অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করীম
মুসলমানদের ধর্মীয় জীবনে দুটি প্রধান উৎসবের একটি হলো ঈদুল আযহা। এটি কেবল একটি আনন্দ-উৎসব নয়; বরং আত্মত্যাগ, আনুগত্য, তাকওয়া, মানবতা ও সামাজিক সাম্যের এক মহান শিক্ষা। প্রতিবছর জিলহজ¦ মাসের ১০ তারিখে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ গভীর ধর্মীয় আবহে ঈদুল আযহা উদযাপন করে। এই উৎসবের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো “কুরবানি”-যা মানুষের আত্মিক পরিশুদ্ধি ও আল্লাহর প্রতি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের প্রতীক।
আজকের বিশ্বে মানুষ ভোগবাদ, আত্মকেন্দ্রিকতা, প্রতিযোগিতা ও নৈতিক অবক্ষয়ের মধ্যে নিমজ্জিত। অর্থ ও প্রতিপত্তির মোহে মানুষ ক্রমশ মানবিক মূল্যবোধ হারিয়ে ফেলছে। এমন বাস্তবতায় ঈদুল আযহার শিক্ষা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। কারণ কুরবানি মানুষকে শেখায়-নিজের স্বার্থ, অহংকার ও লোভের ঊর্ধ্বে উঠে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আত্মত্যাগ করতে। এটি কেবল পশু জবাইয়ের অনুষ্ঠান নয়; বরং নিজের অন্তরের পশুত্বকে বিসর্জন দেওয়ার এক মহান অনুশীলন।
কুরবানির উৎপত্তি ও প্রাচীন ইতিহাস : কুরবানির ইতিহাস মানব সভ্যতার সূচনালগ্ন থেকেই বিদ্যমান। মানবজাতির আদি পিতা হযরত আদম (আ:)-এর যুগ থেকেই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে কুরবানির প্রচলন শুরু হয়। পবিত্র কুরআনে আদম (আ:)-এর দুই পুত্র হাবীল ও কাবীলের কুরবানির ঘটনা অত্যন্ত তাৎপরে্যর সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন- “আপনি তাদেরকে আদমের দুই পুত্রের ঘটনা যথাযথভাবে শুনিয়ে দিন। যখন তারা উভয়ে কুরবানি পেশ করল, তখন তাদের একজনের কুরবানি কবুল হলো এবং অপরজনের কুরবানি কবুল হলো না।” (সূরা আল-মায়িদাহ : ২৭)
ইসলামী বর্ণনা অনুযায়ী, হাবীল ছিলেন পশুপালক এবং কাবীল ছিলেন কৃষক। হাবীল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের উত্তম ও প্রিয় পশু কুরবানি করেন। অন্যদিকে কাবীল নিম্নমানের শস্য উৎসর্গ করে। ফলে আল্লাহ হাবীলের কুরবানি কবুল করেন এবং কাবীলেরটি প্রত্যাখ্যান করেন।
এই ঘটনা মানবজাতিকে একটি মৌলিক শিক্ষা দেয়-আল্লাহর কাছে বাহ্যিক জাঁকজমক নয়; বরং আন্তরিকতা ও তাকওয়াই মুখ্য। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন- “নিশ্চয়ই আল্লাহ মুত্তাকীদের পক্ষ থেকেই কবুল করেন।” (সূরা আল-মায়িদাহ : ২৭)
এই আয়াত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়, কুরবানির মূল উদ্দেশ্য হলো অন্তরের বিশুদ্ধতা ও আল্লাহভীতি অর্জন।
সুন্নাতে ইবরাহীমী : কুরবানির সর্বোচ্চ আদর্শ : যদিও কুরবানির সূচনা আদম (আ:)-এর যুগ থেকে, তবে বর্তমান মুসলিম সমাজে প্রচলিত কুরবানির রীতি মূলত হযরত ইবরাহীম (আ:)-এর মহান আত্মত্যাগের স্মৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ কারণেই কুরবানিকে “সুন্নাতে ইবরাহীমী” বলা হয়।
হযরত ইবরাহীম (আ:) ছিলেন তাওহীদের মহান দাঈ এবং আল্লাহর প্রিয় বন্ধু বা “খলীলুল্লাহ”। তাঁর সমগ্র জীবন ছিল পরীক্ষায় পরিপূর্ণ। তিনি জন্মভূমি ত্যাগ করেছেন, অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষিপ্ত হয়েছেন, স্ত্রী হাজেরা ও শিশু পুত্র ইসমাঈলকে জনমানবহীন মরুভূমিতে রেখে এসেছেন-কিন্তু কখনো আল্লাহর ওপর আস্থা হারাননি।
কিন্তু সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা আসে তখন, যখন আল্লাহ তাঁকে স্বপ্নে নিজের প্রিয় পুত্র ইসমাঈল (আ:)-কে কুরবানি করার নির্দেশ দেন। এটি ছিল মানব ইতিহাসের এক অনন্য পরীক্ষা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন- “হে আমার প্রিয় পুত্র! আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, আমি তোমাকে যবেহ করছি। এখন তোমার মতামত কী?” (সূরা আস-সাফফাত : ১০২)
পুত্র ইসমাঈল (আ:)-এর উত্তর ছিল আরও বিস্ময়কর- “হে আমার পিতা! আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে, আপনি তাই করুন। ইনশাআল্লাহ আপনি আমাকে ধৈর্যশীলদের অন্তর্ভুক্ত পাবেন।” (সূরা আস-সাফফাত : ১০২)
এটি কেবল পিতা-পুত্রের সম্পর্ক নয়; বরং আল্লাহর প্রতি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের এক অনন্য নজির। যখন ইবরাহীম (আ:) পুত্রকে কুরবানি করতে উদ্যত হলেন, তখন আল্লাহ তাআলা তাঁর আনুগত্যে সন্তুষ্ট হয়ে ইসমাঈলের পরিবর্তে একটি দুম্বা পাঠিয়ে দিলেন।
আল্লাহ বলেন- “আর আমরা তাঁর পরিবর্তে দিলাম এক মহান কুরবানি।” (সূরা আস-সাফফাত : ১০৭)
এই ঘটনাই পরবর্তীতে মুসলিম উম্মাহর জন্য কুরবানির ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায়।
কুরবানির প্রকৃত অর্থ ও দর্শন : “কুরবান” শব্দের অর্থ নৈকট্য। অর্থাৎ কুরবানি হলো এমন একটি মাধ্যম, যার দ্বারা বান্দা আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করে। ইসলামের দৃষ্টিতে কুরবানি নিছক পশু জবাইয়ের অনুষ্ঠান নয়; বরং এটি আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া ও আত্মত্যাগের প্রতীক।
আজ সমাজে অনেকেই কুরবানিকে সামাজিক মর্যাদা প্রদর্শনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে। বড় পশু কেনা, উচ্চমূল্য প্রচার করা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রদর্শন করা-এসব কুরবানির প্রকৃত চেতনাকে ক্ষুণ্ন করছে। অথচ আল্লাহ তা’আলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন- “আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না এগুলোর গোশত কিংবা রক্ত; বরং পৌঁছে তোমাদের তাকওয়া।” (সূরা আল-হজ¦ : ৩৭)
অর্থাৎ আল্লাহ মানুষের বাহ্যিক আয়োজন নয়, অন্তরের বিশুদ্ধতা ও নিয়তকে মূল্যায়ন করেন।
কুরবানির প্রকৃত শিক্ষা হলো-আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের সবচেয়ে প্রিয় জিনিস ত্যাগ করার মানসিকতা অর্জন করা। এটি মানুষকে ভোগবাদ থেকে বের করে এনে ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত করে।
ঈদুল আযহা ও তাকওয়ার শিক্ষা : ইসলামে তাকওয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। তাকওয়া মানে আল্লাহভীতি ও আল্লাহর প্রতি সচেতনতা। কুরবানির মাধ্যমে একজন মুসলমান নিজের ভেতরে তাকওয়া অর্জনের চেষ্টা করে।
হযরত ইবরাহীম (আ:) তাঁর প্রিয় পুত্রকে কুরবানি করতে প্রস্তুত হয়ে প্রমাণ করেছিলেন যে, আল্লাহর ভালোবাসার চেয়ে বড় কোনো ভালোবাসা নেই। বর্তমান যুগে মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো-সম্পদ, ক্ষমতা ও ভোগবিলাসের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি। ঈদুল আযহা মানুষকে সেই আসক্তি থেকে মুক্ত হওয়ার শিক্ষা দেয়। রাসূলুল্লাহ (সা:) বলেছেন-“সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি কুরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়।”
এই হাদীস কুরবানির গুরুত্বকে অত্যন্ত জোরালোভাবে তুলে ধরে। তবে একইসঙ্গে মনে রাখতে হবে, কুরবানি যেন লোকদেখানো বা আত্মপ্রচার না হয়ে যায়।
বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে অনেকেই কুরবানিকে প্রদর্শনের বিষয় বানিয়ে ফেলেছে। দামি পশুর ছবি, ভিডিও, শোভাযাত্রা-এসবের মাধ্যমে এক ধরনের প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে। অথচ ইসলাম বিনয় ও আন্তরিকতাকে গুরুত্ব দেয়।
কুরবানি ও সামাজিক সাম্য : ঈদুল আযহার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করা। কুরবানির গোশত আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও গরিব মানুষের মধ্যে বণ্টনের মাধ্যমে সমাজে সহমর্মিতা গড়ে ওঠে।
ইসলাম চায় না সমাজে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য বাড়ুক। বরং সমাজের বিত্তবানদের দায়িত্ব হলো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। কুরবানি সেই দায়িত্ববোধকে জাগ্রত করে।
আজ পৃথিবীতে একদিকে অঢেল সম্পদ, অন্যদিকে কোটি কোটি মানুষ খাদ্যসংকটে ভুগছে। এমন বাস্তবতায় কুরবানির শিক্ষা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এটি মানুষকে শেখায়-নিজের সম্পদের একটি অংশ অন্যের কল্যাণে ব্যয় করতে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন- “তোমরা তোমাদের উপার্জিত উত্তম বস্তু থেকে ব্যয় কর।” (সূরা আল-বাকারা : ২৬৭)
কুরবানির শিক্ষা যদি সারা বছর মানুষের জীবনে কার্যকর হতো, তবে সমাজে দারিদ্র্য, ক্ষুধা ও বৈষম্য অনেকাংশে কমে যেত।
আত্মশুদ্ধি ও নৈতিকতার শিক্ষা : ঈদুল আযহার সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো আত্মশুদ্ধি। মানুষ বাহ্যিকভাবে ধর্মীয় আচার পালন করলেও অন্তরের পরিবর্তন না ঘটলে সেই ইবাদতের প্রকৃত উদ্দেশ্য পূরণ হয় না।
কুরবানি মানুষের ভেতরের অহংকার, হিংসা, লোভ ও স্বার্থপরতাকে দমন করার শিক্ষা দেয়। মূলত এটি একটি নৈতিক বিপ্লবের আহ্বান। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন-“তোরা ভোগের পাত্র ফেলরে ছুঁড়ে, ত্যাগের তরে হৃদয় বাঁধ।”
এই আহ্বান আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। কারণ আধুনিক মানুষ ক্রমশ ভোগবাদে ডুবে যাচ্ছে। মানুষ নিজের স্বার্থ ছাড়া অন্য কিছু ভাবতে চায় না। পরিবার, সমাজ ও মানবতার প্রতি দায়িত্ববোধ কমে যাচ্ছে। ঈদুল আযহা সেই হারানো মানবিক মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনার শিক্ষা দেয়।
ঈদুল আযহা ও বিশ্ব মুসলিম ঐক্য : ঈদুল আযহার সঙ্গে হজে¦র সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। জিলহজ¦ মাসে বিশ্বের লাখ লাখ মুসলমান মক্কায় সমবেত হয়। জাতি, বর্ণ, ভাষা ও শ্রেণিভেদ ভুলে সবাই একসঙ্গে আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন হয়। এটি বিশ্ব মুসলিম ঐক্যের এক অনন্য উদাহরণ। হজ¦ ও কুরবানি মুসলমানদের শেখায়-মানুষে মানুষে ভেদাভেদ নয়; বরং ভ্রাতৃত্ব ও সাম্যের ভিত্তিতে সমাজ গড়ে তুলতে হবে।
আজ মুসলিম বিশ্ব নানা বিভক্তি, সংঘাত ও সংকটে জর্জরিত। এমন পরিস্থিতিতে ঈদুল আযহার শিক্ষা মুসলিম উম্মাহকে নতুনভাবে ঐক্যবদ্ধ হতে অনুপ্রাণিত করতে পারে।
আধুনিক সমাজে ঈদুল আযহার প্রাসঙ্গিকতা : বর্তমান যুগে মানুষ প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত হলেও নৈতিকভাবে অনেকাংশে দুর্বল হয়ে পড়েছে। পরিবার ভেঙে যাচ্ছে, সামাজিক বন্ধন দুর্বল হচ্ছে, আত্মকেন্দ্রিকতা বাড়ছে। মানুষ কেবল নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের কথা ভাবছে। এই বাস্তবতায় ঈদুল আযহার শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি মানুষকে শেখায়-
* ত্যাগ করতে,
* ধৈর্য ধারণ করতে,
* আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করতে,
* অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে,
* নৈতিকতা ও মানবিকতা চর্চা করতে।
যদি ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে কুরবানির প্রকৃত শিক্ষা বাস্তবায়িত হতো, তবে সমাজে অন্যায়, বৈষম্য ও হিংসা অনেকাংশে কমে যেত।
কুরবানির আধ্যাত্মিক তাৎপর্য : কুরবানি মানুষের হৃদয়ে আল্লাহর ভালোবাসা জাগ্রত করে। এটি মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয়-এই পৃথিবীর সবকিছু ক্ষণস্থায়ী, কেবল আল্লাহই চিরস্থায়ী।
যখন একজন মুসলমান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের অর্থ ব্যয় করে কুরবানি করে, তখন তার ভেতরে আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা ও নির্ভরতা বৃদ্ধি পায়। সে উপলব্ধি করতে শেখে-মানুষের প্রকৃত সফলতা সম্পদে নয়; বরং আল্লাহর সন্তুষ্টিতে। ইবরাহীম (আ:) ও ইসমাঈল (আ:)-এর আত্মত্যাগের ঘটনা মানবজাতিকে যুগে যুগে এই শিক্ষাই দিয়ে আসছে।
উপসংহার : ঈদুল আযহা কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; বরং এটি মানবতার, আত্মত্যাগের, তাকওয়ার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের এক মহিমান্বিত শিক্ষা। কুরবানির প্রকৃত উদ্দেশ্য পশু জবাই নয়; বরং নিজের অন্তরের পশুত্বকে বিসর্জন দেওয়া।
আজ আমাদের প্রয়োজন কুরবানির বাহ্যিক আয়োজনের চেয়ে এর অন্তর্নিহিত শিক্ষা বাস্তবায়ন করা। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের লোভ, অহংকার, স্বার্থপরতা ও ভোগবাদকে কুরবানি করাই হোক আমাদের মূল অঙ্গীকার। যদি ইবরাহীমী ঈমান ও ইসমাঈলী আত্মত্যাগ আমাদের জীবনে পুনর্জাগরিত হয়, তবে সমাজে শান্তি, ন্যায়, সাম্য ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠিত হবে। ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রীয় জীবনে নৈতিক মূল্যবোধ ফিরে আসবে।
পরিশেষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ভাষায় বলতে হয়-
“ওরে হত্যা নয় আজ সত্যাগ্রহ শক্তির উদ্বোধন,
ঐ খুনের খুঁটিতে কল্যাণকেতু লক্ষ্য ঐ তোরণ।
আজি আল্লাহর নামে জান কোরবানে
ঈদের পূত বোধন।”
লেখক : সাবেক সিনেট সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।