ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে যুব বিশ্বকাপে মাঠের লড়াই শুরু করেছে বাংলাদেশ। বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে আল ফাহাদের বিধ্বংসী বোলিংয়ে নির্ধারিত ৪৯ ওভারে ভারতকে ২৩৮ রানে গুটিয়ে দিয়েছে জুনিয়র টাইগাররা। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ৮০ রানের ইনিংস খেলেন অভিজ্ঞান কুন্ডু। বৃষ্টির বাধায় ম্যাচ শুরু হতে কিছুটা বিলম্ব হলেও টস ভাগ্যে জেতেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। তবে মাঠের লড়াই শুরুর আগেই আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে দুই দলের বৈরী সম্পর্ক। টসের সময় বাংলাদেশের জাওয়াদ আবরার ও ভারতীয় অধিনায়ক আয়ুশ মাত্রে একে অপরের সঙ্গে হাত মেলাননি। মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া এবং নিরাপত্তার কারণে বাংলাদেশের ভারত সফর বাতিল নিয়ে চলমান কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব এবার সরাসরি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও দেখা গেল। টস জিতে বোলিংয়ে নেমে শুরুতেই ভারতকে চেপে ধরেন আল ফাহাদ। নিজের দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরে ফেরান ভারতীয় অধিনায়ক আয়ুশ মাত্রেকে (৬)। ঠিক পরের বলেই ভেদান্ত ত্রিভেদীকে স্লিপে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন এই ডানহাতি পেসার। হ্যাটট্রিকের সুযোগ তৈরি করলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। তবে অপর প্রান্তে আজিজুল হাকিম তামিম ৫৩ রানের মাথায় ভারতের তৃতীয় উইকেটের পতন ঘটান। বাংলাদেশের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। মাত্র ৩০ বলে ফিফটি পূর্ণ করে তিনি সেঞ্চুরির পথে হাঁটছিলেন। তবে ব্যক্তিগত ৭২ রানে তাকে থামান ইকবাল হোসেন ইমন। চতুর্থ উইকেটে সূর্যবংশী ও অভিজ্ঞান কুন্ডু ৬২ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। সূর্যবংশী বিদায় নিলেও একপ্রান্ত আগলে রেখে ৮০ রানের ধৈর্যশীল ইনিংস খেলেন কুন্ডু। ৩৯ ওভারের পর আবারও বৃষ্টি হানা দিলে ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমিয়ে ৪৯ ওভারে নামিয়ে আনা হয়। বিরতির পর ইনিংসের শেষটা রাঙিয়েছেন আল ফাহাদ। ভারতের মিডল ও লোয়ার অর্ডার ধসিয়ে দিয়ে নিজের ৫ উইকেট (ফাইফার) পূর্ণ করেন তিনি। ৩৮ রান খরচায় ৫ উইকেট শিকার করে ভারতকে বড় সংগ্রহ গড়তে দেননি এই পেসার। এছাড়া ইমন ও তামিম দুটি করে উইকেট দখল করেন।