মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বেশ কিছুদিন থেকে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলাকে বিশেষ করে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে নানা হুমকি ধমকি দিয়ে আসছেন। গাজা যুদ্ধ পুরোপুরি অবসান না হলেও এক ধরনের যুদ্ধ বিরতির বাতাবরণে আছে গাজাবাসী ও হামাস সদস্যরা। অন্যদিকে ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে আলোচনা চলমান। এখন কি বিশ্ব ভেনেজুয়েলায় আরেকটি যুদ্ধ দেখবে? বিশ্লেষকরা মনে করেন সেখানকার পরিস্থিতি যুদ্ধংদেহি।

মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কা বৃদ্ধির মধ্যে ২ ডিসেম্বর পোপ লিও চতুর্দশ যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনিজুয়েলার মধ্যে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন। মার্কিন বংশোদ্ভূত পোপ বলেছেন, এ বিরোধে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মিশ্র সংকেত আসছে। বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, লেবানন সফর থেকে ফেরার পথে ফ্লাইটে সাংবাদিকদের পোপ বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি যে সংলাপের চেষ্টা করা ভালো। সম্ভবত চাপ, এমনকি অর্থনৈতিক চাপ দিয়ে হলেও। তবে পরিবর্তন আনার জন্য অন্য কোনো উপায় খুঁজুন।’ এ সময় পোপ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মধ্যে একটি ফোন কল ও মার্কিন সৈন্য পাঠানোর জল্পনা-কল্পনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ভেনিজুয়েলার জনগণের মঙ্গলের জন্য ভ্যাটিকান কূটনীতির মাধ্যমে ‘উদ্ভূত পরিস্থিতি শান্ত করার উপায় খুঁজছে’।

ভেনেজুয়েলায় সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ক্যারিবীয় সাগরে মোতায়েন করা হয়েছে মার্কিন রণতরি। যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতারা মঙ্গলবার বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার ভেতরে কোনো হামলা চালালে তারা নতুন প্রস্তাব আনবেন; যাতে এ ইস্যুতে কংগ্রেসে ভোট বাধ্যতামূলক হয়। দেশটির বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক আগ্রাসন ঠেকাতে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে আসছেন এ আইনপ্রণেতারা। ‘ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে অননুমোদিত সামরিক অভিযান হবে বিশাল ও ব্যয়বহুল এক ভুল; যা অপ্রয়োজনে আমাদের সেনাদের জীবনের ঝুঁকি বাড়াবে’, যৌথ বিবৃতিতে বলেন কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাট সিনেটর টিম কেইন (ভার্জিনিয়া), চাক শুমার (নিউইয়র্ক), অ্যাডাম শিফ (ক্যালিফোর্নিয়া) ও রিপাবলিকান সিনেটর র‌্যান্ড পল (কেন্টাকি)। কংগ্রেস সদস্যরা আরও বলেন, ‘যদি কোনো হামলা হয়, আমরা ‘‘ওয়ার পাওয়ার্স রেজল্যুশন’’ ব্যবহার করে কংগ্রেসে বিতর্ক ও ভোট আয়োজনে বাধ্য করব; যাতে ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান বন্ধ করা যায়।’

মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের তিন সদস্য ডেমোক্র্যাট জিম ম্যাকগাভার্ন (ম্যাসাচুসেটস), হোয়াকিন কাস্ত্রো (টেক্সাস) ও রিপাবলিকান থমাস ম্যাসি (কেন্টাকি) তাদের নিজস্ব প্রস্তাবও জমা দেন। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার ভেতর বা ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একরোখা হিসেবে পরিচিত। এসব বাধা কতখানি তিনি মানবেন সে বিষয়ে প্রশ্ন থেকেই যায় বিশ্লেষকদের।

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ মাদক প্রবেশে মাদুরো ভূমিকা রাখছেন। এতে অনেক মার্কিন মারা যাচ্ছেন। সে কারণে তাঁকে ঠেকাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে সমাজতান্ত্রিক নেতা মাদুরো এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

মার্কিন সেনারা গত সেপ্টেম্বর মাসের শুরুর দিক থেকে ক্যারিবীয় সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরে সন্দেহভাজন মাদকবাহী নৌকায় অন্তত ২১টি হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় ৮৩ জনের মতো নিহত হন। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোর বিরুদ্ধে ট্রাম্পের সামরিক চাপের অংশ হিসেবে এসব অভিযান চলছে।

ভেনেজুয়েলা দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর উপকূলে ক্যারিবীয় সাগরের তীরে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র। জনসংখ্যা প্রায় তিন কোটি। উত্তরে আন্দেস পর্বতমালার সুউচ্চ পর্বতচূড়া থেকে দক্ষিণের ক্রান্তীয় অরণ্য পর্যন্ত বিস্তৃত। এর মধ্যভাগে আছে তৃণময় সমভূমি ও রুক্ষ উচ্চভূমি এবং উপকূল জুড়ে রয়েছে নয়নাভিরাম বেলাভূমি। ৩০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে স্পেনীয় উপনিবেশ ছিল। ১৯শ শতকের শুরুতে দক্ষিণ আমেরিকার যেসব স্পেনীয় উপনিবেশ প্রথম স্বাধীনতা ঘোষণা করে, তাদের মধ্যে ভেনেজুয়েলা ছিল অন্যতম। স্বাধীনতা লাভের পর ভেনেজুয়েলা অন্তর্সংঘাত ও স্বৈরশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের মধ্য দিয়ে পার হয়েছে। ভেনেজুয়েলার রাজনীতিতে সামরিক বাহিনীর শক্তিশালী প্রভাব আছে। ১৯৫০-এর দশকের শেষ থেকে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার দেশটি শাসন করে আসছে। তবে গণতান্ত্রিক শাসন কি না সে বিষয়ে বিতর্ক রয়েছে। যেমন বিগত নির্বাচন কালে বিরোধী দলেরও প্রার্থীকে নানাভাবে হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

আমেরিকার যুদ্ধ প্রস্তুতি কেমন? পুয়েট্যোরিকোর রুজভেল্ট রোডস বেস এ এফ ৩৬ ফাইটার জেট প্রস্তুত। আশপাশের নৌসীমায় ঘুরেছে কয়েকটি রণতরী। লক্ষ্য ভেনেজুয়েলা। এভাবেই যুদ্ধ প্রস্তুতির বর্ণনা দিচ্ছে মিডিয়াগুলো। তাদের প্রশ্ন মার্কিন হামলা কি অত্যাসন্ন দেশটিতে?

ভেনিজুয়েলা ও দেশটির আশপাশের আকাশসীমা ‘সম্পূর্ণ বন্ধ’ বিবেচিত হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এতে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কারাকাস। দু’দেশের উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যেই ট্রাম্প এ ঘোষণা দিয়েছেন। এক বিবৃতিতে ভেনিজুয়েলার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ট্রাম্পের ওই মন্তব্য ‘ঔপনিবেশিক হুমকি’র শামিল। এটি ভেনিজুয়েলার জনগণের বিরুদ্ধে আরেকটি বাড়াবাড়ি রকমের, অবৈধ ও অন্যায্য আগ্রাসন।’

সংকটের সূচনা কি করে হলো?

অক্টোবরে ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর ক্ষুব্ধ হন প্রেসিডেন্ট মাদুরো। কারণ মাচাদো যুক্তরাষ্ট্পন্থী হিসেবে পরিচিত। আর মাচাদো পুরস্কার পাওয়ার পরপরই ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসন বাড়াতে শুরু করে। তা এখন চূড়ান্ত রূপ পেতে যাচ্ছে। বলা যেতে পারে নোবেল শান্তি পুরস্কার যুদ্ধের মুখে ঠেলে দিয়েছে ভেনেজুয়েলাকে। অন্যদিকে মাদুরোও বসে নেই। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার পর ৬ এয়ারলাইন্স নিষিদ্ধ করেছে ভেনেজুয়েলা। হাজারো যাত্রীকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। আরেক খবরে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত সপ্তাহে মাদুরোর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। তারা নিজেদের মধ্যে একটি সম্ভাব্য বৈঠকের বিষয়ে আলোচনা করেছেন। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি যুদ্ধংদেহি বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিকোলা মাদুরো জয়ী হয়েছেন গত বছর জুলাইতে। বিরোধী দলগুলোর জোট ভোট গণনায় ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলেছে। তারা বলেছে, ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি। দেশটিতে ১১ বছর ধরে ক্ষমতায় আছেন মাদুরো। এ নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় তিনি তৃতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হন। দীর্ঘ ২৫ বছর ভেনেজুয়েলার ক্ষমতায় আছে সমাজতন্ত্রী পিএসইউভি পার্টি। হুগো শ্যাভেজের নেতৃত্বে দলটি প্রথম ক্ষমতায় আসে। শ্যাভেজও চরম মর্কিন বিরোধী ছিলেন। ২০১৩ সালে শ্যাভেজের মৃত্যুর পর ক্ষমতায় বসেন মাদুরো। দেশটির অনেক ভোটার ভেনেজুয়েলার বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক দমনÑপীড়ন নিয়ে হতাশ ও ক্ষুব্ধ। তাই তারা ২০২৪ এর নির্বাচনে পরিবর্তন আশা করছিলেন।

কী করবে আমেরিকা?

সংবাদ সংস্থা রয়টার্স একটি এক্সক্লুসিভ রিপোর্ট প্রকাশ করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ‘সামনের দিনগুলোতে ভেনেজুয়েলা সম্পর্কিত অভিযানের একটি নতুন পর্যায় শুরু করতে যাচ্ছে।’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে একটি গোপন অভিযান সম্ভবত ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে এই ‘নতুন পদক্ষেপ’-এর প্রথম ধাপ হবে। তাদের মতে, এটি মোটেও অবাক করার মতো খবর নয়। কারণ এক মাসেরও বেশি সময় আগে ট্রাম্প নিজেই ঘোষণা করেছিলেন, তিনি ভেনেজুয়েলায় গোপন অভিযান পরিচালনার জন্য সিআইএকে অনুমতি দিয়েছেন। এটা এক ধরনের ব্যতিক্রমী ঘোষণা। কারণ সাধারণত গোপন অভিযান সরাসরি এভাবে প্রকাশ করা হয় না।

১৩ নভেম্বর ট্রাম্পকে সামরিক অভিযানের বিভিন্ন বিকল্প সম্পর্কে অবহিত করা হয়। এরপর যুক্তরাষ্ট্র সরকার ভেনেজুয়েলায় সরকার উৎখাতের প্রচেষ্টা জোরদার করে। ‘অস্তিত্বহীন’ ‘কার্টেল দে লোস সোলেস’কে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা করা হয়। দাবি করা হয় যে এর নেতৃত্বে রয়েছেন ভেনেজুয়েলা সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাদুরোকে ধরিয়ে দিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে পুরস্কারের কৌশল নিয়েছেন, তা হিতে বিপরীত হতে পারে।

ট্রাম্প প্রথমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ভেনেজুয়েলায় শাসনব্যবস্থা বদলের কথা বলছিলেন। ২০১৭ সালে ট্রাম্প প্রশাসন মাদুরোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ২০১৯ সালে মাদুরোর পরিবর্তে দেশটির বিরোধী নেতা হুয়ান গুইদোকে বৈধ প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম মেয়াদের শেষ বছরে ট্রাম্প আরও চাপ বৃদ্ধি করেন। তিনি মাদুরোকে গ্রেপ্তারের জন্য ১ কোটি ৫০ লাখ ডলারের পুরস্কার ঘোষণা করেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলই মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পুরস্কার ঘোষণা করার নীতিকে সমর্থন দিয়ে আসছে।

ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ডেমোক্রেটিক দলের বাইডেনের প্রশাসন মাদুরোর বিরুদ্ধে ট্রাম্প ঘোষিত পুরস্কারের অঙ্ক বাড়িয়ে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার করেন। ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ওই পুরস্কারের অঙ্ক আরও বাড়িয়ে দেন।

যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবীয় অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়িয়েছে। ক্যারিবীয় সাগরে বেশ কিছু নৌকায় বোমা হামলা চালানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, ওই সব নৌকায় ভেনেজুয়েলা থেকে মাদক পাচার করা হচ্ছে। দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনা এখন গত কয়েক বছরের তুলনায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে আছে। এরপর ট্রাম্প বলেছেন, ভেনেজুয়েলার মাদক চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে শিগগিরই স্থলপথে হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন বাহিনীর উদ্দেশ্যে ভিডিও ভাষণে তিনি একথা বলেন। নিকোলাস মাদুরোর অভিযোগ, তাকে উৎখাতের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।

ল্যাটিন আমেরিকা অঞ্চলে কয়েক গত সপ্তাহ ধরে মার্কিন বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। যার মধ্যে একটি বিমানবাহী রণতরী, গোপন যুদ্ধবিমান এবং হাজার হাজার সেনা রয়েছে।তিনি জানান, খুব শিগগিরই স্থলপথে এ হামলা শুরু হতে যাচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলেন, ট্রাম্প এ হুমকি দেয়ার পর দু সপ্তাহ পার হয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় ভেনেজুয়েলা ছয়টি বড় আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সের অবতরণ নিষিদ্ধ করেছে। এয়ারলাইন্সগুলোকে ফ্লাইট শুরুর জন্য ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো সরকারের দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর কয়েক দিন আগে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার উপর দিয়ে উড়ার সময় ‘সম্ভাব্য বিপজ্জনক পরিস্থিতির’ মুখোমুখি হওয়া নিয়ে সতর্কতা জারির পর বেশ কয়েকটি এয়ারলাইন্স কারাকাসে ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করে।

যুদ্ধ প্রস্তুতি ও সংলাপের কথা সমানতালে চলছে। কোনটি স্থিরিকৃত হয় সেটাই এখন দেখার বিষয় ।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক।