বগুড়া অফিস

নাঈম-রনির ব্যাটিং দৃঢ়তায় ইস্ট জোনকে হারিয়ে প্রথম জয় পেল সেন্ট্রাল জোন। বৃহস্পতিবার বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ইষ্ট জোনের ছুঁড়ে দেয়া ২৩৮ রানের টার্গেট ২৭ বল বাঁকি থাকতেই ৫ উইকেট হারিয়ে টপকে যায় সেন্ট্রাল জোন। দলের ওপেনার নাঈম শেখ ৮৩ এবং আবু হায়দার রনির ৪২ বলে হার না মানা ৬৬ রানে ভর করে ৫ উইকেটের জয় পায় সেন্ট্রাল জোন। আবু হায়দার রনি প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে কুয়াশা ভেজা মাঠে টসে জিতে সেন্ট্রাল জোনের অধিনায়ক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন প্রতিপক্ষ ইষ্ট জোনকে ব্যাট করতে পাঠায়। দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন এবং জাকির হাসান চমৎকার সূচনা এনে দেন। ৭ ওভার শেষে দলীয় ৪২ রানে প্রথম আঘাত হানে সেন্ট্রাল জোন। তাসকিন আহম্মেদের বলে অঙ্কনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ব্যক্তিগত ২৭ রানে বিদায় নেন পারভেজ হোসেন ইমন। এরপর জাকিরের সাথে ৬১ রানের মূল্যবান জুটি গড়েন অমিত হাসান। দলীয় ১০৩ রানে অমিত হাসান ব্যক্তিগত ২৬ রানে সাজঘরে ফেরার পর ব্যক্তিগত ৪৫ রানে আউট হন জাকির। অধিনায়ক ইয়াসির আলী রাব্বী ৩৭ এবং মমিনুল ৩৪ রানে আউট হলে থেমে যায় রানের চাকা। দলীয় ১৮৪ রানে মমিনুল হক সাজঘরে ফেরার পর নাঈম হাসানের ২৬ ছাড়া আর কোন ব্যাটার ক্রিজে দাঁড়াতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ২৩৭ রান করতে সক্ষম হয় ইষ্ট জোন।

সেন্ট্রাল জোনের রাকিবুল হাসান নিয়েছেন সর্বোচ্চ ৩ উইকেট। এছাড়া তাসকিন ও রিপন মন্ডলের ২টি করে উইকেট। ২৩৮ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৭ রানে নাসুম আহম্মেদ এর বলে খালেদের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন সাইফ হাসান। এরপর মাহফিজুল ইসলাম রবিনের সাথে মূল্যবান জুটি গড়েন নাঈম। এই জুটি ভাঙ্গার পর দ্রুত আরও দুটি উইকেটের পতন হলে পরাজয়ের শঙ্কা জেগে ওঠে। কিন্তু পেসার আবু হায়দার রনিকে সাথে নিয়ে দাপটের সাথে ইষ্ট জোনের বোলারদের মোকাবেলা করতে থাকেন নাঈম শেখ। দুজনে ৭৪ রানের ঝড়ো গতির পার্টনারশীপে দলের জয়কে সহজ করে তোলে।