মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত লাল ও সবুজ দলের মধ্যকার প্রীতি ফুটবল ম্যাচটি জাতীয় স্টেডিয়ামে বসে উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বিকেলে নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্য দিয়ে তার কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করলে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডালেশনের (বাফুফে) প্রতিনিধিরা তাদের স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী ও জাইমা রহমানের উপস্থিতিতে গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
প্রধানমন্ত্রী কোথাও যাবেন, তার পূর্ব নির্ধারিত সূচি থাকবে না, তেমন ঘটনা সচরাচর ঘটেই না। এমনকি তিনি কোথাও গেলে, সেখানে আগে থেকেই সাজ সাজ রব পড়ে যায়। নিরাপত্তার কড়াকড়ি, কর্মকর্তাদের আনাগোনা- সব মিলিয়ে একটা মহা হুলুস্থুল কর্মকা- তৈরি হয়। সেটা যে প্রধামন্ত্রীই হোন না কেন। তবে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এমন কিছু কাজ করেছেন যা খুবই প্রশংসা কুড়িয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার হঠাৎ করেই বিকেলে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে এসে হাজির হয়েছিলেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিকাল সাড়ে ৪ টায় ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল।
সাবেক ফুটবলারদের নিয়ে গড়া দুটি দল। লাল দল ও সবুজ দল- এই দুই ভাগে ভাগ হয়ে তারা মাঠে পরস্পরের বিপক্ষে যখন মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছিল তখন হঠাৎ করেই মাঠে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জানা গেছে,মাঠে আসার জন্য তার কোনো সূচি নির্ধারিত ছিল না। এমনকি তিনি যে মাঠে আসতেছেন, এমন কথাও আগে থেকে কেউ জানায়নি। হঠাৎ করেই ভিআিইপি গেট দিয়ে সরাসরি মাঠে ঢুকে তিনি চলে যান ডাগআউটে। সেখানে গিয়ে খেলোয়াড়দের সঙ্গে পরিচিত হন। হ্যান্ডশেক করেন। এরপর স্টেডিয়ামে স্থাপিত অ্যাথলেটিক ট্র্যাকের ওপর দিয়ে পুরো মাঠ প্রদক্ষিণ করে ডাগআউটে বসেই খেলা উপভোগ করেন তিনি। কোনো দেশের কোনো সরকার প্রধানের এভাবে ডাগআউটে বসে খেলা উপভোগ করার এটা এক বিরল ঘটনা হয়ে থাকলো।
এদিকে খেলা শেষে প্রধানমন্ত্রী উভয় দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পদক বিতরন করেন। তারপর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে দল-মত নির্বিশেষে দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে নতুন উদ্যোগ হিসেবে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালু করা হবে। জেলা, উপজেলা ও স্কুল পর্যায়ে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।