॥ হারুন আর রশিদ ॥

দেশের একাধিক দৈনিকের জরিপে জানা গেছে রাজধানীতে একদিনে ৩০০০ স্পট থেকে নি¤œতম একশত কোটি টাকার চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটে। তাহলে প্রতিমাসে ৩ হাজার কোটি টাকা এবং বছরে ৩৬,০০০ কোটি টাকা চাঁদাবাজি হয়। এ টাকা দিয়ে রাজধানীর যাতায়াত ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন ও সংস্কার সম্ভব। যাতায়াত ব্যবস্থার সমষ্টিক অবকাঠামো উন্নয়ন চাঁদাবাজির টাকা দিয়েই সম্ভব। চাঁদাবাজির একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী ৮ হাজার সিটি বাস, প্রতিটি ৮০০ টাকা করে চাঁদা ওটে ৬৪ লাখ টাকা। ৬০ হাজার দূরপাল্লার বাস প্রতিটি বাস ৫০০ টাকা করে চাঁদা দেয় ৩ কোটি, ১৮ হাজার অটোরিকশা থেকে চাঁদা ওঠে ২৭ লাখ। ১২ লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা থেকে চাঁদা ওঠে ১৫ কোটি। প্রতিদিন প্রায় ২০ কোটি টাকা চাঁদাবাজরা শুধু পরিবহন সেক্টর থেকে অবৈধভাবে আদায় করে। কোনো দলের বা কেউ কেউ বলেন এটা চাঁদাবাজি নয় সমঝোতা। তাহলে প্রশ্ন সমঝোতার কি সরকারি লাইসেন্স আছে? নাহলে কিভাবে বুঝবো এটার বৈধতা আছে। সরকারি প্রজ্ঞাপনে কোথায়ও লেখা নেই সমঝোতার মাধ্যমে বা ম্যানেজ করে চাঁদাবাজি করা যাবে। মূলত এভাবেই একটি গোষ্ঠী বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। ২৫ মার্চ একটি জাতীয় দৈনিকে বেরিয়েছে বিগত ২০ দিনে কয়েক হাজার চাঁদাবাজি ও শিশু এবং নারী ধর্ষণ ১৩০ জন যা অতীত ইতিহাসের রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। ২৫ ফেব্রুয়ারি মিডিয়ায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিএনপির শীর্ষ নেতা গায়েস্বর চন্দ্র রায় বলেছেন দুর্নীতি এখন ঈদের বকশিসে পরিণত হয়েছে। দুর্নীতি রোধ করতে না পারলে ভেঙে পড়া অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করা যাবে না। আমাদের এখান থেকে বের হয়ে আসতে হবে। একেবারে না পারলেও সহনশীল পর্যায়ে দুর্নীতি নামিয়ে আনতে হবে। পরে আস্তে আস্তে জিরো টলারেন্সে যেতে হবে।

ঢাকা মহানগরীতে মোটা অংকের চাঁদাবাজি হয় গাড়ি পার্কিং কে ঘিরে। বাংলাদেশ ‘পুলিশ করাপশনে’ এক নম্বরে আছে এটা আন্তর্জাতিক মিডিয়ার খবর। সম্প্রতি আমীরে জামায়াত এবং সংসদে বিরোধী দলীয় শীর্ষ নেতা ডা. শফিকুর রহমান গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন একজন ভিক্ষুককে বললাম আজ তোমার কতটাকা রোজগার হয়েছে, সে উত্তর দিল ২২০০ থেকে ২৫০০ টাকা। ভালই তো ইনকাম। ভিক্ষুক আরও বললো এই টাকা থেকে আমার ৪০০ টাকা দিতে হয় কিছু লোকদের (বুঝে নেবেন)। নাহলে পরের দিন আমাকে এখানে বসতে দিবে না, বিষয়টি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইর‍্যাল হয়ে যায়। বোঝা গেল চাঁদার দৌরাত্ম্য পেশাদার ভিক্ষুক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। মোহাম্মদপুর এলাকার একজন পেশাদার ভিক্ষুককে জিজ্ঞাসা করলাম তোমার ছেলেমেয়ে কয়জন বললো এক ছেলে এক মেয়ে। তারা কী করে, বললো দুজনেই আরব রাষ্ট্রে চাকরি করে। জামাই আজকে আসবে তাই বড় একটা বোয়াল মাছটা কিনলাম। বাসাভাড়া কত দেন ২৫ হাজার। থাকি বছিলায়। আল্লাহ খুব ভালো রেখেছেন। বললাম আপনার তো ভিক্ষা করা লাগেনা। ভিক্ষা করে স্বামী স্ত্রী যা পাই তা চাকরি করলে পেতাম না। এটা আমাদের অনেক দিনের পুরনো ব্যবসা। এভাবেই ঢাকায় পেশাদার ভিক্ষুক জ্যামেতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। উদ্দেশ্য বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হওয়া। এ পেশায় ইদানিং বড়ধরনের বাণিজ্যিক সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছ। ভিক্ষুক কেনাবেচা হয় ঢাকা মহানগরীতে, এদের হাত জেলা উপজেলা বিভাগীয় শহর এবং গ্রাম গঞ্জে প্রসারিত হয়েছে।

দৈনিক ইনকিলাব ২ মার্চ লিড নিউজ করেছে, চট্টগ্রামে পুলিশ পাহারায় থাকা ব্যবসায়ীর বাসায় ১০ কোটি টাকা চাঁদাবাজি ঘটনা ঘটেছে, বাইরে মুহু মুহু গুলির শব্দ শোনা গেছে। এখনো ফুটপাতের একজন বাদাম বিক্রেতাকে দিতে হয় ৩০০ টাকা চাঁদা । নগরীর প্রতিটি এলাকায় ফুটপাতের দুই পার্শ্বে দৈনিক ৫০০-৬০০ টাকা জনপ্রতি চাঁদা দিতে হয় তাদের অবৈধ ব্যবসা ঠিকিয়ে রাখার জন্য। আরেকটি হলো রাস্তায় যত্রতত্র গাড়ি পার্কিংকে ঘিরে বিশাল সিন্ডিকেট সাম্রাজ্য। বড়মাপের অংক এ চাঁদাবাজি থেকে আসে। এ ধরনের চাঁদবাজিতে নিহত ও আহতের ঘটনাও কম নয়। জানমালের ক্ষয়ক্ষতি রাষ্ট্রের সামষ্টিক অর্থনীতির ক্ষতিকেও আরো বাড়িয়ে তোলে। আমরা একটি বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে বসবাস করছি। ফুটপাতে একজন বই ও ফুল বিক্রেতাকে দৈনিক ৫০০ টাকা চাঁদা দিতে হয়। একজন বিদেশি পর্যটক এসব দেখে বললো তোমাদের দেশে এতো ফকির কেন। বিশ্বের কোনো দেশে বাংলাদেশের মতো চাঁদাবাজি হয় না। সমুদ্রের পারেও ফকিরের যন্ত্রণা থেকে নিস্তার নেই, অফিস আদালতে এমনকি চলন্ত যানবহনে ভিক্ষুকদের উপদ্রব চরম আকার ধারণ করেছে। পর্যটকও বুঝতে সক্ষম হয়েছে এর পেছনে সরকারি প্রশাসনের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। পর্যটক বললো তোমাদের দেশে পলিটিকাল পার্টি যেমন বেশি ঠিক তেমনি অবৈধ আয়ের মানুষও বেশি। এ সংবাদ পত্রিকায় এসেছে।

চাঁদাবাজিটা কী? চাঁদাবাজি হলো জোরপূর্বক কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর কাছ থেকে সুবিধা আদায় যেমন অর্থ, জিনিসপত্র বা নিয়মিত চাঁদা আদায় করার একটি প্রক্রিয়া, সেখানে সাধারণত ভবিষ্যতে মানসিক বা শারীরিক ক্ষতিসাধনের হুমকি দেওয়া হয়। অধিকাংশ আইনি ব্যবস্থায় এটি একটি ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

চাঁদাবাজি বাংলাদেশে পুরোপুরি দমন না হওয়ার পেছনে রাজনৈতিক ছত্রছায়া, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার শিথিলতা, বিচারহীনতার সংস্কৃতি এবং স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের সম্পৃক্ততা প্রধান কারণ। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাথে সাথে চাঁদবাজদের হাতবদল হলেও,চাঁদাবাজির ধরণ কেবল পরিবর্তিত হয়, কিন্তু শিকর উপড়ে ফেলা কঠিন হয়ে পড়ে। এবং চাঁদাবাজির শাখা প্রশাখা আরো বৃদ্ধি পায়। ৫৫ বছর ধরে বাংলাদেশ এভাবেই চলছে। তবে ৫ আগষ্টের পর কিছু সময়ের জন্য চাঁদাবাজি কমে আসলেও, তা শতভাগ বন্ধ হয়নি। উল্টো পূর্বে একজনকে চাঁদা দিতে হতো,এখন তা ৪-৫ জনের মধ্যে ভাগ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও পরিলক্ষিত হচ্ছে।

চাঁদাবাজদের জন্য অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা: দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সবজি, মশলা, মাছসহ নানান পণ্য প্রতিদিন শতাধিকের উপড় ট্রাক ও পিকআপ ভ্যান আসে ঢাকার সবচেয়ে বড় কাঁচা বাজার কারওয়ান বাজারে। বাজারে পণ্য আনার যাত্রাপথে একাধিক জায়গায় চাঁদার টাকা দিতে হয়। কাওরান বাজারে পণ্য আনার পর দুই ধাপে চাঁদার টাকা দিতে হয় বলে জানিয়েছেন গাড়ি চালক ও ব্যবসায়ীরা। এর মধ্যে গাড়ি রাখার জন্য প্রথম ধাপে আকারভেদে দিতে হয় দুই শত থেকে তিনশত টাকা। এরপর পণ্য খালাস করার জন্য ফের ট্রাকপ্রতি গুনতে হয় কমপক্ষে এক হাজার টাকা। সাধারণত ঢাকার বাইরে থেকে যারা পণ্য নিয়ে বাজারে আসেন টাকাটা তাদের পকেট থেকেই যায় বলে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে। এসব চাঁদাবাজির কারণে ঢাকায় আসার সবজির দাম বেড়ে যায়। না হলে পোষাবে কী-করে?” বিবিসি বাংলাকে বলেছিলেন ব্যবসায়ী আমজাদ আলী। ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় মি.আলি নিজের প্রকৃত নাম প্রকাশ করতে চাননি। তিনি বলেছিলেন যে, গণআন্দোলনের মুখে গত পাঁচই অগাস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর কিছুদিন কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজি বন্ধ ছিল। কারণ তখন ছাত্রদের ভয়ে কেউ সাহস পাইতোনা। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী পরিচয়েই এখন চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। বাজারের একজন আড়তদার বলছিলেন একেক সময় একেক গ্রুপ আসতো যেমন শ্রমিক দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল এবং ছাত্রদল। কয়জনকে টাকা দিমু? ওগো জ্বালাই আমরা অতিষ্ট, বিবিসি বাংলাকে বলেন ওই আড়তদার। কনজুমার এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ক্যাব) সূত্র বলছে বাংলাদেশে ভয়াবহ চাঁদাবাজির কারণে দুই শ্রেণির মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। এক হলো যারা শস্য ও সবজি ফলানো কৃষক, তারা কম দামে তাদের শস্য পণ্য বিক্রি করে। দ্বিতীয় হলো যারা বেশি দামে পণ্যসামগ্রী কেনেন। এ জন্য ১৫ টাকার পেঁয়াজ ৬০ টাকায় বিক্রয় হয়। ১৫ টাকার বেগুন বাজারে বিক্রি হয় ৬০ থেকে ৮০ টাকা। চাঁদাবাজির জঠিল সমীকরণে ভুক্তভোগী একমাত্র কৃষক এবং ক্রেতাসাধারণরা। মধ্যস্বত্বভোগী বা সিন্ডিকেট চাঁদাবাজিরাই সবসময় ভাল থাকে। (তথ্য সূত্র: বিবিসি বাংলা ২৪ মার্চ ২০২৫)।

চাঁদাবাজির বিপরীতে, ডাকাতি হলো তাৎক্ষণিক শারীরিক সহিংসতা বা তার হুমকির মাধ্যমে মালামাল ছিনিয়ে নেওয়া যা সাধারণত একটি এককালীন বা আকস্মিক ঘটনা হিসেবে ঘটে থাকে। চাঁদাবাজি সাধারণত সংঘটিত অপরাধ দ্বারা অনুশীলন করা হয়। আইনের দৃষ্টিতে চাঁদাবাজি বলতে রাজনৈতিক দুর্নীতিকে বোঝানো যেতে পারে, যেমন সরকারি পদ ব্যবহার করে সুবিধা নেওয়া অথবা ক্ষমতার প্রভাব খাটানো। তবে সাধারণত এই পরিভাষাটি ব্ল্যাক মেইল বা চাঁদাবাজির মাধ্যমে জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের দিকটি মনে করিয়ে দেয়। কোনো ব্যক্তি যদি তার সরকারি পদ বা ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষ দাবি করে, তাহলে প্রকৃতপক্ষে সেটি ব্ল্যাক মেইল বা চাঁদাবাজিরই একটি রূপ। চাঁদাবাজিকে বলপ্রয়োগমূলক আদায় নামেও অভিহিত করা হয়। জোরপূর্বক ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অর্থ বা সম্পদ আদায়ের প্রথা। ইসলামের দৃষ্টিতে চাঁদাবাজি সম্পূর্ণ হারাম, জঘন্যতম কবিরা গুনাহ এবং অন্যায় জুলুম। এটি দস্যুতা বা ডাকাতির শামিল, যা সামাজিক নিরাপত্তা ধ্বংস করে। চাঁদাবাজিতে সহযোগিতা করা বা নির্দেশ দেওয়া সবই সমান অপরাধ। আল্লাহ তা’আলা অত্যাচারী ও কারোর উপর অন্যায়মূলক আক্রমণকারীর শাস্তি দুনিয়াতেই দিয়ে থাকেন। উপরন্তু আখেরাতের শাস্তিতো রয়েছেই। কোনো প্রভাবশালী চক্র কর্তৃক জোর পূর্বক কাউকে কোথাও নিজ কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার জন্য অথবা নিদিষ্ট স্থান অতিক্রম করা ইত্যাদির জন্য নির্দিষ্ট অথবা অনির্দিষ্ট পরিমানে চাঁদা দিতে বাধ্য করাকে সাধারণত চাঁদাবাজি বলা হয়। দস্যুতার সাথে এর যথেষ্ট মিল রয়েছে। চাঁদা উত্তোলনকারী, চাঁদা লেখক ও চাঁদা গ্রহণকারী সবাই উক্ত গুনাহর সমান অংশীদার। এরা যালিমের সহযোগী অথবা সরাসরি যালিম। হাদিসে এসেছে যালিমদের জন্য দুনিয়া পর্যন্ত সময় দেওয়া হচ্ছে। মৃত্যুর পর তার কঠিন শাস্তি শুরু হবে। যে শাস্তির শুরু আছে শেষ নেই।

চাঁদাবাজি প্রতিরোধে করণীয় : চাঁদাবাজি প্রতিরোধ ও বন্ধ করতে সমন্বিত সামাজিক ও বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি যেমন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা বৃদ্ধি করা, ইসলামি মূল্যবোধ ও নৈতিক শিক্ষার প্রচার চালানো, আইনের কঠোর প্রয়োগ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা, রাজনৈতিক প্রশ্রয় ও হস্তক্ষেপ বন্ধ করা, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, দুর্নীতিমুক্ত পুলিশ প্রশাসন ও তাদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা, চাঁদাবাজির অপরাধে গ্রেফতারকৃতদের জেলখানায় নৈতিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা এবং দলমত নির্বিশেষে একতাবদ্ধ হয়ে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তোলা। বর্তমান চাঁদাবাজি সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে পড়া এক ভয়ানক ব্যাধি যা কেবল আর্থিক ক্ষতি নয়, বরং সামাজিক ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তার ভিত্তিমূলকেও ধ্বংস করে দিচ্ছে। তাই এটা বন্ধ করতেই হবে।

লেখক : গ্রন্থকার ও প্রাবন্ধিক।