টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দ্রুততম সেঞ্চুরির বিশ্ব রেকর্ড গড়েন নিউজিল্যান্ড ব্যাটার ফিন অ্যালেন। মাত্র ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করে বিশ্ব রেকর্ডের মালিক হন তিনি। ৩০৩.০৩ স্ট্রাইক রেটে বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে রেকর্ড বইয়ের পাতা ওলট-পালট করে দিয়েছেন অ্যালেন। কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৬৯ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে অ্যালেনের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে ৪৩ বল বাকী থাকতে ৯ উইকেটে সেমিফাইনাল জিতে ফাইনালের টিকিট পায় নিউজিল্যান্ড। ১০টি চার ও ৮টি ছক্কায় ৩৩ বলে ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন অ্যালেন। ওপেনার হিসেবে নেমে ১৯ বলে হাফ-সেঞ্চুরি করেন অ্যালেন। তবে পরের হাফ-সেঞ্চুরি করতে মাত্র ১৪ বল খেলেন তিনি। ফলে ৩৩ বল খেলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন অ্যালেন। যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্রুততম সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড। আগের বিশ্বরেকর্ডের মালিক ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইল। ২০২৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৭ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন ইউনিভার্স বস। টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরিতে গ্লেন ফিলিপসকে পেছনে ফেলেছেন অ্যালেন। ২০২০ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪৬ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন ফিলিপস। টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে দ্রুততম সেঞ্চুরিতে তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন অ্যালেন। এক্ষেত্রে এস্তোনিয়ার সাহিল চৌহান ২৭ বলে এবং তুর্কির মুহাম্মদ ফাহাদ ২৯ বলে সেঞ্চুরি করে অ্যালেনের উপরে আছেন। তবে টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে টি-টোয়েন্টিতে যৌথভাবে দ্রুততম সেঞ্চুরির নজির গড়েন অ্যালেন। ২০২৪ সালে গাম্বিয়ার বিপক্ষে ৩৩ বলে শতক হাঁকিয়েছিলেন জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা। নিউজিল্যান্ডের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরিতে কলিন মুনরোর রেকর্ড ম্পর্শ করেছেন অ্যালেন। ৩টি করে সেঞ্চুরির মালিক এখন মুনরো ও অ্যালেন। বিশ্বের প্রথম ব্যাটার হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে সেঞ্চুরি করলেন অ্যালেন। আগের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস ছিল শ্রীলংকার তিলকরত্নে দিলশানের। ২০০৯ সালের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অপরাজিত ৯৬ রান করেছিলেন দিলশান।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৯ বলে হাফ-সেঞ্চুরি করে বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে দ্রুততম অর্ধশতকের রেকর্ডও দখলে নিয়েছেন অ্যালেন। ফলে ভেঙ্গে গেছে ভারতের যুবরাজের রেকর্ড। ২০০৭ সালে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ২০ বলে হাফ-সেঞ্চুরি করেছিলেন যুবরাজ।