মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডের স্থায়ী সদস্য, প্রবীণ রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ এমপি এর সুস্থতা কামনায় গতকাল বুধবার বাদ জোহর মতিঝিলস্থ ক্লাব প্রাঙ্গণে খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই সাথে ক্লাবের সাবেক সভাপতিসহ যারা অসুস্থ আছেন তাদের সুস্থতা কামনা করা হয়। উল্লেখ্য ক্রীড়াঙ্গনের দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ মির্জা আব্বাস গত ১১ মার্চ অসুস্থ হয়ে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে দুটি অস্ত্রোপচার শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ মার্চ সকালে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়। দোয়া মাহফিলে অংশ নেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। অনুষ্ঠান শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি মোহামেডান ক্লাবের প্রতি তার গভীর অনুরাগের কথা জানান। ভবিষ্যতে ক্লাবের সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তামিম বলেন, ‘সংগঠক হওয়া নিয়ে এখনো ওভাবে চিন্তা করিনি। তবে মোহামেডান যদি মনে করে আমার আসাটা ক্লাবের জন্য ভালো হবে, তারা বললে আমি যেকোনো সময় চলে আসব। এই ক্লাবের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা আমার জন্য সম্মানের ব্যাপার।’
তামিম ইকবাল মোহামেডানের সাথে তার আত্মিক সম্পর্কের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘আমি তো এই ক্লাবের সাথে জড়িয়েই আছি। গত বছর যখন আমার হার্ট অ্যাটাক হলো, তখনও আমি মোহামেডানের হয়েই খেলছিলাম, আমি তখন দলের অধিনায়ক ছিলাম।’ গত বছর ২৪ মার্চ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে শাইনপুকুরের বিপক্ষে ম্যাচের টস করার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তামিম। সেদিনের সেই জয়টি সতীর্থরা তাকেই উৎসর্গ করেছিলেন। দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে মোহামেডান ও আবাহনীর মতো ক্লাবগুলোর ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তামিম বলেন, ‘এই ক্লাবগুলোর কারণেই আমাদের স্পোর্টস আজ এতদূর এগিয়েছে। যারা এই ক্লাবগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা করছেন, তাদের প্রাপ্য সম্মানটুকু দেয়া আমাদের সবার দায়িত্ব। উক্ত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের ডাইরেক্টর ইন-চার্জ অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন মোঃ লোকমান হোসেন ভূঁইয়া, ডাইরেক্টর ইন-চার্জ অফ ফাইন্যান্স মাহবুব উল আনাম, ডাইরেক্টর স্পোর্টস মো. মোস্তাকুর রহমান, পরিচালক সাজেদ এ এ আদেল, সাবেক পরিচালকবৃন্দ, তারকা ক্রিকেটার তামিম ইকবাল খান, তারকা হকি খেলোয়াড় রাসেল মাহমুদ জিমি, ক্লাবের স্থায়ী সদস্যবৃন্দ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।