শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি-শিল্প ও সামরিক শক্তিতে কারো পিছনে নয় বরং একটি পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত হয়ে-বিশ্বের বুকে মাথা উচুঁ করে দাঁড়াতে সক্ষম হবে। সেইদিন দৈনিক সংগ্রাম পরিতৃপ্তির ঢেকুর তুলবে হয়তো খানিকটা নচেৎ নয়। তার পরেও এর যাত্রা থেমে যাবে না। চলবে প্রজন্মের পর প্রজন্মে এর গতি রাখবে অব্যাহত। এদেশের আপামর জনগণকে

ওয়াহীভিত্তিক একমাত্র সত্য সুন্দরের নাগাল পাইয়ে দেয়ার সাধ ও সাধনার তো পরিসমাপ্তি নেই।

বাংলাদেশের সংবাদ পত্র জগতের একমাত্র ব্যতিক্রমী পত্রিকা দৈনিক সংগ্রাম। সুদীর্ঘ কাল ধরে প্রায় সকল ক্ষেত্রে বিপ্লবী একটা চেতনা নিয়ে সাধ ও সাধনার পথে সদা সক্রিয়। দৈনিক সংগ্রামের সাধ ও ইচ্ছেগুলো কিরূপ ও কি ধরনের- তাস্পষ্টতর করে তুলে ধরা অত্যাবশ্যক বলে মনে করা যেতে পারে।

কারণ দৈনিক সংগ্রাম এমন একটা পত্রিকা-যার রয়েছে একটা মহত্তম আশা একটা চরম-পরম আকাংখা, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। সেটা কি? সেটা হলো-আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ নামক এদেশে-আল্লাহর এ জমিনে, আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী করবার মহাকর্মে নিজেকে পরিপূর্ণ শক্তি ও সামর্থ নিয়ে ঝাপিয়ে পড়া। অন্যদিকে এদেশের প্রতিটা জন মানুষের কাছে আল্লাহর দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছানোর একটা পবিত্রতম দায়িত্ব পালনের নির্মিত্তে দৈনিক সংগ্রাম সেই ১৯৭০ সালের ১৭ই জানুয়ারী প্রথম আত্ম প্রকাশ করেছিলো বাংলার এ জমিনে। সেই মহৎ সাধনার অংশ হিসেবে আজো এর অভিযাত্রা অব্যাহত গতিতে চলছে।

চলবে ততোদিন এদেশ স্বাধীনতা র্সাভৌম দেশ হিসেবে টিকে থাকবে যতোদিন। এদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্তের অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালনার্থে দৈনিক সংগ্রাম তার অঙ্গীকার কখনোই লংঘন করেনি এবং করবে না কস্মিনকালেও। কারণ এদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌম অস্তিত্বের সঙ্গেঁ যে এর নাড়ীর সংযুক্তি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এতে নেই সামান্যতম সন্দেহ ও সংশয়।

অন্যান্য পত্রিকার কথা জানিয়েনে- দৈনিক সংগ্রাম তার জন্ম লগ্ন হতেই এদেশের জন মানুষের জাতীয় আদর্শ, এদেশের জনগনের আশা ও আকাংখা, সাধ ও সাধনার সঙ্গেঁ একাত্মতা প্রকাশ করে দীর্ঘ কন্টকাকীর্ণ পথে, ঝুঁকি বহুল অভিযাত্রা হতে কখনোই পিছুটান দেয়নি। দেয়ার প্রশ্নই ওঠেনা। কারণ অন্যান্য পত্র পত্রিকার মতো দৈনিক সংগ্রাম- তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তার সাধ ও সাধনা নির্ধারণ করেনি।

বরং এক মহান উদ্দ্যেকে সামনে রেখে পথ পরিক্রমা-অব্যাহত গতিতে চালিয়ে যাচ্ছে। যাবে অনাগত কাল অবধি ইনশাআল্লাহ।

একটি সফল বিপ্লব বা পরিবর্তনের মাধ্যমে একটি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে, একটি মানবিক বাংলাদেশ নির্মাণের জন্যে তার অভিযাত্রা চলবে ততোদিন-যতোদিনে বাংলাদেশ হবে প্রকৃত পক্ষে সোনার বাংলা। সকল ক্ষেত্রে স্বনির্ভর বাংলাদেশ হবে পরিপূর্ণ স্বয়ং সম্পূর্ণ একটি দারিদ্র্য মুক্ত সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি-শিল্প ও সামরিক শক্তিতে কারো পিছনে নয় বরং একটি পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত হয়ে-বিশ্বের বুকে মাথা উচুঁ করে দাঁড়াতে সক্ষম হবে। সেইদিন দৈনিক সংগ্রাম পরিতৃপ্তির ঢেকুর তুলবে হয়তো খানিকটা নচেৎ নয়। তার পরেও এর যাত্রা থেমে যাবে না।

চলবে প্রজন্মের পর প্রজন্মে এর গতি রাখবে অব্যাহত। এদেশের আপামর জনগণকে ওয়াহী ভিত্তিক একমাত্র সত্য সুন্দরের নাগাল পাইয়ে দেয়ার সাধ ও সাধনার তো পরিসমাপ্তি নেই। সেই সাধনা চলবে বিশ্ব নিশ্বঃ হবার পূর্ব পর্যন্ত।

সুতরাং এযে এক মহা মিশন। এ মিশনের শেষ তো সব শেষ। বাকী থাকবেন তিনি যিনি সকল সৃষ্ঠির একমাত্র ইলাহ চিরঞ্জীব মহা মহিম মহান স্রষ্টা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন।