খুশির হাওয়ায় ভাসি

রিতা ফারিয়া রিচি

রোজার শেষে ওই আকাশে

ফুটলো চাঁদের হাসি,

আনন্দে তাই আজকে সবাই

খুশির হওয়ায় ভাসি।

ঈদগাহেতে মিলবো সবাই

এক কাতারে এসে,

ভালোবাসার খুশবু ছড়াই

নতুন পরিবেশে,

মোনাজাতে হবো মশগুল

থাকবো পাশাপাশি।

বাঁধনহারা খুশির খেয়ায়

সবাই যাবো ভেসে,

ফিরনী সেমাই পায়েস খাবো

আমরা ভালোবেসে।

হিংসা বিদ্বেষ রাখবো দূরে

করব কোলাকুলি,

গল্প আড্ডার আনন্দে আজ

উঠবো সবাই দুলি,

ধনী গরিব নেই ভেদাভেদ

বলবো ভালোবাসি।

ঈদ উৎসবের দীর্ঘশ্বাস

আবু হাসান তাহের

উঠছে নাকি ঈদের বাঁকা চাঁদ,

সব কিছুরই দাম বেড়ে যায়-

গরিব-দুখীর ঘাম ঝরে যায়,

একি মরণফাঁদ!

সেমাই-চিনি, পোলাও চালের আকাশছোঁয়া দর,

চিন্তাতে আজ ঘুম আসে না, কাঁপছে থরথর।

রঙিন জামার বায়না ধরে অবুঝ খোকা-খুকি,

বাবার পকেট শূন্য যে আজ, বিপদ দিচ্ছে উঁকি।

হাটে-মাঠে খাটছে মানুষ রক্ত পানি করে,

তবুও কেন অভাব এসে হানা দেয় এই ঘরে?

পণ্যদামের ঊর্ধ্বগতি— মরণ কামড় দেয়,

খুশির ঈদের সবটুকু রং দুঃখ কেড়ে নেয়।

বিত্তবানের ঝাড়লণ্ঠন আর শৌখিনতার মেলা,

নিচতলায় যে চলছে কেবল প্রাণ বাঁচানোর খেলা।

বাঁকা চাঁদের রূপালি আলোয় যদি অভাব যেত ধুয়ে,

তবেই খুশি আসত ফিরে প্রতিটি ঘর ছুঁয়ে।

ঈদ

শেখ বিপ্লব হোসেন

ঈদ নিয়ে কত কথা

ঈদ ঘিরে গান

মন হয় পুলকিত

দেখে ঈদ চাঁন।

চারপাশে কেনাকাটা

চলে নির্ঘুম,

ঈদ এসে চুপি চুপি

দেয় হৃদে চুম।

অনাহারে কাটে রাত

নেই চোখে নিদঁ,

ফিলিস্তিন শিশুদের

নেই শুধু ঈদ!

ওদের ঘরেও যেন

ঈদ নেমে আসে

ভালোবেসে তুলি হাত

প্রভুর সকাশে!

ঈদের চাঁদ

এইচ এস সরোয়ারদী

এতো মিষ্টি ঈদের চাঁদ

অবাক লাগে মনে

ইচ্ছে করে চাঁদকে নিয়ে

হারিয়ে যাই বনে।

এতো সুন্দর চাঁদের হাসি

ঝলমলে তার রূপ

ইচ্ছে করে জড়িয়ে বুকে

আদর করি খুব।

ঈদের চাঁদ আসলে গাঁয়ে

ধুম পড়ে যায় ধুম

এই চাঁদটি নেয় কেড়ে নেয়

সব মানুষের ঘুম।