গণমাধ্যম নানা বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়। এর প্রধান কাজ হলো জনসচেতনতা তৈরি করা, শিক্ষা দেওয়া এবং জনমত গঠনে সাহায্য করা যা সমাজ ও সংস্কৃতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। গণমাধ্যম হলো বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কাছে বার্তা প্রেরণের একটি শক্তিশালী ও বহুমুখী মাধ্যম, যা আধুনিক সমাজে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। কিন্তু জুলাই পরবর্তীতে সময়েও গণমাধ্যম তাদের মত প্রকাশে পূর্ণ স্বাধীনতা পায়নি। হত্যা, আহত হওয়া এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটেছে, যা মিডিয়ার স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে, কিন্তু নতুন সরকার মিডিয়া সংস্কারের অঙ্গীকার করেছে। তারা সবসময় এক আতঙ্কের মধ্যে থাকেন সাংবাদিকেরা। জুলাই বিপ্লবের সময় এবং তার পর অনেক সাংবাদিককে পুলিশি গুলি ও প্রতিবাদের মুখে পড়তে হয়েছে, অনেকে আহত হয়েছেন বা নিহত হয়েছেন। সাংবাদিকদের নামে মামলা ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ আছে, যদিও সরকার চাপ প্রয়োগের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তারা এখনো বিচারহীনতার মধ্যে রয়েছেন।
ইতিবাচক দিকগুলো হলো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রভাব হ্রাস, সাংবাদিকদের সুরক্ষার জন্য নতুন আইনের খসড়া তৈরি, গণমাধ্যম গঠনের উদ্যোগ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে প্রবাসীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ, যা আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। সর্বদিক বিবেচনা করে কিছু ক্ষেত্রে উপকৃত হয়েছে গণমাধ্যম।
সুতরাং, একদিকে গণমাধ্যম উপকৃত হয়েছে গণমাধ্যম অন্যদিকে কিছু সমস্যা এখনো বিরাজমান।