বল হাতে আলো ছড়িয়ে রেকর্ডের একাধিক পাতায় নাম লিখিয়েছেন পাকিস্তানের উসামা মির। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের মাটিতে সেরা বোলিংয়ের কীর্তি এখন এই লেগ স্পিনারের। সঙ্গে আরেকটি জায়গায় বসেছেন সাকিব আল হাসান ও অজন্থা মেন্ডিসদের পাশে। পাকিস্তানের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপে লাহোর ব্লুসের বিপক্ষে ৮ রানে ৬ উইকেট নেন মির। তার চমৎকার বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে ১১০ রানে হারায় শিয়ালকোট। টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের মাটিতে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ডটি এতদিন ছিল মোহাম্মাদ ইমরানের। ২০২৩ সালে পেস বোলিংয়ে ১৬ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। এবার তাকে ছাড়িয়ে রেকর্ডটি নিজের করে নিলেন মির। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এনিয়ে দ্বিতীয়বার ছয় উইকেটের স্বাদ পেলেন মির। ২০২৪ পিএসএলে লাহোর কালান্দার্সের বিপক্ষে ৪০ রান খরচায় ছয় শিকার ধরেছিলেন তিনি। এই সংস্করণে দুইবার ছয় উইকেট পাওয়া স্রেফ চতুর্থ বোলার মির। ২০১১ ও ২০১২ সালে শ্রীলঙ্কান স্পিনার মেন্ডিস অস্ট্রেলিয়া ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ধরেছিলেন ছয় শিকার। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে একাধিকবার ছয় উইকেট নেওয়া একমাত্র বোলার তিনি। ২০১৩ সালেই দুইবার ছয় উইকেটের স্বাদ পান সাকিব, দুইবারই ঘরোয়া ক্রিকেটে। আর ভারতীয় বাঁহাতি পেসার আরজান নাগওয়াসওয়াল্লা ছয় উইকেট পান ২০২১ ও ২০২৩ সালে। লাহোরের বিপক্ষে ২১০ রানের পুঁজি গড়ে শিয়ালকোট। তাদের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩১ বলে ৫৭ রান করতে তিনটি ছক্কা ও ছয়টি চার মারেন আবদুল্লাহ শাফিক।
শেষ দিকে ঝড় তোলেন আহসান হাফিজ। তিনটি ছক্কা ও পাঁচটি চারে ১৭ বলে ৪৭ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। পরে বল হাতে লাহোরের ব্যাটিংয়ে ধস নামান মির। ওপেনার উমার সিদ্দিককে দিয়ে শিকার ধরা শুরু করেন ৩০ বছর বয়সী বোলার। পরে একে একে ফেরান হামজা জাহুর, হাম্মাদ বাট, কাসিম আকরাম, নিসার আহমাদ ও মোহাম্মাদ রিজওয়ানকে। মিরের প্রথম তিন ওভার শেষে বোলিং ফিগার ছিল ৮ রানে ৪ উইকেট। পরে আর কোনো রান খরচ না করেই আরও দুই উইকেট নেন তিনি। পাকিস্তানের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটও খেলেছেন মির। পাঁচটি টি-টোয়েন্টি খেলে নিয়েছেন ৫ উইকেট। আর ১২ ওয়ানডেতে ধরেছেন ১৫ শিকার।