আসিফ আরসালান
বাউল আবুল সরকারের ধর্মবিরোধী উক্তিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা যে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন সে প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একটি মারাত্মক উক্তি করেছেন। এ উক্তি পড়ে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস ‘কপালকুণ্ডলার’ একটি উক্তি মনে পড়ে গেলো। উক্তিটা হলো, “পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছো?” মির্জা ফখরুলের উক্তি নিয়ে মন্তব্য করার পূর্বে কপালকুণ্ডলার ঐ উক্তির পটভূমি সংগ্রামের পাঠকদেরকে জানানো প্রয়োজন বলে মনে করছি।
উপন্যাসের নায়ক নব কুমার। অন্ধকার বনমধ্যে একা একা পথ চলিতেছিল। চারিদিকে মৃত্যুনিরবতা। হঠাৎ দূর হইতে যেন একটি মৃদু কণ্ঠস্বর শুনিতে পাইল-
“পথিক, তুমি কি পথ হারাইয়াছো?”
নবকুমার চমকিয়া উঠিল।
চারিদিকে চাহিয়া দেখিল, কেহ নাই।
কণ্ঠস্বর পুনরায় ধীরে ধীরে উচ্চারিত হইল-
“পথিক!”
নবকুমার বলিল, “কে?”
এইবার একটি যুবতী অরণ্যের অন্ধকার ছেদন করিয়া
শ্বেতবস্ত্র পরিহিতা হইয়া আগাইয়া আসিল।
সে বলিল-
“তুমি কি ভ্রান্ত? পথ কি জান না?
এই অরণ্য ভয়ঙ্কর, এখানে মৃত্যুই আপনার ছায়া বিস্তার করে আছে।
এসো-আমি তোমাকে পথ দেখাই।”
নবকুমার বিস্মিত হইয়া তাহার মুখের দিকে চাহিয়া রহিল।
তুস বলিল-
“আমি মানুষের দুঃখ জানি না,
কিন্তু পথভ্রষ্টকে পথ দেখাইতে আমার আনন্দ।”
বাউল আবুল সরকারের চরম ধর্মদ্রোহী উক্তিকে সমর্থন করতে গিয়ে মির্জা ফখরুল আওয়ামী ঘরানা, উদীচী, সিপিবি ঘরানা প্রভৃতি ঘরানার বয়ান তার মুখ দিয়ে উচ্চারণ করেছেন। আবুল সরকার মানিকগঞ্জে ধর্ম, আল্লাহ সোবহানাহু ওয়াতাআলা এবং ইসলামের বিরুদ্ধে যে চরম উক্তি করেছেন তা ইতিপূর্বে আর কেউ করেননি। তার বক্তব্যের হুবহু কপি আমাদের কাছে রয়েছে। সেটি আর এখানে উদ্ধৃত করলাম না। তবে আমি অত্যন্ত দায়িত্ব নিয়ে বলছি, আবুল সরকার চূড়ান্ত ধর্মদ্রোহী এবং স্রষ্টা বিরোধী উক্তি করেছেন। মির্জা ফখরুল কি জানেন, আবুল সরকার মানিকগঞ্জে ধর্ম নিয়ে কত বড় গর্হিত অপরাধ করেছেন?
আমরা শুরু করেছিলাম ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসের একটি উক্তি দিয়ে। বিএনপি, বিশেষ করে মির্জা ফখরুলের এই ধরনের স্ববিরোধী উক্তি এটিই প্রথম নয়।
গত ৪ অক্টোবর দৈনিক ‘প্রথম আলোতে’ প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে এলে কোনো আপত্তি নাই। তবে তার আগে তাদের বিচার করতে হবে। তাদের বিচার করলেই কি আওয়ামী লীগকে ইলেকশন করতে দিতে হবে? শেখ হাসিনার তো মৃত্যুদণ্ড ঘোষিত হয়েছে। এখন কি আওয়ামী লীগকে ইলেকশন করতে দেয়া হবে?
২০২৪ সালের ১৩ আগষ্ট ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, বিজয় সরণির সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মূর্তি দড়ি বেঁধে টেনে হিচড়ে ফেলে দেয়া দেখে খারাপ লেগেছে। কারণ তিনি আমাদের নেতা ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তার বিরাট ভূমিকা ছিল। শেখ মুজিব ছোট হয়েছেন তার কন্যার কারণে। শুধু কি হাসিনার কারণেই শেখ মুজিব ছোট হয়েছেন? শেখ মুজিব কি বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেননি? বাকশাল গঠন করে তিনি শুধু এক দলীয় স্বৈরাচারই প্রতিষ্ঠা করেননি বরং ব্যক্তি স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এ শেখ মুজিবই রক্ষীবাহিনী সৃষ্টি করে ২৭ হাজার বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক কর্মীকে হত্যা করেছেন। শেখ মুজিবই ৭২ সালে সংবিধান চালু করে ইসলামী রাজনীতিকেই নিষিদ্ধ করেছিলেন। তার মূর্তির পতনে মির্জা ফখরুলের খারাপ লাগবে কেনো?
এ মির্জা ফখরুলই জুলাই বিপ্লবের আগে দৈনিক ‘মানবজমিনে’ প্রকাশিত সংবাদ মোতাবেক বলেছিলেন, স্বাধীনতা বিরোধীদের কোনোমতেই ক্ষমতায় আসতে দেওয়া যাবে না। এসব কথা মাঝে মাঝেই তিনি কেনো বলেন? কারণ সম্ভবত একটিই। সেটি হলো তার পলিটিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড। যেখান থেকে তিনি বিএনপিতে এসেছেন সেখানকার আদর্শ তিনি সম্ভবত আজও ভুলতে পারেননি। তাই মাঝে মাঝেই তিনি এই ধরনের গণবিরোধী কথা বলেন।
বাউলদের ওপর হামলার ঘটনা ‘উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর কাজ’ বলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেছেন, তৌহিদি জনতার শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে ‘ধর্মান্ধতা’ বলা সংঘাত উসকে দেয়ার শামিল। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে এক বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে মামুনুল হক এ কথা বলেন।
গত বুধবার ঠাকুরগাঁও শহরের কোর্ট চত্বরে বাউলদের ওপর হামলায় দুজন আহত হন। ঘটনার পর ঠাকুরগাঁওয়ে অবস্থানরত মির্জা ফখরুল ইসলাম এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং এটা ‘উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর কাজ’ বলে মন্তব্য করেন। বিবৃতিতে মামুনুল হক বলেন, বাউল আবুল সরকারের প্রকাশ্য আল্লাহদ্রোহী, অবমাননাকর ও ইমানবিধ্বংসী বক্তব্য দেশজুড়ে গভীর ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। এমন বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, ‘জনগণের ন্যায্য দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর গ্রেফতার আইনের শাসন রক্ষারই স্বস্তিদায়ক পদক্ষেপ। দুঃখজনকভাবে আবুল সরকারের সমর্থকেরা মানিকগঞ্জসহ বিভিন্নস্থানে উসকানিমূলক আচরণের মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালিয়েছে, যা সম্পূর্ণ পরিকল্পিত।’
মামুনুল হক বলেন, আরও উদ্বেগজনক হলো, একটি রাজনৈতিক দল, কিছু বুদ্ধিজীবী ও ইসলামবিরোধী চক্র আল্লাহর প্রতি চরম অবমাননাকর বক্তব্যকে আড়াল করে কুখ্যাত এ বাউলের পক্ষাবলম্বন করছে। এমনকি একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের মহাসচিবও (মির্জা ফখরুল ইসলাম) ঠাকুরগাঁওয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৌহিদি জনতার ন্যায্য প্রতিবাদকে ‘উগ্রবাদী-ধর্মান্ধ চক্রের কাজ’ বলেছেন। আবুল সরকারের পক্ষাবলম্বী সব গোষ্ঠীর এই অসত্য উপাসনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
আবুল সরকারের পক্ষ নেয়া গোষ্ঠীর সমালোচনা করে মামুনুল হক বলেন, তারা অপরাধীর ধর্মবিরোধী বক্তব্য নিয়ে একটি শব্দও উচ্চারণ করেনি; বরং আল্লাহ ও দ্বীনের বিরুদ্ধে অবমাননাকে আড়াল করে মুসলিম জনতার স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদকে ‘উগ্রবাদ’ বলছে। এটি বিগত ফ্যাসিবাদী ভাষাচর্চারই পুনরাবৃত্তি। তৌহিদি জনতার শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে ‘ধর্মান্ধতা’ বলা সংঘাত উসকে দেয়ার শামিল।
আবুল সরকারের ‘আল্লাহদ্রোহী বক্তব্য’ জঘন্য ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে দাবি করেন মামুনুল হক। তিনি আরও বলেন, ‘তাঁর বিরুদ্ধে তৌহিদি জনতার প্রতিক্রিয়া ছিল শান্তিপূর্ণ ও ইমানি দায়িত্ববোধের বহিঃপ্রকাশ। অপরাধীকে রক্ষা করতে গিয়ে প্রতিবাদকারীদের ওপর দোষ চাপানো অবিচার ও ইসলামি চেতনার প্রতি স্পষ্ট অবজ্ঞা।’ বিবৃতিতে রাজনৈতিক মহলকে ধর্মীয় বিষয়ে সংযত, দায়িত্বশীল ও ভারসাম্যপূর্ণ বক্তব্য প্রদানের চর্চা গড়ে তোলার আহ্বান জানান মামুনুল হক।
সম্প্রতি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতদানকারী এক বাউলের মুক্তির জন্য বিশেষ গোষ্ঠীর প্রকাশ্যে অবস্থান গ্রহণ দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য হুমকির কারণ। মহান আল্লাহকে প্রকাশ্যে কটূক্তিকারীর কোন শাস্তি দাবি না করে যারা তার মুক্তি দাবি করছে তারাও সমপর্যায়ের অপরাধী। এই গোষ্ঠীটি প্রায় সময়ে দেশীয় মূল্যবোধ ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতদানকারীদের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করে থাকে। প্রশাসনকে এ গোষ্ঠীর অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে খেলাফত মজলিস।
গত বুধবার সন্ধ্যায় দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বৈঠক থেকে এ আহবান জানানো হয়। বৈঠকে ধর্মীয় অনূভূতিতে আঘাতদানকারী আবুল সরকারের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দেশবাসীকে দেশের স্বার্থবিরোধী অপশক্তির বিভিন্ন উস্কানি ও ষড়যন্ত্রের ফাঁদ থেকে আরো সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়। আবুল সরকারের ধর্মদ্রোহী উক্তির বিরুদ্ধে নিন্দা জ্ঞাপন এবং তার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে বক্তব্য দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম, নেজামে ইসলাম পার্টি প্রভৃতি দল।
মানিকগঞ্জে তার এ ধর্মদ্রোহীতার বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর একটি মেলার পালা সংগীতে গান পরিবেশনের সময় আবুল সরকার “ইসলাম ও আল্লাহর সৃষ্টি” নিয়ে “আপত্তিকর” মন্তব্য করেছিলেন। সংবাদে বলা হয়েছে, তার কথায় “ইসলাম ধর্ম ও মহান আল্লাহ সম্পর্কে কটূক্তি” করা হয়েছে। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি এমন ভাষা ব্যবহার করেছিলেন, যা “ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত” ও “অশালীন” বা “জঘন্য” হিসেবে গণ্য হয়েছে।
২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর - একটি পল্লীর মেলার আসরে গান পরিবেশনকালে (জাবরা খালা পাগলির মেলায়) তিনি ধর্ম ও ইসলাম বা “আল্লাহ ও ইসলাম” সম্পর্কিত মন্তব্য করেন, যা নিয়ে “ধর্ম অবমাননা ও কটূক্তি”-র অভিযোগ ওঠে। ২০ নভেম্বর ২০২৫ - মাদারীপুরের এক অনুষ্ঠানে থেকে আবুল সরকারকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে মানিকগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে হাজিরের পর, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
অথচ, এহেন একজন চরম ধর্মদ্রোহী ব্যক্তির সপক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে মির্জা ফখরুল আওয়ামী লীগ এবং কমিউনিস্টদের সুরে গান গেয়েছেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একে ‘উগ্রবাদী ও ধর্মান্ধদের’ হামলা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, এটি একটি ন্যক্কারজনক ঘটনা।
গত বুধবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি কার্যালয়ে নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে উপস্থিতি সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। বাউলদের ওপর হামলাকে তিনি বাংলাদেশের আবহমান গ্রামীণ সংস্কৃতির ওপর হামলা বলেই মনে করেন।
তিনি বলেন, বাউলদের ওপরে হামলা, এটি একটি ন্যক্কার জনক ঘটনা। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। এটি ডেফিনেটলি (নিশ্চিতভাবেই) বাংলাদেশের আবহমানের (আবহমান) যে সংস্কৃতি, গ্রামীণ যে সংস্কৃতি, বাউলরা গ্রামগঞ্জের গান করে বেড়ায় তাদের ওপরে হামলা। এটি একটি উগ্রবাদী ও ধর্মান্ধদের হামলা বলে মনে করি। এটি সঠিক নয়।
ইসলাম ধর্ম ও আল্লাহকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মামলায় কারাবন্দী বাউল শিল্পী আবুল সরকারের যথাযথ বিচার দাবি করেছেন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট আসিফ সৈকত। সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন। তার বিষয়ে আসিফ সৈকত বলেছেন, ‘বাউল সরকারকে মুক্ত করা যাবে না। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ শাস্তির বিহিত করতে হবে। সে স্পষ্টত ধর্ম অবমাননা করেছে, আল্লাহ সম্পর্কে জঘণ্য কুৎসা এবং মিথ্যাচার করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মুসলমানরা ক্ষিপ্ত হয়েছে।
চলচ্চিত্র নির্মাতা অনন্য মামুনও সরব হয়েছেন বিষয়টিতে। তিনি আবুল সরকারকে নিয়ে লেখেন, ‘শিল্পী ফকির বাউল কোনো কিছুর দোহাই দিয়ে উনাকে (আবুল সরকার) ছাড় দেয়া ঠিক হবে না। দেশীয় আইনে উনার সঠিক বিচার হওয়া উচিত। যে ভাষায় উনি আল্লাহকে নিয়ে কটূক্তি করেছেন, সেটার প্রাপ্য সাজা যদি উনি না পান, তাহলে এরকম ঘটনা বার বার ঘটতে থাকবে।’ এ চলচ্চিত্র পরিচালক আরও বলেন, ‘শিল্পীর দোহাই দিয়ে আপনি কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করতে পারবেন না। উনার ভিডিওটা দেখলাম, উনার কটূত্বের ভাষা চরম বাজে লেভেলের। উনার পাশে দাঁড়ানোর কোনো প্রশ্নই আসে না।’
এখন দেখার বিষয়, বাউল সরকারের খোদাদ্রোহী বক্তব্যের কোনো বিচার হয় কিনা।