দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে মাজ সাদাকাত ও সাহিবজাদা ফারহানের দুর্দান্ত শুরুর পর মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আঘার জুটিতে বড় সংগ্রহের পথে এগোচ্ছিল পাকিস্তান। কিন্তু শেষদিকে বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রত্যাশা অনুযায়ী সংগ্রহ পেল না সফরকারীরা। সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৭৪ রান তুলে পাকিস্তান।

ফলে সিরিজ জিততে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ২৭৫ রান। দলের পক্ষে মাজ সাদাকাত ৭৫ ও সালমান আগা ৬৪ রান করেন। বাংলাদেশের লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন ৫৬ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গতকাল টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান ও সাদাকাত। উদ্বোধনী জুটিতে ৭৯ বলে ১০৩ রান যোগ করেন তারা। সাদাকাতের মারমুখী ব্যাটিংয়ে সপ্তম ওভারে ৫০ এবং ১৩তম ওভারে শতরানে রানে পা রাখে পাকিস্তান। ৩১ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করে বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজের বলে আউট হন সাদাকাত। ৬টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৪৬ বলে ৭৫ রান করেন তিনি। মিরাজের ব্রেক-থ্রুর পর পাকিস্তানকে চেপে ধরার চেষ্টা করেন বাংলাদেশের দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানা। ১ রানের ব্যবধানে দুই উইকেট শিকার করেন তারা। ফারহানকে ৩১ রানে তাসকিন এবং শামিল হুসেনকে ৬ রানে বিদায় দেন রানা। এতে ১২২ রানে ৩ উইকেট হারায় পাকিস্তান। চতুর্থ উইকেটে বাংলাদেশ বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ে ১১৫ বলে ১০৯ রানের জুটি গড়েন উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান। হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ব্যক্তিগত ৬৪ রানে রান আউটের ফাঁদে পড়েন সালমান। ৬২ বলের ইনিংসে ৭টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন তিনি। সালমান ফেরার ওভারেই মিরাজের দ্বিতীয় শিকার হন রিজওয়ান। ডিপ মিড উইকেট দিয়ে ছক্কা মারতে গিয়ে রিশাদকে ক্যাচ দেন ৫টি চারে ৪৪ রান করা রিজওয়ান।

দলীয় ২৩১ রানে পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে রিজওয়ান আউট হবার পর স্পিনার রিশাদের ঘূর্ণি সামলাতে না পেরে বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারেনি পাকিস্তান। ৪৭ দশমিক ৩ ওভারে ২৭৪ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। লোয়ার অর্ডারে আব্দুল সামাদ ১১ ও ফাহিম আশরাফ ১৪ রানে আউট হন। ৫৬ রানে ৩ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সফল বোলার রিশাদ। এছাড়া মিরাজ ২টি, তাসকিন-মুস্তাফিজ ও রানা ১টি করে উইকেট নেন।