২০২৪ সালের ম্যাক্স-বিএসপিএ জার্নালিস্ট অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতেছেন টি-স্পোর্টসের সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক রিফাত আল মাসুদ। শনিবার পল্টনের ফারস হোটেলের সিন্দুরপুর হলে বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) আয়োজন করে ক্রীড়া সাংবাদিকদের স্বীকৃতি প্রদানের অনুষ্ঠান ম্যাক্স-বিএসপিএ জার্নালিস্ট অ্যাওয়ার্ড। বরাবরের মতো স্বাধীন বিচারক প্যানেলের মার্কিংয়ে সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়ে তওফিক আজিজ খান ট্রফি এবং ১ লক্ষ টাকার চেক জিতে নেন রিফাত আল মাসুদ। এই বিভাগে প্রথম রানার-আপ হয়েছেন ঢাকা পোস্ট ডটকমের সিনিয়র রিপোর্টার আরাফাত জোবায়ের এবং এটিএন নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার বদিউজ্জামান মিলন। বিএসপিএ সভাপতি রেজওয়ান উজ জামান’এর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ম্যাক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সাঁতার ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোহাম্মদ আলমগীর। ম্যাক্স গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় বিএসপিএ টানা দশম বারের মতো আয়োজন করে ক্রীড়া সাংবাদিকদের স্বীকৃতি প্রদানের অনুষ্ঠান। এবারও আটটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেয়া হয়েছে। ২০২৪ সালে এক্সক্লুসিভ রিপোর্টে বদি-উজ-জামান ট্রফি জিতেছেন সময় টিভির সিনিয়র রিপোর্টার এসএম ইকবাল। এই বিভাগে রানার-আপ হয়েছেন একাত্তর টিভির ফয়সাল হাবীব ও প্রথম আলোর স্পোর্টস এডিটর তারেক মাহমুদ। সিরিজ রিপোর্টে আব্দুল হামিদ ট্রফি জিতেছেন ঢাকা পোস্টের সিনিয়র রিপোর্টার আরাফাত জোবায়ের। এই বিভাগে রানার-আপ হয়েছেন এটিএন নিউজের বদিউজ্জামান মিলন ও ঢাকা ট্রিবিউনের শিশির হক। সাক্ষাৎকারে প্রিন্ট ও অনলাইন বিভাগে আতাউল হক মল্লিক ট্রফি জিতেছেন সমকালের স্পোর্টসন এডিটর সঞ্জয় সাহা পিয়াল। এই বিভাগে রানার-আপ হয়েছেন ক্রিকইনফোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি মোহাম্মদ ইসাম ও ঢাকা পোস্টেও সিনিয়র রিপোর্টার আরাফাত জোবায়ের। ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাক্ষাৎকার বিভাগে আতাউল হক মল্লিক ট্রফি জিতেছেন চ্যানেল টি- স্পোর্টসের সিনিয়র রিপোর্টার রিফাত আল মাসুদ। এই বিভাগে রানার-আপ হয়েছেন সময় টিভির তাজিন খন্দকার পান্না ও চ্যানেল ২৪-এর একেএম ফায়জুল ইসলাম। এই অনুষ্ঠানে বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস উপলক্ষে দুই জন ক্রীড়ালেখক ও সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক জনাব মো. আনোয়ার উল্লাহ ও পারভীন নাছিমা নাহার পুতুলকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
স্পোর্টস জার্নালি অব দ্য ইয়ার জয়ী রিফাত মাসুদ বলেন, “বিএসপিএকে ধন্যবাদ। এ ধরণের স্বীকৃতি পেতে সবসময় ভালো লাগে। স্বীকৃতি সবসময় ভালো কাজের অনুপ্রেরণা জোগায়। যারা এই পথচলায় সহযোগিতা করেছেন নানা উপদেশ, পরামর্শ, নির্দেশনা দিয়েছেন, আমার পরিবার, সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আগামীতে সবার প্রত্যাশা পূরণে চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না; সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। ধন্যবাদ।”