জাতীয় ক্রিকেট লিগে ঝলক দেখালেন পেসার হাসান মাহমুদ। তার আগুনে বোলিংয়ে মাত্র ১২৬ রানে গুটিয়ে গিয়ে ফলো-অনে পড়েছে আকবর আলি ও নাসির হোসেনের রংপুর বিভাগ। মাত্র ১৩ রানেই পূর্ণ হয় হাসানের ৫ উইকেটের কোটা। অন্যদিকে, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ডাবল সেঞ্চুরির কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন অমিত হাসান। দিন শেষে তিনি ১৭২ রানে অপরাজিত আছেন। কক্সবাজার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চট্টগ্রামের বিপক্ষে দ্বিতীয় দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ২২০ রানে পিছিয়ে আছে রংপুর। চট্টগ্রাম ৬ উইকেটে ২৭০ রান নিয়ে দিন শুরু করে এবং জিল্লুর রহমান বিজয়ের ১১৩ রানের ইনিংসের পর শেষ দিকে হাসান মুরাদ ৩৪ ও হাসান মাহমুদ ১৯ রান যোগ করলে তারা ৩৫০ রানে অল আউট হয়। এরপর রংপুর ব্যাট করতে নামলে তাদের ওপর কার্যত ঝড় বইয়ে দেন হাসান মাহমুদ ও ইফরান হোসেন। এই দুজনের বোলিং তোপে মাত্র ৩৩ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলে রংপুর। চমৎকার এক ডেলিভারিতে নাসিরের মিডল স্টাম্প উড়িয়ে দেন হাসান মাহমুদ। মাত্র ১৩ রানেই পূর্ণ হয় হাসানের ৫ উইকেটের কোটা। পরে তানবীর হায়দার ও আবু হাশিম ৮৮ রানের জুটি গড়লেও ফলো-অন এড়াতে পারেনি রংপুর। হাশিম ৩৯ এবং তানবীর ৪৬ রানে অপরাজিত থাকেন। সব মিলিয়ে ৩১ রানে ৫ উইকেট নিয়ে প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে এটি নিজের তৃতীয় পাঁচ উইকেট শিকার করলেন হাসান মাহমুদ। দ্বিতীয় ইনিংসে রংপুর বিনা উইকেটে ৪ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাজশাহী বিভাগের ২৩৬ রানের জবাবে ব্যাট করছে সিলেট বিভাগ। দ্বিতীয় দিন শেষে সিলেটের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৩৭০ রান। তারা এরই মধ্যে ১৩৪ রানে এগিয়ে গেছে। মাত্র ১০৬ রানে তৃতীয় উইকেট পতনের পর ম্যারাথন জুটি গড়েন অমিত হাসান ও আসাদুল্লাহ আল গালিব। এখন পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন চতুর্থ উইকেট জুটির সংগ্রহ ২৬৪ রান। গত বছরে এনসিএলেও চতুর্থ উইকেটে ২৫১ রানের জুটি গড়েছিলেন তারা দুজন। অমিত হাসান ক্যারিয়ারের দশম সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ২৪ চার ও ১ ছক্কায় ১৭২ রানে অপরাজিত আছেন, আর গালিব খেলছেন ১১১ রানে। এদিকে খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে স্বাগতিক খুলনার চেয়ে ৪১ রানে এগিয়ে আছে ঢাকা। খুলনার ১৯৪ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিন শেষে ঢাকার সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৩৫ রান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৭ রান করেন ফয়সাল আহমেদ। এছাড়া জিসান আলম ৫৭ ও আনিসুল ইসলাম ইমন করেছেন ৪৮ রান। সিলেটের একাডেমি মাঠে বরিশালের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪৯ রানে এগিয়ে আছে ময়মনসিংহ। প্রথম ইনিংসে ময়মনসিংহের ৩৫৪ রানের জবাবে বরিশাল গুটিয়ে যায় ২১৭ রানে। ময়মনসিংহের পক্ষে প্রথম ইনিংসে আবু হায়দার রনি ৭৬ বলে ৯৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। পরে বরিশালের হয়ে অভিজ্ঞ বাঁহাতি ব্যাটার ফজলে মাহমুদ রাব্বি ৯২ রানের ইনিংস খেলেন জাতীয় লিগে জোড়া সেঞ্চুরি এবং ৫ উইকেটের দিন।