বিদায়ী বছরের শেষ দিন আজ। বিদায় ২০২৫। আগামীকাল থেকে শুরু নতুন বছর। বিদায়ী বছরের শেষ দিনে সবাই ব্যস্ত চাওয়া-পাওয়ার হিসেব মিলাতে। অন্য সব বিষয়ের মতো দেশের ক্রীড়াঙ্গন এর বাইরে নয়। বিশেষ করে দেশের ক্রিকেটে। বিদায়ী বছরজুড়ে জিম্বাবুয়ে, পাকিস্তান, শ্রীলংকাা, ভারত, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ ছিল টাইগারদের। ২০২৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে যেমন সিরিজ জিতেছে ক্রিকেটাররা। আবার সিরিজ হেরেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে। ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটের মধ্যে টেস্ট আর টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সফলতা বেশি থাকলেও ওয়ানডে ক্রিকেটে ব্যর্থতাই ছিল বেশি। ফলে ক্রিকেটে ২০২৫ সালেও আছে সাফল্য-ব্যর্থতার মিশ্র অনুভুতি। ক্রিকেটে ২০২৫ সালের শুরুটা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হার দিয়েই শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তবে বছরের শেষ আন্তর্জাতিক সিরিজে আয়ারল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে বছর শেষ করে টাইগাররা। এই বছরে মেয়েদের ক্রিকেটে দল নাটকীয়ভাবে বাছাইপর্ব পেরিয়ে ওয়ানডে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয়। তবে মূল পর্বে শুধু পাকিস্তানকেই হারাতে পেরেছে তারা। সব মিলিয়ে টি-টোয়েন্টি আর টেস্টে বাংলাদেশকে অনেকটাই সফল বলা যায়। তবে ভালো কাটেনি বাংলাদেশের ওয়ানডে ক্রিকেটে। নিজেদের সেরা সংস্করণ ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ মোটেও সেরা ছন্দে ছিল না টাইগাররা।
টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে সফল ওয়ানডে ব্যর্থতার বছর : ২০২৫ সালে ক্রিকেটে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল টেস্টে পরাজয় দিয়ে। ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পরাজয় দিনে শুরু হয় ক্রিকেটে যাত্রা। তিন উইকেট ব্যবধানে সিলেটে পরাজিত হয়েছিল বাংলাদেশ। অবশ্য পরের টেস্টে চট্টগ্রামে ঠিকই জয় তুলে নেয় শান্তরা। সাদমান ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজের সেঞ্চুরিতে রেকর্ড গড়া জয় পায় বাংলাদেশ। ইনিংস ও ১০৬ রানে জিতেছিল সেই টেস্ট। এটা ছিল টাইগারদের টেস্ট ইতিহাসের দ্বিতীয় বড় জয়। দেশের মাটিডে জয়ের পর শ্রীলংকায় নাজমুল হোসেন শান্তর জোড়া সেঞ্চুরিতে প্রথম টেস্ট ড্র করে বাংলাদেশ। কিন্তু কলম্বো টেস্টে হেরে যায় সফরকারী বাংলাদেশ। বিদেশের মাটিতে কলম্বো টেস্টে হারলেও ঘরের মাঠে বাংলাদেশ আর ভুল করেনি। আয়ারল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করেছে স্বাগতিকরা। সিলেট ইনিংস ও ৪৭ রানের জয়ের পর মিরপুরে ২১৭ রানের বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী হয় বাংলাদেশ দল। তিনটি টেস্ট সিরিজ খেলে বাংলাদেশ জিতেছে শুধু আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। ২০২৫ সালে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে দারুণ সময় কেটেছে বাংলাদেশের। আটটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলে পাঁচটিতে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। দুটি জয় আবার পাকিস্তান ও শ্রীলংকার মতো বড় দলের বিপক্ষে। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে সিরিজ হারার স্বাদও পেতে হয়েছে। এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টিতে সুপার ফোরে উঠেছিল বাংলাদেশ। ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জিতলেও হেরেছে শ্রীলংকা ও আফগানিস্তানের কাছে। ফলে ২০২৫ সালে ১১ ওয়ানডে বাংলাদেশ জিতেছে মাত্র তিনটিতে। তবে টি-টোয়েন্টিতে ছিল অনেকটাই ভিন্ন চিত্র। টি-টোয়েন্টিতে ৩০ ম্যাচে ১৫ জয় ও ১৪ হার। একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত। আর টেস্ট ক্রিকেটেও বাংলাদেশের এই বছরটা খারাপ যায়নি। টেস্টে পঞ্চাশ শতাংশ ম্যাচে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ছয় ম্যাচের তিনটিতে জয়। একটি ড্র আর দুটি পরাজয়।
ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত অর্জন : ২০২৫ সালে ব্যক্তিগত অর্জনের পিছিয়ে ছিলনা টাইগার ক্রিকেটাররা। ২০২৫ সালে ১১টি সেঞ্চুরি করেছেন টাইগাররা ব্যাটাররা। যার মধ্যে ৯টি হয়েছে টেস্ট ফরম্যাটে। এক বছরে যৌথভাবে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির রেকর্ড এটি। এর আগে ২০১৪ সালেও টেস্টে ৯টি সেঞ্চুরি হয়েছিল। টেস্ট বাংলাদেশের পক্ষে এবছর সেঞ্চুরি এসেছে নয়টি। ছয়জন গড়েছেন এই কীর্তি। এদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। একাধিক সেঞ্চুরি আছে মুশফিকুর রহিমের। সাদমান, মিরাজ ছাড়াও একটি করে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন লিটন দাস ও মাহমুদুল হাসান জয়। টেস্টে বোলাররাও পিছিয়ে ছিলেন না। সমানতালে উইকেট শিকার করে গেছেন বোলাররাও। এ বছর সর্বোচ্চ উইকেট শিকার করেছেন তাইজুল ইসলাম। এই স্পিনার উইকেট নিয়েছেন ৩৩টি। দু’টো ফাইফারের দেখা পেয়েছেন তাইজুল। বোলার মিরাজও মন্দ করেননি। তিন ফাইফার সহ ২০টি উইকেট নিয়েছেন মিরাজও। বাংলাদেশের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে শততম টেস্ট খেলতে নেমে সেঞ্চুরি করে উপলক্ষটাকে স্মরণীয় করে রেখেছেন মুশফিকুর রহিম। মিরপুরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ১০৬ রান করা মুশফিক দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ছিলেন ৫৩ রানে। ১১ জন ব্যাটসম্যান শততম টেস্টে সেঞ্চুরি পেলেও দুই ইনিংসেই ৫০ ছাড়ানোর কীর্তিতে দ্বিতীয় মুশফিক। রিকি পন্টিং দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন। টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি এখন তাইজুল ইসলাম। নভেম্বরে মিরপুরে আয়ারল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে অ্যান্ডি বলবার্নিকে আউট করে তাইজুল ছাড়িয়ে যান সাকিব আল হাসানকে (২৪৬)। ওই ইনিংসে ৪ উইকেট নিয়ে ২৫০ উইকেটের মাইলফলকও ছুঁয়ে ফেলেন এই বাঁহাতি স্পিনার। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির রেকর্ডও হাতছাড়া হয়েছে সাকিবের। এশিয়া কাপে সাকিবকে (১৪৯) ছাড়িয়ে এই সংস্করণে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক হয়েছেন বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান (১৫৮)। তানজিদ হাসান তামিম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৯ ম্যাচে ২১ ছক্কা হাকিয়ে রেকর্ড গড়েন। যা ছিল তার অসাধারণ পারফরম্যান্সের একটি দিক। এছাড়া আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি রানের রেকর্ডও খুইয়েছেন সাকিব। তাঁর ২৫৫১ রান টপকে গেছেন এই সংস্করণে বাংলাদেশের অধিনায়ক লিটন দাস (২৬৫৫)। এছাড়া বছরের শেষদিকে আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় দল পান মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়া দেশের বাইরের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে তাসকিন আহমেদ-রিশাদ হোসেনদের পারফরম্যান্স অনেকটাই আশাবাদী করে তুলেছে বাংলাদেশকে।
অবসরে তামিম মুশফিক মাহমুদুল্লাহ শামসুর রহমান : ২০২৫ সালে বাংলাদেশের সেরা কয়েকজন ত্রিকেটার অবসর নিয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন দেশ সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল,মুশফিকুর রহিম, অলরাউন্ডার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও শামসুর রহমান। ওপেনার তামিম ইকবাল ২০২৫ সালের ১০ জানুয়ারি সব ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের মাধ্যমে তার পেশাদার ক্যারিয়ারের ইতি টানেন। বাংলাদেশের হয়ে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে তিনি ১৫,০০০-এর বেশি রান করেছেন। অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহ ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর সব ধরনের আন্তর্জাতিক ফরম্যাট থেকে অবসর নেন। তিনি ২০২১ সালেই টেস্ট থেকে অবসর নিয়েছিলেন এবং বাংলাদেশের সীমিত ওভারের ক্রিকেটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ২০২২ সালে টি-টোয়েন্টিকে বিদায় বলে দিয়েছিলেন মশফিকুর রহিম। এই বছর মার্চে ওয়ানডে থেকেও অবসর নিলেন তিনি। ২০০৬ সালে ওয়ানডে অভিষেকের পর ১৯ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ২৭৪টি ম্যাচ খেলেছেন, রান করেছেন ৭৭৯৫। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৪৪ রান। এবসর অবসওে গেছেন বাংলাদেশের হয়ে ২৫টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা শামসুর রহমানও। প্রায় ২১ বছরের ক্যারিয়ারে ১৬০ ম্যাচ খেলে ৩৬.২৩ গড়ে ৯৬০২ রান নিয়ে শেষ হলো তার ক্যারিয়ার। সেঞ্চুরি ২৩টি, ফিফটি ৪৬টি।
ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন : বিসিবি নির্বাচন নিয়েও কম ঝামেলা হয়নি। নির্বাচনে সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। নির্বাচনের বছরে বিসিবির নতুন সভাপতি নির্বাচিত হন সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম। আগের সভাপতি ফারুক আহমেদকে বিতর্কিতভাবে সরানোর পর মে মাসের শেষে দায়িত্ব নেন আমিনুল। চলতি বছরের অক্টোবরে হয় বিসিবি নির্বাচন। সেখানে তামিম ইকবাল-মাসুদুজ্জামানসহ অনেকে কারচুপির অভিযোগ তুলে নির্বাচন বয়কট করেন। অপর প্রান্তে থাকা আমিনুল ইসলাম বুলবুল-ফারুক আহমেদরা অনেকটা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে নেন বিসিবির দায়িত্ব। এই নির্বাচন নিয়ে ওঠা প্রশ্নের কারণে ঢাকার ক্লাব ক্রিকেট মাঠে গড়াতে পারেনি ঠিকমত। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বিসিবি সভাপতি পদে বসেছিলেন ফারুক আহমেদ। বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক টিকতে পারেননি এক বছরও। এ বছরের মে মাসে বিতর্কিতভাবে সরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয় আরেক সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলামকে। পরে নির্বাচিত সভাপতিও হয়েছেন বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান।
মাঠের বাইরের বিতর্ক : বছরের শেষ দিকে নারী ক্রিকেটই বিতর্কের জালে আটকা পড়েছে। পেসার জাহানারা আলম যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলে তোলপাড় করে ফেলেছেন। তাঁর ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দেওয়ার পেছনে জাতীয় দলের সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন কোচিং স্টাফ ও খেলোয়াড়ের ভূমিকা ছিল বলে দাবি করেন। নারী দলের সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগও করেন এই পেসার। অভিযোগ ওঠার পর তদন্ত কমিটি গঠন করে বিসিবি। মঞ্জুরুল অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। শুধু নারী ক্রিকেট নয়, বছরের শেষ প্রান্তে এসে বিতর্কের মধ্যে পড়েছে ঘরোয়া ক্রিকেটও। তৃতীয় বিভাগ বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা ১৫ ক্লাবের কাউন্সিলরশিপ বাতিল, নির্বাচন স্থগিত করতে হাইকোর্টে রিট, ১০-১২টি ক্লাবের নির্বাচন বর্জন, ঢাকা প্রথম বিভাগ ক্রিকেট বর্জন করে আটটি ক্লাব। তাই ২০ দলের লিগ তাই এখন ১২ দলের। এছাড়া বছরটিতে সরগরম ছিল ফিক্সিং ইস্যুতে। ফিক্সিং কা-ে চলমান বিপিএল শুরুর আগ মুহূর্তে কয়েকজন ক্রিকেটারকে বাদ দেয় বিসিবি। তাদের রাখা হয়নি বিপিএল নিলামে। সন্দেহজনক বোলিং-ব্যাটিংয়ের অভিযোগের তাদের বিপিএলে খেলার সুযোগ দেয়নি বিসিবি। এ নিয়ে বেশ কজন ক্রিকেটার আদালতের দ্বারস্থ পর্যন্ত হয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত আদালতের রায় ছিল বিসিবির পক্ষে। টেস্ট অধিনায়ক থেকে পদত্যাগ করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। আবার আছে তার ফিরে আসার গল্পও। এছাড়া ওয়ানডে অধিনায়কত্ব থেকে শান্তকে সরিয়ে মেহেদি হাসান মিরাজের কাঁধে তুলে দেওয়া দায়িত্ব। এছাড়া বিকেএসপিতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ খেলতে গিয়ে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। মোহামেডানের হয়ে খেলা তামিমকে তৎক্ষণাৎ পাশের কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে তামিম এখন ভালোই আছেন। তামিম ইকবাল মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসলেও বিপিএলের দল ঢাকা ক্যাপিটালসের সহকারী কোচ মাহবুব আলী জাকি মাঠেই অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। এছাড়া অক্টোবরে জাতীয় লিগ দল বরিশালের ফিজিও হাসান আহমেদও মাঠে অসুস্থ হয়ে মারা যান।
বাংলাদেশ পুরুষ দলের পারফরমেন্স
টেস্ট : ৬টি ম্যাচ, ৩টিতে জয়, ২টিতে হার এবং ১টি ড্র
ওয়ানডে : ১১টি ম্যাচ, ৩টিতে জয়, ৭টিতে হার এবং ১টি টাই
টি-টোয়েন্টি : ৩০টি ম্যাচ, ১৫টিতে জয়, ১৪টিতে হার, ১টি পরিত্যক্ত
বাংলাদেশ নারী দলের পারফরমেন্স
ওয়ানডে : ১৫টি ম্যাচ, ৫টিতে জয়, ৯টিতে হার, ১টি পরিত্যক্ত
টি-টোয়েন্টি : ৩টি ম্যাচ, ৩টিতে জয়, ৩টিতে হার।