অ্যাশেজ সিরিজ জয়ের পথে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম দুই টেস্ট জিতে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে দলটি। পরিসংখ্যান বলছে, অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ জয় প্রায় অনেকটাই নিশ্চিত। পাঁচ টেস্টের সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচ জিতে কেবল একটি দলই হেরেছে। আর সেই দলও ইংল্যান্ড। ১৯৩৬-৩৭ অ্যাশেজে প্রথম দুই ম্যাচ জিতেও তারা ৩-২ এ সিরিজ হারে। পার্থে প্রথম টেস্টে দুই দিনেই অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরেছিল ইংল্যান্ড। ব্রিসবেন টেস্টে তারা একই রকম ব্যাটিং বিপর্যয়ে না পড়লেও বড় হারই দেখল। তাদের বিপক্ষে ৮ উইকেটে জিতে অ্যাশেজ সিরিজে ২-০ তে এগিয়ে থাকল অস্ট্রেলিয়া। ৬ উইকেটে ১৩৪ রানে গতকাল চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে ইংল্যান্ড। ইনিংসে হার এড়াতে তাদের ৪৩ রান দরকার ছিল। এই লজ্জা এড়াতে বাজবলের প্রবর্তক ইংল্যান্ড চিরচেনা আগ্রাসী ব্যাটিং থেকে সরে দাঁড়ায়। আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটার বেন স্টোকস ও জ্যাক উইলস প্রথম সেশনে উইকেট হারাতে দেননি। ১৯৩ রান তোলেন তারা স্কোরবোর্ডে। দেখেশুনে ব্যাটিং করে ১৪৮ বলে ৫০ করেন স্টোকস। তারপর দলগত ২২৪ রানে জ্যাকস ফিরে যান। মাইকেল নেসারের বলে বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে এক হাতে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরেন স্টিভ স্মিথ। ২২১ বলে ৯৬ রানের জুটি ভাঙে। জ্যাকস ৯২ বলে ৪১ রান করেন। বাকি তিন উইকেট পড়তে সময় লাগেনি। স্টোকস ৫০ রান করে নেসারের বলে ক্যারির গ্লাভসে ধরা পড়েন। ডগেটের শিকার হন গাস অ্যাটকিনসন, নেসার তার পঞ্চম শিকার বানান ব্রাইডন কার্সকে স্মিথের ক্যাচ বানিয়ে। ২৪১ রানে শেষ হয় ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস। নেসার ১৬.২ ওভারে ৪২ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন। দুটি করে উইকেট পান স্কট বোল্যান্ড ও মিচেল স্টার্ক। মাত্র ৬৫ রানের লক্ষ্যে নেমে অ্যাটকিনসনের টানা দুই ওভারে ট্রাভিস হেড (২২) ও মার্নাস লাবুশেনকে (৩) হারায় অস্ট্রেলিয়া। স্মিথ নেমেই মারমুখী। মাত্র ৯ বলে দুটি করে চার ও ছয় মেরে দলকে জেতান। দশম ওভারে তার ছক্কায় লক্ষ্যে পৌঁছায় স্বাগতিকরা। ২৩ রানে অপরাজিত ছিলেন অধিনায়ক। অন্য প্রান্তে ১৭ রানে খেলছিলেন ওপেনার জেক ওয়েদারাল্ড। ১০ ওভারে ২ উইকেটে ৬৯ রান করে অজিরা। শুরুর ইনিংসে ৬টিসহ ম্যাচে ৮ উইকেট ও ব্যাট হাতে ৭৭ রানে ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হয়েছেন স্টার্ক।
ক্রিকেট
অ্যাসেজ সিরিজ জয়ের পথে অস্ট্রেলিয়া
অ্যাশেজ সিরিজ জয়ের পথে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম দুই টেস্ট জিতে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে দলটি। পরিসংখ্যান বলছে, অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ জয় প্রায় অনেকটাই নিশ্চিত। পাঁচ টেস্টের সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচ জিতে কেবল একটি দলই হেরেছে।