মালদ্বীপ ফুটবলের গৌরবময় ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত চার জাতি আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হতে যাচ্ছে ১১ জুন থেকে। এর আগে ১ থেকে ৯ জুন পর্যন্ত ফিফা উইন্ডো রয়েছে, যা বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর জন্য প্র¯‘তির সুযোগ হিসেবে বিবেচিত। একই সময়ে বিশ্বকাপের বাইরে থাকা দলগুলোও র্যাঙ্কিং বাড়াতে ম্যাচ বা টুর্নামেন্ট খেলবে। সম্প্রতি ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো মালদ্বীপ সফরকালে এই টুর্নামেন্টের লোগো উন্মোচন করা হয়। উল্লেখ্য, ২০০০ সালে মালদ্বীপ ফুটবল সংস্থার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষেও টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে বাংলাদেশ দল অংশগ্রহণ করে তিনটি ম্যাচ খেলেছিল। তবে ফলাফল আশানুরূপ ছিল না। লাল-সবুজরা দুটি ম্যাচে ড্র এবং একটিতে পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছিল। সেবার স্বাগতিক মালদ্বীপকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল শ্রীলঙ্কা। এই ঐতিহাসিক মাইলফলক উদযাপনে দেশটিতে বড় পরিসরে ফুটবল উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই টুর্নামেন্টে স্বাগতিক মালদ্বীপ ছাড়াও দক্ষিণ এশিয়ার আরও তিনটি দেশ-বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যে শ্রীলঙ্কা টুর্নামেন্টে খেলার সম্মতি প্রদান করেছে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) সোমবার মালদ্বীপ থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছে।
বাফুফে সূত্র মতে, জাতীয় দলের ব্যস্ত সূচি এবং প্র¯‘তির বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে দ্রুতই সিদ্ধান্ত জানানো হবে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জাতীয় দল আগামী ৩১ মার্চ সিঙ্গাপুরে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের শেষ ম্যাচ খেলবে। এর আগে মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে একটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের চেষ্টা করছে ফেডারেশন। যদি অ্যাওয়ে ম্যাচ সম্ভব না হয়, তাহলে হোম ম্যাচ আয়োজনেরও পরিকল্পনা রয়েছে। ফিফা উইন্ডোতে ক্লাবগুলো খেলোয়াড় ছাড়তে বাধ্য, তাই জুন মাসের এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দল হামজা ও সামিতকে নিয়ে খেলতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২৫ বছর পর আবারও একই ধরনের আয়োজনে বাংলাদেশের সামনে সুযোগ থাকছে অতীতের রেকর্ড মুছে নতুন সাফল্য অর্জনের।