯৮টি আসনের ১৯৮১ জন প্রার্থী ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। ৩১টি আসনে তুমুল লড়াই হবে, এই ৩১টি আসনে জামায়াত ও বিএনপির মধ্যে যে দল বেশি আসন পাবে সেই দলই সরকার গঠন করবে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। গত সাড়ে ১৫ বছর পর মানুষ ভোট দিতে পারবে বলে সারাদেশে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ভোটকে উসৎবময় করতে সরকারও তিনদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। নির্বাচন যদি হাড্ডাহাড্ডি হয়, তাহলে বিএনপির জিতারও সম্ভাবনাও রয়েছে। কিন্তু জামায়াত যদি জেতে, সেখানে তারা ল্যান্ডস্লাইড জয় পাবে। যেমন ল্যান্ডস্লাইড জয় পায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রশিবির। এবার নির্বাচনে সে রকম কিছু হলে অবাক হওয়ার কিছুই নেই। কিভাবে সেটা একটু সোজা ভাষায় যদি বলি, জামায়াতের সারাদেশে ১৫% এর বেশি ভোট আছে। এবার প্রায় সাড়ে চার কোটি তরুণ ভোটার জীবনের প্রথম ভোট দিবে এবং মোট ভোটারের অর্ধেক নারী ভোটার। এই দুই শ্রেণির কাছে গত ছয় মাসধরে জামায়াত-ছাত্রশিবির, ছাত্রীসংস্থা ও শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশনের ২ কোটি সমর্থক ও প্রায় আড়াই লাখ রুকন (সদস্য) বার বার যাচ্ছেন এবং দাঁড়িপাল্লা ও গণভোটে হ্যাঁপক্ষে ভোট চাইছেন। এ দুই শ্রেণির ভোটার অর্থাৎ নারী ও তরুণ ভোটারদের থেকে জামায়াত ১৫% এর বেশি সুইং ভোট টানতে পারে। তাহলে জামায়াতের মোট ভোটের পার্সেন্ট দাঁড়ায় ৩০%। এ ৩০-৩৫% ভোট জামায়াত পেতে পারে তা বিভিন্ন জরিপে ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। জামায়াতের ভোট ব্যাংক হলো খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ৩৬টি আসন, রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার ৩৯টি আসন ও রংপুর বিভাগের আট জেলায় ৩৩টি আসন। এই তিন বিভাগের ১০৮টি আসনের মধ্যে জামায়াতের বিশাল জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে অনেক সংবাদ মাধ্যমে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে।
আর সারাদেশের অন্য বিভাগগুলোর হিসেব করলে আপাতত ফ্রন্টরানার হিসেবে থাকা বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছে জামায়াতে ইসলামী। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও কয়েকটি ইসলামি দলের সমন্বয়ে গঠিত একটি নতুন নির্বাচনী জোটের মাধ্যমে জামায়াত নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলো জামায়াতের উত্থানকে আরও স্পষ্ট করেছে। বিশ্বে বিভিন্ন মিডিয়া ফলাও করে সে খবর প্রচার করছে যে, জামায়াত ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা অনেক বেশি। গত ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের এক জরিপে বিএনপির জনসমর্থন ৩৩ শতাংশ এবং জামায়াতের ২৯ শতাংশ বলে উঠে আসে। এরপর চলতি মাসে প্রকাশিত দেশীয় কয়েকটি সংস্থার যৌথ জরিপে ব্যবধান আরও কমে গিয়ে বিএনপির সমর্থন ৩৪ দশমিক ৭ শতাংশ এবং জামায়াতের সমর্থন ৩৩ দশমিক ৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াত যদি এবারের নির্বাচনে জয়ী হতে পারে, তবে তা হবে দলটির জন্য এক নাটকীয় ঐতিহাসিক রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন।
আর এইসব হিসাব-নিকাশের নাটকীয়তা শেষ হতে না হতেই জামায়াত ‘পলিসি সামিট’ নামে দিলো নতুন চমক। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘নতুন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’-এর জন্য নীতিগত রূপরেখা ও ভবিষ্যৎ ভাবনা তুলে ধরেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতসহ ৩০ দেশের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে উপস্থাপিত রূপরেখায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, নতুন শিল্পোদ্যাক্তাদের জন্য তিন বছর ফ্রি গ্যাস-বিদ্যুৎ, কৃষক ও গ্র্যাজুয়েটদের জন্য সুদমুক্ত ঋণ সুবিধা, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য স্মার্ট সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড চালু এবং স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৬-৮% বরাদ্দের ঘোষণা দেয়া হয়।
গত মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি রাজধানীর একটি হোটেলে জামায়াত আয়োজিত পলিসি সামিট-২০২৬-এ এই রূপরেখা উপস্থাপন করেন দলটির আমীর ডা. শফিকুর রহমান। পলিসি সামিটে গণতান্ত্রিক রূপান্তর, নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষায় সমান অধিকার, তরুণদের কেন্দ্র করে রাষ্ট্র সংস্কার, সংখ্যালঘুদের অধিকার ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও মানবিক মর্যাদাকে দেশের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রাখার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়।
জামায়াতের পলিসি সামিটের উল্লেখ্যযোগ্য অংশ হলো: মেধাভিত্তিক এক লাখ শিক্ষার্থীর জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা ঋণ, প্রতিবছর বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০০ শিক্ষার্থীকে সুদমুক্ত লোনে সরকারিভাবে প্রেরণ, যাতে মেধাবী গরিবের সন্তানও হার্ভার্ড, এমআইটি, অক্সফোর্ড, ক্যামব্রিজে পড়তে পারে। ইডেন ও বদরুন্নেসা কলেজ একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, ৬০ বছরের ঊর্ধ্বের বয়স্ক ও ৫ বছরের নিচে শিশুদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বন্ধ কলকারখানা পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে চালু এবং ১০% মালিকানা শ্রমিকদের প্রদান, ৬৪ জেলায় ৬৪টি বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা, সকল শিশুর জন্য বিনামূল্যে খাদ্য সরবরাহ, ‘ফার্স্ট হান্ড্রেড ডেইজ প্রোগ্রাম’-এর আওতায় প্রসূতি নারী ও মায়েদের বিনামূল্যে সেবা ও সহায়তা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, ট্যাক্স ও ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) বর্তমান হার থেকে ক্রমান্বয়ে কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদে ট্যাক্স ১৯ শতাংশ ও ভ্যাট ১০ শতাংশে নিয়ে আসার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। জামায়াতের প্রস্তাব সারাদেশে আলোচনার ঝড় তুলেছে। যা এবার ভোটে নারী, বৃদ্ধ ও তরুণ ভোটারদের দারুণ ভাবে প্রভাব ফেলবে।
এবার আসি ভোট ব্যাংক নিয়ে, জামায়াত ও বিএনপির কিছু নির্দিষ্ট ভোটব্যাংক আছে। বিএনপির ভোট ব্যংকের মধ্যেও এতদিন জামায়াতের একটা বড় অংশ ছিলো, যারা এন্টি আওয়ামী ভোটার। এর বাইরে, জামায়াত মূলত মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্তের দল। সমাজের এলিট ও ব্যবসায়ী শ্রেণিতে জামায়াতের এক্সেস (প্রভাব) কম। কিন্তু পলিসি সামিটে জামায়াত যে পলিসিগুলো এনেছে, সেগুলো বাস্তবায়ন হলে তিনটি জায়গায় তাদের ভোটব্যাংক বাড়বে এবারের নির্বাচনে। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ব্যবসায়ীরা। ইতিমধ্যে তারা জামায়াতের পলিসি সামিটের প্রস্তাবগুলো নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে। কারণ মানুষ একটি পরিবর্তন চায়, তারা আর পুরোনো বন্দোবস্তে ফিরে যেতে চায় না। ব্যবসায়ীরা মূলত একটি দেশের ক্ষমতার অন্যতম নিয়ন্ত্রক। এরা অনেকটা সিন্ডিকেটের মতো, যারা আওয়ামী লীগের পরে বিএনপির মধ্যে আশ্রয় খুঁজছিল। জামায়াত যেসব সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, সেগুলো ব্যবসায়ীদের ভাবাতে বাধ্য করবে। হয়তো জামায়াতের পক্ষে তারা সরাসরি ক্যাম্পেইন করবে না, কিন্তু আল্টিমেটলি লাভ-লসের হিসাব কষে তারা নিউট্রাল হয়ে যেতে পারে। আর তারা নিউট্রাল হয়ে যাওয়া মানেই সেটি জামায়াতের ফেভারে কাজ করা। আর এতেই সৌভাগ্যের বরপুত্র হিসেবে কাজ করবে জামায়াতের পলিসি সামিট। কারণ মানুষ বিশ্বাস করে জামায়াত যে প্রতিশ্রুতি দেয় তারা তা রক্ষা করবে।
নারীদের ব্যাপারে আমার ধারণা হচ্ছে নারীদের বড় একটি অংশ জামায়াতের পক্ষ নিতে যাচ্ছে। বিশেষ করে জামায়াতের হেলথ বেনিফিট পলিসি আসার পরে এই হার বাড়বে, কমবে না। কারণ সারাদেশের মানুষের মধ্যে নারীরাই চিকিৎসা সেবা পেতে বেশি ভোগান্তির শিকার হয় অথবা সুচিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হয়। সেক্ষেত্রে বিএনপির ফ্যামিলি কার্ড-এর চেয়ে জামায়াতের হেলথ পলিসি বেশি কার্যকর বলে মনে করছে ভোটরা। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ভাতা দিতো, বিএনপি ভোটের আগে ফ্যামিলি কার্ড-এর ঘোষণা দিয়েছে চার কোটি পরিবারকে। যার টাকার পরিমান দেখে ঘুরে মাথা। বিএনপির এই ঘোষণা আদৌ কি বাস্তবায়ন সম্ভব নাকি সব ফাঁকা আওয়াজ? আসুন দেখে নেয় টাকার পরিমাণ কত দাঁড়ায়। প্রতি মাসে ৪ কোটি কার্ডধারীকে আড়াই হাজার টাকা করে দেয় তবে ১০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন। আর বছরে ১ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকার দরকার। বাংলাদেশে সেটা কি আদো বাস্তবায়ন সম্ভব? এই নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অনেক ভোটারই বলছে এটা বিএনপির ভোট টানার কৌশল ছাড়া আর কিছু নয়, ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়ানোর মতো।
উদ্যোক্তা এবং ফ্রিল্যান্সাররাও জামায়াতের দিকে ঝুঁকতে পারে। কারণ এখানেও জামায়াতের ভালো কিছু পদক্ষেপ নেয়ার সম্ভাবনা আছে। ২ মিলিয়ন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি নিশ্চিতকরণ এবং ন্যাশনাল পেমেন্ট গেটওয়ে নিঃসন্দেহে লোভনীয় প্রস্তাবনা। ডা. শফিকুর রহমান সামিটে বলেন, দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন টিকে থাকা নয়, বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। গত ১৭ বছরে শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতা ও কর্তৃত্ববাদী চর্চার কারণে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, জবাবদিহি কমেছে এবং নাগরিকদের কণ্ঠস্বর সংকুচিত হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে আবারও জনগণ বিশেষ করে তরুণরা নিজেদের অধিকার ও ভবিষ্যৎ পুনরুদ্ধারের দাবিতে দাঁড়িয়ে গেছে। দীর্ঘদিনের কর্তৃত্ববাদী শাসনের পর বাংলাদেশ এখন একটি সংবেদনশীল গণতান্ত্রিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে আসন্ন নির্বাচন শুধু একটি রাজনৈতিক আয়োজন নয়, বরং ১৮ কোটির বেশি মানুষের দেশের জন্য শাসনব্যবস্থার নতুন দিশা নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।
জামায়াতের আরও একটি দারুণ পরিবর্তন আমি দেখতে পেলাম। সম্প্রতি ‘সামিরস্কেইন’ নামের একটি পডকাস্ট চ্যানেলে আরমান ভাই এবং সাদিক কায়েম গেস্ট হিসেবে এসেছিলেন। সামিরস্কেইন যে ঘরানার পডকাস্ট বানান বা উনার মাস অডিয়েন্স যে শ্রেণির সেটি খুব ইন্টারেস্টিং একটি ইন্টারসেকশন। তারা মূলত আরবান ইউথ এবং ওয়েস্টার্ন লিনড (পাশ্চাত্য ঘেঁষা) সোসাইটি। সেখান থেকে এসে জামায়াতের রাজনীতি নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করা বা শোনা সহজ কিছু না। সামির সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি সাদিক কায়েমের কথা উল্লেখ করে বলেছেন যে, “উনার কথা একটি আশা জাগায়, বিশ্বাস করতে ইচ্ছা করে”এটি স্রেফ একটি গালভরা স্টেটমেন্ট না; এটি একটি ডিপ-রুটেড বিশ্বাস থেকে এসেছে, যা অনেক কাঠখড় পোড়ানোর পর জায়গা করে নিয়েছে। সব মিলিয়ে আমার ধারণা, power is going to turn! কারণ জামায়াতের পলিসি সামিটে গণতান্ত্রিক রূপান্তর, নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষায় সমান অধিকার, তরুণদের কেন্দ্র করে রাষ্ট্র সংস্কার, সংখ্যালঘুদের অধিকার ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও মানবিক মর্যাদাকে দেশের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রাখার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়। এখনো কোনো মেইনস্ট্রিম মিডিয়া ইলেকশন নিয়ে রিয়েলিস্টিক কোনো সার্ভে করতে পারছে না, কারণ ট্র্যাডিশনাল ফ্যাক্টরের বাইরে এই নববিকশিত সিনারিওগুলো তারা ধরতে পারছে না।
পরিশেষে বলা যায়, আসন্ন সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দলটি নতুন সমর্থকও টানছে। মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশে ২০২৪ সালের আগস্টের অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। এরপর জামায়াত নিজের রাজনীতির নতুন রূপ দেখানোর চেষ্টা করছে। পলাতক মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামি ও জুলাই গণহত্যাকারী শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়ায় জামায়াত ‘দুর্নীতিবিরোধী’ ভাবমূর্তি, ‘কল্যাণমূলক ও ইনসাফ ভিত্তিক কার্যক্রমের’ পাশাপাশি কিছু বিশ্লেষকের ভাষায় বলা যায় ইতিহাসের সেরা নির্বাচনী ফল আশা করছে জামায়াত।
লেখক : রাজনৈতিক বিশ্লেষক