রাসূলের (স.) ঘর

তাসনীম মাহমুদ

আমাকে নিয়ে চলুন হে রাসূল (স.)

আপনার ঘরে...

খাবার, বিশ্রাম, আরাম চাই না

চাই না শান-শওকত কিংবা মেহমানের দাবি।

আমি কেবল অপলক চেয়ে থাকতে চাই

আপনার মুখমোবারকে...

কী জাদু, কী প্রেম

কী দয়াভরা ও মুখ!

বেহেশত যেখানে করে খেলা

পৃথিবী লুটায় যে আভায়

সেই হীরে-জহরত, মনি-মানিক্য, জাফরানি দরবারে

আরাধনা আমার

আমি পথহারা, কাঙ্গাল উম্মত আপনার...

আমাকে নিয়ে চলুন হে রাসূল (স.)

আপনার ঘরে।

নাইল্লার মুড়া

রেশম লতা

আমার হৃদয় তারে ছাড়া আর কাউরে খুশি করতে শেখে নাই কখনো।

তার নামে হাঁটে শৈল্লের সমস্ত রক্তসঞ্চালন, গোপন বিপ্লব।

হুনছি, পাথরের চেয়েও একগুঁয়ে সে; যুক্তির বদলে শিরাতে জমায় ধুলা।

আমার চোক্কে আকাশ এহন স্লোগান ছাওয়া ছাদ!

জানো কলির মা, সূর্য এইখানে নিষিদ্ধ শব্দ, উচ্চারণ করলেই জরিমানা।

প্রেমটারে তাই রাষ্ট্রবিরোধী চাক্ষুষ ঘোষণা কইরা দিছি।

তার নীরবতা নাকি দেশের একমাত্র গণভোট! করুক।

দেখছি... দেখছি... মানুষ তারে য্যামনে হাততালি দিছে

অথচ তাগো হাত দুইটাই রাখছে শেকলে বান্ধা।

ওহ্ কী জ্যান্ত কালা শোষক!

শহরের দেয়ালে ঝুলাইছি তাই প্রতিশ্রুতির কঙ্কাল।

হৃদয় সত্যি হইলেই ইরানীয়গো মতো রাস্তায় নাইমা আইবো রক্তের মিছিল

খাড়াও কই কি বেয়াই, তারে থামতে কও

নইলে দেখবা কুরুশে এক্কান নাইল্লার মুড়া তিনরাস্তার মোড়ে ক্যামনে পুড়ে!

মায়াবী দেশ

রানা হোসেন

রক্তে পাওয়া এদেশ সবুজ মায়াবী বাংলাদেশ।

হোক না যতো এলোমেলো

ভালোবেসে যাবো আমি চিরদিন, আমার স্বদেশকে

প্রিয় এই বাংলাকে।

দুর্যোগের নিষ্ঠুর কবল থেকে

কখনো হতে দিব না নিঃশেষ

দেশদ্রোহী, দুর্নীতিবাজ, কালো বাজারী

তাড়াতে হবে শত্রুর দলকে।

বাংলার মেঠোপথ, খাল-বিল নদী

ফসলের ক্ষেত, নৌকা মাঝি, কৃষক

আমরাই ভালোবাসি।

মনে হয় পৃথিবীর এ প্রান্তর হবে ও প্রান্তর

কেঁদে ফিরে যায় প্রতিদিন কোন মুক্তিযোদ্ধা!

দক্ষিণের বাতাস আর রহস্য ময়, শত্রুরা চারপাশ

ঘুরা ফেরা করে বেড়ায়।

যখন ফুটবে ফুল বাগানে

ফুটবে শস্যক্ষেতে, দোলানো ফসল মাঠে

দুর্দম, নির্ভিক সমাবেশে দাঁড়িয়ে

দেশকে ভালোবেসে চলবো আপন গতিতে।

ভালোবাসবো, হৃদয়ে বাংলাদেশ

মায়াবী দেশটাকে।

একদিন

আবির হাসান

একদিন কোলাহল ছাড়া আর কিছুই থাকবে না,

সাদা বকুল ফুল কিংবা হিয়ার অমৃত আলোড়ন

সবকিছু স্মৃতি হয়ে যাবে।

একদিন প্রেমের দরিয়ায় ডোবা বিকেল,

জীবন্ত দৃশ্যের সাথে পথচলা মুহূর্তসমূহ

কথা বলবে নসিবের সাথে।

সেইদিন সন্ধ্যারা জানবে

সমস্ত প্রস্থানই জীবনের আয়ু খেয়ে ফেলে।