টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিলেও আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা দিয়েছিল পাকিস্তান। তবে এমন ঘটনা ঘটলে বিশাল ক্ষতি হবে আইসিসির। তাইতো সিদ্ধান্ত থেকে পাকিস্তানকে সরিয়ে আনার জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সংস্থাটি। এরই মধ্যে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভির সঙ্গে পাকিস্তানে বৈঠক করেছেন আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজা। সেখানে যোগ দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও।

ভারতের বিপক্ষে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচ খেলতে বেশ কিছু শর্ত জুড়ে দিয়েছে পিসিবি। এছাড়া ২০৩১ সালে অনুষ্ঠেয় ওয়ানডে বিশ্বকাপ নিয়েও নতুন একটি দাবি যৌথভাবে তুলেছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। বলে রাখা ভালো, ২০৩১ সালের বিশ্বকাপ যৌভভাবে ভারত ও বাংলাদেশের আয়োজন করার কথা।

এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ চাইছে বর্তমান ‘হাইব্রিড মডেল’ ব্যবস্থা ওই আসর পর্যন্ত বাড়ানো হোক। বর্তমানে এই মডেল ২০২৭ সাল পর্যন্ত কার্যকর রয়েছে। এই ব্যবস্থার মেয়াদ বাড়ানো হলে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান নিজেদের সব ম্যাচ নিজ নিজ দেশেই খেলতে পারবে। হাইব্রিড মডেলের শুরুটা হয়েছিল ২০২৫ সালে। তখন চ্যাম্পিয়নস ট্রফির জন্য ভারত পাকিস্তান সফর করতে অস্বীকৃতি জানালে ‘হাইব্রিড মডেল’ চালু করা হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর আইসিসিসহ সব পক্ষ এই ব্যবস্থায় সম্মত হয়। এই মডেল অনুযায়ী, পাকিস্তান আয়োজক দেশ হলেও ভারত তাদের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ম্যাচগুলো সংযুক্ত আরব আমিরাতে খেলে। এই চুক্তির দ্বিতীয় অংশ অনুযায়ী, পাকিস্তান ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে সফর করবে না। ফলে পাকিস্তানের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হবে; এমনকি তারা ফাইনালে উঠলেও। তবে এই হাইব্রিড ব্যবস্থা ২০২৭ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এখন পাকিস্তান ও বাংলাদেশ চাইছে, এই হাইব্রিড মডেলের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০৩১ সাল পর্যন্ত করা হোক।