আসন্ন টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের। ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না চাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় ছিল বিসিবি। ভেন্যু পরিবর্তন না করে বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে স্থলাভিষিক্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ পাশে পেয়েছে পাকিস্তানকে। লিটন-মোস্তাফিজদের প্রতি সংহতি জানাতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করার হুমকি দিয়েছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম সামা টিভি জানিয়েছে, বিশ্বকাপ ইস্যুতে তিনটি প্রতীকী ও কৌশলগত বিকল্প বিবেচনা করছে পিসিবি। সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি তাদের প্রতিবেদনে লিখেছে, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের পাশাপাশি প্রতিবাদের বার্তা দিতে কিছু বিকল্প নিয়ে ভাবছে বোর্ড। টুর্নামেন্ট থেকে সরে না দাঁড়িয়ে কীভাবে সংহতি প্রকাশ করা যায় সেটি ভাবছে তারা। বিষয়টি নিয়ে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি বোর্ডের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সাবেক ক্রিকেটারদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেছেন। সেখানে নাকভি বাংলাদেশের পক্ষে স্পষ্ট অবস্থান নেন বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘নাকভি আলোচনায় বলেন, বাংলাদেশ দলকে অপমানজনক পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছে এবং এই অবস্থায় তাদের একা ছেড়ে দেয়া উচিত নয়।’

বর্তমানে তিনটি বিকল্প নিয়ে ভাবছে পিসিবি, জানিয়েছে সামা টিভি। সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদন অনুযায়ী বিকল্পগুলো হল- প্রথমত, টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোতে পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামতে পারেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের প্রতি সংহতির বার্তা পৌঁছানো হবে। দ্বিতীয় বিকল্প, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচটি বয়কট করতে পারে। সূত্র মতে, প্রতিবাদ হিসেবেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারে পিসিবি। তৃতীয় বিকল্প-পাকিস্তান দল বিশ্বকাপে পাওয়া প্রতিটি জয় বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের উদ্দেশে উৎসর্গ করতে পারে। পিসিবির চূড়ান্ত অবস্থান এবং বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। লন্ডন সফর শেষে দেশে ফিরেই তিনি পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসবেন। বৈঠকে বিশ্বকাপ ঘিরে সৃষ্ট জটিলতা, আইসিসির অবস্থান এবং সার্বিক পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করবেন পিসিবি প্রধান। সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নির্দেশনার ওপর ভিত্তি করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে পিসিবি।