বিপটএলে এবার এককভাবে শীর্ষে উঠেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। গতকাল টুর্নামেন্টের ১৯তম ম্যাচে চট্টগ্রাম ২ উইকেটে হারিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে। এই জয়ে ৭ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে এককভাবে টেবিলের শীর্ষে উঠল চট্টগ্রাম। ৬ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থ স্থানে থাকল রাজশাহী। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২১ রানের সূচনা করে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের দুই ওপেনার তানজিদ হাসান ও মোহাম্মদ ওয়াসিম। এরপর দলীয় ৭২ রানে ৫ উইকেট পতনে চাপে পড়ে রাজশাহী। উপরের সারির ব্যাটারদের মতো বড় ইনিংস খেলতে পারেনি রাজশাহীর পরের দিকের ব্যাটাররাও।

এমনকি বড় কোনো জুটিও হয়নি মিডল বা লোয়ার অর্ডারে। ষষ্ঠ উইকেটে এস এম মেহেরব ও আকবর আলি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ রানের জুটি গড়েন। নবম উইকেটে তানজিম হাসান সাকিব ও সন্দ্বীপ লামিচানের ১১ বলে ১৭ রানের জুটিতে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১২৮ রানের মামুলি সংগ্রহ পায় রাজশাহী। রাজশাহীর হয়ে সর্বোচ্চ ১৯ রান করেন ওয়াসিম ও মেহেরব। এছাড়া আকবর ১৭, মুশফিকুর রহিম ১৫ ও তানজিম অপরাজিত ১৪ রান করেন। বল হাতে চট্টগ্রাম রয়্যালসের আমের জামাল ৩টি, শরিফুল ইসলাম ও তানভির ইসলাম ২টি করে উইকেট নেন।

জবাবে ২৪ রানের সূচনার পর রাজশাহী পেসার বিনুরা ফার্নান্দো ও স্পিনার মেহেরবের নৈপুণ্যে ২৮ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। পঞ্চম উইকেটে অধিনায়ক মাহেদি হাসানকে নিয়ে ৪০ বলে ৪০ এবং ষষ্ঠ উইকেটে আসিফ আলির সাথে ৩৪ বলে ৩৫ রান যোগ করে চট্টগ্রামকে লড়াইয়ে ফেরান পাকিস্তানের হাসান নাওয়াজ। মাহেদি ২৮ ও আসিফ ২৭ রানে আউট হলেও, চট্টগ্রামের জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখেন হাসান। জয়ের জন্য শেষ ওভারে ১০ রান দরকার পড়ে চট্টগ্রামের। মেহেরবের করা প্রথম তিন বল থেকে ১টি চারে ৮ রান তোলেন হাসান। পরের দুই বল ডট হলে, শেষ ডেলিভারিতে প্রয়োজনীয় ২ রান তুলে দলকে দারুণ জয়ের স্বাদ দেন হাসান। ২টি চারে ৩৬ বলে ৩৫ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন হাসান।

রাজশাহীর বিনুরা ১৮ রানে ৩ এবং মেহেরব ২৫ রানে ২ উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন চট্টগ্রামের হাসান। এ নিয়ে ৭ ম্যাচে পঞ্চম জয় নিয়ে ১০ পয়েন্টে শীর্ষস্থান আরও পাকাপোক্ত করল চট্টগ্রাম। ৬ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে রাজশাহী চার নম্বরে রয়েছে। যথাক্রমে দুই-তিনে থাকা রংপুর রাইডার্স ও সিলেট টাইটান্সের পয়েন্টও সমান ৮। তবে রংপুর ৫ এবং সিলেট ৮ ম্যাচ খেলেছে ইতোমধ্যে।